Showing posts with label অজানা. Show all posts
Showing posts with label অজানা. Show all posts
 
একই গাছে ৪০ রকম ফল! আবার ফুলও ফোটে হরেক রঙের! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। আমেরিকার ফলবাগানে এমনই এক 'জাদু গাছ' সৃষ্টি করেছেন স্যাম ভ্যান অ্যাকেন।

২০০৮ সালে নিউ ইয়র্ক শহরে ঘুরতে ঘুরতে এক প্রাচীন ফলবাগান খুঁজে পান শিল্পী স্যাম ভ্যান অ্যাকেন। জানতে পারেন, বাগানটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে চলেছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গাছপালা ঘেরা অগোছালো বাগিচার প্রেমে পড়ে যান স্যাম। তখনই মনস্থির করেন, বাগানটি কিনবেন।

বাগান কেনার পর দিন-রাত গাছের পরিচর্যায় কাটে স্যামের। তিনি লক্ষ্য করেন, বেশির ভাগ গাছই এমন গোত্রের যাতে বাদাম জাতীয় ফল ফলে। অর্থাত্‍ যে গাছে ফলের শাঁসের আড়ালে থাকা আঁটি বাদাম জাতীয়। তখনই এক দুর্দান্ত আইডিয়া আসে স্যামের মাথায়। গ্র্যাফটিং পদ্ধতির সাহায্যে এর আগেই সংকর গাছ তৈরিতে দড় স্যাম লেগে পড়েন নতুন গবেষণায়।

এক গাছের সঙ্গে অন্য গাছের কৃত্রিম মিলন ঘটিয়ে মিশ্র প্রজাতির গাছ তৈরি করার নেশা পেয়ে বসে তাঁকে। এ ভাবেই একাধিক গাছের মিশ্রণে তিনি তৈরি করেন এই জাদু গাছ যাতে সারা গ্রীষ্ম জুড়ে ৪০ রকমের ফল ফলে। তবে শুধু ফলই নয়, বসন্তে নানা রঙের বাহারি ফুলে ছেয়ে যায় জাদু গাছ। বেগুনি, লালা, গোলাপি, সাদা রঙের শোভা দেখতে ভিড় জমান দেশ-বিদেশের পর্যটকরা।

কী কী ফল ফলে স্যামের 'কল্পতরু'তে?


শিল্পী জানিয়েছেন, পিচ, প্লাম, অ্যাপ্রিকট, আমন্ড, নেক্টারিন, চেরি ছাড়াও ফলে এই গোত্রের আরও কয়েক কিসিম প্রজাতি। তবে এরই সঙ্গে আরেক রহস্য ফাঁস করেছেন শখের উদ্ভিদ বিজ্ঞানী। প্রথম গাছের সফল গ্র্যাফটিংয়ের পর বাগানের বেশ কিছু গাছে এই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ভবিষ্যতে আরও তাক লাগানো গাছের সন্ধান মেলার সম্ভাবনা রয়েছে স্যাম ভ্যান অ্যাকেনের বাগিচায়।

একই গাছে ৪০ রকম ফল! আবার ফুলও ফোটে হরেক রঙের!


মুম্বাই: টানা ৭ ঘণ্টার চেষ্টায় কিশোরের মুখ থেকে ২৩২ টি দাঁত তুলে ফেলতে সক্ষম হলেন চিকিত্‍সকরা। বিরলতম এই অস্ত্রপচারের সাক্ষী রইল ভারতের মুম্বইয়ের জেজে হাসপাতালের দন্ত চিকিত্‍সা বিভাগ।

গত ১৮ মাস ধরে মুখ ফুলে উঠেছিল ১৭ বছরের কিশোর অশোক ভাভই। তাঁর মুখের মাড়িতে গজিয়ে উঠিছিল ২৩২টি অতিরিক্ত দাঁত। জেজে হাসপাতালের দন্ত চিকিত্‍সা বিভাগের প্রধান ডা. ধিওয়ারে জানালেন, অস্ত্রপচারের সময় মাড়ি কাটতেই চোখে পড়ে ছোট ছোট মুক্তোর মতো দাঁত। অস্ত্রপচারের পর গুনে দেখা গেছে মোট ২৩২টি অতিরিক্ত দাঁত ছিল অশোকের মুখে। এখন রয়েছে ২৮টি। তবে এই ঘটনা খুবই বিরল। আমার ৩০ বছরের কর্মজীবনে প্রথম এই ধরনের ঘটনার দেখলাম।

দুজন চিকিত্‍সক ও দুজন সহকারী অশোকের অস্ত্রপচার করেন।

Collected

কিশোরের মুখ থেকে ২৩২টি দাঁত বের করলেন চিকিত্‍সকরা

গরমের হাত থেকে আপনাকে রেহাই দিতে পারে এক গ্লাস লাল টুকটুকে তরমুজের শরবত।


  কী কী লাগবেঃ-

১) তরমুজ-১টা(মাঝারি সাইজের),

২) চিনি-৩টেবিল চামচ ,

৩) নুন বা বিট নুন-স্বাদ মতো ,

৪) চাট মশলা-স্বাদ মতো ,

৫) বরফ এবং 

৬) জল

কীভাবে বানাবেনঃ-

তরমুজের খোসা ছাড়িয়ে বিচি ফেলে ছোট ছোট টুকরোয় কেটে নিন। ব্লেন্ডারে চিনি ও তরমুজের টুকরো একসঙ্গে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণে স্বাদ মতো নুন বা বিটনুন, চাট মশলা ও জল ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে লম্বা কাঁচের গ্লাসে ঢেলে ওপরে বরফকুটি দিয়ে পরিবেশন করুন। অথবা ফ্রিজে রেখে দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন। 

খুব সহজেই তরমুজের শরবত বানানো শিখুন ও গরমেও থাকুন তরতাজা।

আমরা কিছু কিছু দিন সাক্ষী থাকি বিরল মহাজাগতিক ঘটনার। আমরা এমনই এক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছি আজকের দিনেও, অর্থাৎ  ৮ এপ্রিল, ২০১৪-তেআজ এক সরলরেখায় আসতে চলেছে সূর্য, পৃথিবী ও মঙ্গল। 



পৃথিবী যেখানে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ৩৬৫ দিন সময় নেয়, সেখানে মঙ্গলের সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৬৮৭ দিন। কাজেই সূর্যকে প্রদক্ষিণের পথে পৃথিবী ও মঙ্গলের এক সরলরেখায় থাকার ঘটনা খুবই বিরল। দু বছরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘটে থাকে এই ঘটনা। আজ সেই দিন। বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে মহাবিশ্ব। 

Source:- 24Ghanta

আজ এক সরলরেখায় আসতে চলেছে সূর্য, পৃথিবী ও মঙ্গল...

আমাদের অনেক সময় কম্পিউটারের হঠাৎ রিস্টার্ট হবার প্রবলেমে পরতে হয়...যদি আপনি এইরকম সমস্যাই পড়ে থাকেন বা না পড়ে থাকেন তাহলেও নীচের লেখা দেখে জেনে নিন কি কি কারনে এটা ঘটতে পারে এবং এর সমাধান আপনি কিকরে করতে পারবেন... 

► কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।

►RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।

► হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।

►ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।

► বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।

►বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।

বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।

► প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।

[Collected]

কম্পিউটারের হঠাৎ রিস্টার্ট হবার কারণগুলো জেনে নিন...

হ্যালো! আজকাল আমাদের প্রায় সবার বাড়িতেই ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ ব্যবহার করা হ্য়। আবার কারো কারোর কাছে একাধিক ল্যাপটপ আছে, সঙ্গে এখনকার WiFi সহ Letest মোবাইল ফোনও থাকে। 


আমারা যেহেতু সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাই ইচ্ছা করলেই আমরা আমাদের ল্যাপটপের ইন্টারনেট অন্য ল্যাপটপে অথবা WiFi মোবাইল ফোনে ব্যবহার করতে পারি খুব সহজেই।
আপনার ল্যাপটপে যদি Windows 7 দেয়া থাকে তাহলে শুধু একটা Software দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার ল্যাপটপকে WiFi HotSpot বানাতে পারবেন। Software টির নাম Connectify ।

সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।


(ডাউনলোড করতে প্রথমে  Slow Download-এ ক্লিক করুন তারপর যে বক্স টা ওপেন হবে সেটাকে Close করুন এবং কিছুটা অপেক্ষা করে, Download with FileFactory's download manager -এটার আগের টিক চিহ্নটাকে তুলে Click here to begin your download-এ ক্লিক করুন।)

এরপর Software টি ডাউনলোড করে Install করুন। এরপর Software টি রান করুন।

Connectify ল্যাপটপ দিয়ে তৈরি করুন WiFi নেটওয়ার্ক এবং আপনার ল্যাপটপ দিয়ে নিজেই হয়ে যান WiFi HotSpot এর মালিক এবার আপনি যে নামে WiFi HotSpot বানাতে চান, WiFi Name এ সেই নাম দিন।

এরপর Password এ আপনার Password দিন যেটা আপনার WiFi HotSpot ব্যবহারকারীরা লগিন করার জন্য ব্যবহার করবে।

এবার আপনি আপনার ল্যাপটপে যে টাইপের ইন্টারনেট ব্যবহার করেন সেটার উপর ভিত্তি করে Internet অপশন নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি Broadband/Dial Up ব্যবহার করেন তাহলে Local Area Network নির্বাচন করুন।


এবার Start HotSpot বাটনটা চাপুন।

এবার আপনি আপনার অন্য যে ল্যাপটপে অথবা মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন সেখানে WiFi সার্চ করে আপনার WiFi HotSpot নির্বাচন করে Password দিয়ে লগিন করে প্রবেশ করুন ইন্টারনেট এর দুনিয়াতে।

*ডেস্কটপ wifi device ডেস্কটপে থাকতে হবে...



বাই- - এসো ফ্রী কম্পিউটার শিখি :: টুকিটাকি প্রতিদিন ::

সহজেই WiFi নেটওয়ার্ক তৈরি করুন ল্যাপটপ/ডেস্কটপের মাধ্যমে।

হ্যালো! কেমন আশা করি সবাই ভালো আছেন। এখন পরীক্ষার ব্যাস্ততার কারনে নিয়মিত পোস্ট দেওয়া হয়না...তাই আজকে অনেকদিন পর একটা পোস্ট দিচ্ছি

আপনারা যারা নেট ইউজ করেন, তারা মাঝে মাঝেই কিছু নাটক, মুভি ইত্যাদি ডাউনলোড করে থাকেন, আর ডাউনলোড করার সময় অন্য কাজ বা ঘুমানোর সময় । কিন্তু সমস্যা হল যখন 
ফাইলটি ডাউনলোড কমপ্লিট হয় তখন ঘুম ভেঙ্গে শোয়া থেকে উঠে কম্পিউটার বন্ধ করতে হয়... যা খুবি বিরক্তিকর।
তাই আজ এই সমস্যাটির সমাধানটাই দেখাবো আপনাদেরকে। অটো সাটডাউন করার জন্য অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়, কিন্তু আজকে আমি বিনা কোন সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই কাজটা করা দেখাব। 
কাজটি একদম সহজ, শুধু স্টার্ট মেনু থেকে run অপশন ওপেন করুন, তারপর নিচের লিখাগুলো কপি করে পেস্ট করুন………..
shutdown.exe -s -t60

লক্ষ করুন এখানে সময়টা নির্ধারণ করা হয়েছে সেকেন্ড হিসেবে, মানে আপনি সময় যাই ফিক্সড করেন ওটা করতে হবে সেকেন্ড হিসেবে। এখানে t এর পরে যা দেখতেছেন তাহাই হল সময়, আমি আমার কম্পিউটার ১ মিনিট পরে বন্ধ করতে চাচ্ছি তাই আমি ৬০ সেকেন্ড দিলাম।

ব্যাস আপনার কাজ শেষ, এবার আরামসে ঘুমিয়ে পড়ুন... 
নিদিষ্ট সময়ে পিসি অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে।
সংগৃহীত

আপনার পিসি-তে অটো সাটডাউন সেট করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়ায়।

আনারস বিশ্বের অন্যতম সেরা ফল। আমরা সবাই এটার স্বাদকে অনেকবারই উপভোগ করেছি। এর ফ্লেবারও আমরা বিভিন্ন জিনিসে উপভোগ করে থাকি।
 

সাধারণত আনারস খেলে যেসব উপকার পাওয়া যায় তা হল:

১. গরম-ঠাণ্ডার জ্বর, জ্বর-জ্বর ভাব দূর করে এই ফল। এতে রয়েছে ব্যথা দূরকারী উপাদান। তাই শরীরের ব্যথা দূর করার জন্য এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

২. আনারস কৃমিনাশক। কৃমি দূর করার জন্য খালি পেটে (সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে) আনারস খাওয়া উচিত।

৩. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্ত বাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিন্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

৪. এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ির যে কোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আনারস।

৫. এতে রয়েছে খনিজ লবণ ম্যাঙ্গানিজ, যা দাঁত, হাড়, চুলকে করে শক্তিশালী। গবেষণা করে দেখা 
গেছে, নিয়মিত আনারস খান এমন ব্যক্তিদের ঠাণ্ডা লাগা, গলা ব্যথা, সাইনোসাইটিসজাতীয় অসুখগুলো কম হয়।

৬. এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালরি, যা আমাদের শক্তি জোগায়। প্রোটিন খাবার এ ফলটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বককে কুঁচকে যাওয়া থেকে বাঁচায়। আনারস টাটকা খাওয়াই ভালো।

৭. আনারস জ্বরের ও জন্ডিস রোগের জন্য বেশ উপকারী।

৮. দেহের তৈলাক্ত ত্বক, ব্রণসহ সব রূপলাবণ্যে আনারসের যথেষ্ট কদর রয়েছে।
সংগৃহীত

আনারসের গুনাগুন সম্পর্কে জানতে এই পোস্টটা দেখুন...

সাধারণত ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে ব্রণ একটি সাধারণ অসুখ। তবে যে কোনো বয়সেই ব্রণ হতে পারে। ব্রণ দেখতে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেন ছোট ছোট গোল ফুসকুড়ি, লালচে ছোট ছোট গোটা, আবার পুঁজপূর্ণ বড় বড় চাকাও তে পারে। ব্রণ টিপলে ভাতের দানার মতো বের হয়ে আসে। অনেকের ব্রণ খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়। ব্রণের ফলে ত্বকে ছিদ্র দেখা দিতে পারে। কারো কারো মুখে ব্রণের তীব্রতা বেশি থাকলে তা এবড়োথেবড়ো দে ব্রণ বেশি টেপাটিপি করলে সেখানে কালো দাগ সৃষ্টি হয়। ব্রণের চিকিৎসায় কতজনের কত না আয়োজন। অনেকে অনেক কসমেটিকের বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে তা ব্যবহারও করে থাকেএবং দেখা যায়, এসব কসমেটিকস প্রকৃতপক্ষে বাড়িয়ে তুলছে ব্রণের তীব্রতা।

ব্রণ কেন হয়?

আমাদের ত্বকে অনেকগুলো ‘সিবাসিয়াস গ্রন্থি’ থাকে, যা থেকে সব সময় ‘সিবাম’ নামক এক ধরনের তৈলাক্ত রস নিঃসৃত হয়। লোমকূপ দিয়ে এই সিবাম বের হয়ে ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে বিধায় ত্বকে নরম, মসৃণ ও তৈলাক্তভাবে আসে। যদি কোনোকারণে ‘সিবাম’-এর নিঃসরণ বৃদ্ধি পায় এবং লোমের গোড়ায় বিদ্যমান ‘কেরাটিন’ (এক ধরনের প্রোটিনজাতীয় পদার্থ) ধুলোবালির সঙ্গে মিশে সেখানকার
ছিদ্রপথ বা নির্গমনের পথ বন্ধকরে দেয়। ফলে সিবাম বের হতে না পেরে জমা হয়ে ব্রণ হিসেবে প্রকাশ পায়।

ব্রণের চিকিৎসা

(১) সব ধরনের প্রসাধনী বর্জন করতে হবে। নখ দিয়ে ব্রণ খোঁটাখুঁটি করা যাবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রণ আপনা-আপনি সেরে যায়।

(২) দিনে অন্তত তিনবার ‘নিউট্রাজিনা’ সাবান দিয়েমুখ ধুতে হবে। অনেকে ব্রণ হলে মুখে সাবান ব্যবহার বন্ধ করে দেন অথচ এ সময়ে সাবান দিয়ে মুখ ধুলে উপকার হয়, কেননা সাবান মুখেরতৈলাক্ততা দূর করে এবং লোমকূপ পরিষকার রাখে।

(৩) রাতে ঘুমানোর সময় ভালো করে মুখ ধুয়ে শুধু ব্রণগুলোর ওপর পেনক্সিল ২.৫% জেলটি লাগানো যেতে পারে। এটি ব্যবহারে অনেকের চুলকানি বা লালাভ হতে পারে, তবে দু-একদিন জেলটি ব্যবহারের পর ঠিক হয়ে যায়। চুলকানি বা লাল ভাব বেশি হলে ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে।

(৪) কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তা দূর করতে হবে, ঝাল-মসলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতেহবে। সুষম সহজপাচ্য হালকা খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে।পুষ্টিহীনতায় ভুগলে প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

(৫) মাথায় খুশকি থাকলে অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করে খুশকি দূর করতে হবে। ব্রণের তীব্রতা বেশি হলে চিকিৎসকের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করতে হবে।

সংগৃহীত

ব্রণ কী এবং ব্রণের উপশমের উপায় জানতে এখানে দেখুন।

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক সেবাটি ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মেসেজসমূহ স্ক্যান করে এগুলো থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞাপনদাতাদের নিকট বিক্রি করে করে মুনাফা করছে বলে নতুন একটি মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে। এতে দাবী করা হয়, ফেসবুক মেসেজের মাধ্যমে যখন একজন ব্যক্তি কোন লিংক আদান-প্রদান করেন তখন এটিকে স্ক্যান করা হয় যার দ্বারা ইউজারের ওয়েব অ্যাক্টিভিটি মনিটর করা সম্ভব।
তবে ফেসবুকের পক্ষ থেকে উক্ত মামলার ব্যাপারে বলা হয়েছে, ঐ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই, এবং এগুলোর বিরুদ্ধে শক্তভাবে লড়াই করবে কোম্পানিটি।
এই মামলায় হেরে গেলে এর দাবী অনুযায়ী প্রতিদিন মেসেজিং সঙ্ক্রান্ত উল্লিখিত প্রাইভেসি লংঘনের জন্যফেসবুকের ১০০ ডলার বা তার বেশি জরিমানা হতে পারে। অথবা, প্রত্যেক ইউজারের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ১০,০০০ ডলার জরিমানা হতে পারে।
ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ভংগের অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিজ্ঞাপনে ইউজারদের নাম ও প্রোফাইল পিকচার দেখানোর কারণে কড়া সমালোচনার মুখোমুখী হয় ফার্মটি।
এরপরেও ফেসবুক দাবী করে যে তারা ব্যবহারকারীদের যথাযথ অনুমতি নিয়েই এসব করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালে দায়েরকৃত ঐ মামলায় ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মেসেজের তথ্য কী বিক্রি করা হচ্ছে?

হ্যালো! মানুষ সবাইকে বশে আনলেও সময়কে এখনও পর্যন্ত বশে আনতে পারেনি, এখনও মানুষ বয়সকে আটকাতে পারেনা।

কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন বিজ্ঞানীরা ঘোষণা করেছেন যে, তারা নাকি বয়স কমাতে সক্ষম এমন ঔষধ আবিষ্কার করেছেন। এতদিন বয়স বৃদ্ধিকে এক মুখী বিবেচনা করা হলেও বিজ্ঞানীরা প্রমান করে দিয়েছেন বয়স চাইলে কমানোও সম্ভব! 

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মূল শক্তিকেন্দ্র হচ্ছে মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি দেহের প্রতিটি কোষে শক্তি যোগায় ফলে আমরা কাজ করতে সমর্থ হই। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি উৎপাদন কমিয়ে দেয় ফলে আমাদের শরীরের কোষ সমূহ বুড়িয়ে যায় এবং আমরাও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ি।

হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন তারা ইঁদুরের গায়ে বিশেষ ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে সফলভাবে জীবের দেহের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি বৃদ্ধি করতে পেরেছেন। 'এনএডি' নামের এক কেমিক্যাল জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হলে জীব দেহের কোষে থাকা মাইটোকন্ড্রিয়া উজ্জীবিত হয়ে উঠে। এতে করে ৬০ বছরের যেকোনো মানুষকে ২০ বছরের যুবকের মত কর্মক্ষম এবং তাগড়া মনে হবে এবং সে ৬০ বছর বয়সেই ২০ বছর বয়সের মত শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

যদি এটা সত্যি হয় তাহলে এই আবিষ্কার বিজ্ঞানের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করবে। বিজ্ঞানীরা একে ঐতিহাসিক আবিষ্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

by- DEHO

বয়স কমানোর ঔষধ! -অসম্ভব কি এবার সম্ভব হবে??

হ্যালো! আমরা হাড় কাপানো শীতের মধ্যে প্রায়ই সূর্যের রোদে গিয়ে শরীর গরম করে থাকি কিন্তু আপনারা হয়তো জানেননা যে, শীতের অতিরিক্ত রোদ আমাদের ক্ষতিসাধন করে! 


বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে শীতের রোদে ক্ষতিকর প্রভাব বেশি থাকে। রোদের প্রখরতা কম থাকায় এবং শীতের প্রভাবে সাধারণতই রোদে আমরা সবাই একটু বেশি সময় কাটায়। ফলে শীতের রোদে ত্বকের ক্ষতিও বেশি হয়। একদিকে রোদের তীব্রতা কম থাকে, অন্যদিকে বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্প কম থাকায় ক্ষতিকর অতিবেগুনি বা আলট্রাভায়োলেট রশ্মি অনেকটা সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে আসে। 

আর এই আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই এই রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে চলাই মঙ্গল। সেজন্য আমাদের একটানা বেশিক্ষণ রোদে বসে থাকা উচিত নয়, পারলে গায়ে তেল মেখে বসুন কারন আমরা সবাই জানি যে সূর্যের রোদের মাধ্যমেই মুলত আমাদের দেহে ভিটামিন-D গৃহীত হয় তাই রোদ একটা অত্যাবশ্যক জিনিস...যদিও এর প্রয়জনাতিরিক্ত মাত্রা বিপদ ডেকে আনতে পারে। 
বাই- দেহ
আশা করি সবাই এই শীতে ভালো থাকবেন। আর সবাইকে শেয়ার করে ঘটনাটা অবশ্যই জানিয়ে দেবেন ...... বাই বাই। 

শীতকালে অতিরিক্ত রৌদ্রস্নান আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে!!

হ্যালো! এর আগে আমি মধুর উপকারিতা সম্বন্ধে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, আজকে অন্য কিছু তথ্য নিয়ে আরও একটা পোস্ট দিলাম। (যারা আগের পোস্টটা দেখেননি তারা এখানে ক্লিক করুন)

১. হাজারো গুণে ভরা মধুতে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ আছে যা শরীরে শক্তি যোগায়। এর অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

২. প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। 

৩. মন ভালো করতে প্রতিদিন হালকা গরম জলের সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান। সঙ্গে একটু দারুচিনির গুঁড়াও ছিটিয়ে নিতে পারেন।

৪. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম জলে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এভাবে প্রতিদিন খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলো বের হয়ে যায় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়।

৫. মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

৬. মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমে এবং যারা ইতিমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়।

৭. হজমের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান।

৮. যারা সারাক্ষন দূর্বলতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেয়ে নিন এবং সারা দিন সবল থাকুন।

৯. সকালে ত্বকে মধু লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে মধুর বেশ কিছু উপাদান ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বক মসৃণ ও সুন্দর হয়।

১০. ত্বকে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়।

by- Deho

মধুর দশটি উপকারিতা যা হয়তো আগে দেখেননি।

হ্যালো! দারুচিনির ব্যাপারে আমরা সবাই জানি, রান্নার কাজে এটা নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। কিন্তু রান্না ছাড়াও এটা আরও অনেক উপকারে লাগে, তাহলে আসুন এর কিছু উপকার সম্বন্ধে জেনে নিই- 


১. প্রতিদিন আধা চা চামচ দারুচিনির গুড়ো রক্তে খারাপ কোলস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা কমায়। 

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিষন্ত্রণ করে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী।

৩. ঈস্ট ছত্রাক ঘটিত ইফেকশন প্রতিরোধ করে।

৪. মারন ব্যাধি লিম্ফোসাইটিক লিউকোমিয়ার বিস্তার রোধ করে। 


৫. রক্ত জমাট না বাঁধার অসুখ হিমোফিলিয়া প্রতিরোধ করে। 


৬. প্রতিদিন নাস্তায় আধা চামচ দারুচিনির গুড়ো এক চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খলে বাত ব্যথা দূর হয়।


৭. রান্নায় দারুচিনির ব্যবহার খাবারকে দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষণে সহায়তা করে।


৮. দারুচিনির ঘ্রাণ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।



সূত্র- দেহ

দারুচিনির অজানা গুনাগুণ সম্পর্কে জানতে এখানে দেখুন!!

সমাজে কীভাবে কঠোর নিয়ম মেনে মিলেমিশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হয়, শেখাতে পারে পিঁপড়ারা৷ তাদের কাণ্ডকারখানা দেখতে ঘরের মধ্যেই ‘অ্যাকোয়েরিয়াম’-এর মতো পিঁপড়ার ‘টেরারিয়াম’ বসানো যেতে পারে৷

ল্যাটিন নাম ‘কাম্পোনোটাস হারকিউলিয়েনস'৷ ইংরেজিতে ‘কার্পেন্টার অ্যান্ট'৷ আকারে ১৬ মিলিমিটার পর্যন্ত বড় হতে পারে তারা৷ ইউরোপে অন্য কোনো জাতের পিঁপড়া এত বড় হয় না৷ পচে যাওয়া কাঠের মধ্যে থাকতে ভালবাসে তারা৷ মশা-মাছি তাদের সবচেয়ে প্রিয় খাদ্য৷ তবে ছুঁলেই সর্বনাশ৷ এই পিঁপড়ার বিষাক্ত গ্রন্থি যে কী, তা টের পাওয়া যায়৷
পিঁপড়া যে ঘরের পোষ্য হতে পারে, তা জানতেন কি? অ্যান্টস্টোরের মালিক মার্টিন সেবেস্টা বলেন, ‘‘আসলে পিঁপড়াদের সামাজিক জীবনই অবাক করার মতো৷ তাদের মধ্যে সবসময় আদান-প্রদান চলছে৷ একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে৷ বাসা বড় করে, ঘরে খাবার নিয়ে আসে, সবাই মিলে ভাগ করে খায়৷ নানা পেশার পিঁপড়া সব৷ তাদের পর্যবেক্ষণ করার রোমাঞ্চই আলাদা৷''
ছোটবেলা থেকেই পোকামাকড় দেখে অবাক হতেন মার্টিন৷ তারপর পোকামাকড় বিক্রির কাজ শুরু করেন৷ পেশায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেকানিক৷ ২০০৩ সালে বার্লিনে নিজের দোকান খোলেন৷ জার্মানিতে এমন দোকান ছিল না৷ এখন বিশটিরও বেশি প্রজাতির পোকামাকড় বিক্রি করেন তিনি৷
পিঁপড়ার দোকানেরইতিবৃত্ত
পোকামাকড় আসে গোটা বিশ্ব থেকে৷ গুদামে পিঁপড়াদের ১০ থেকে ২০ হাজার কলোনি রয়েছে৷ আছে দক্ষিণ অ্যামেরিকার ‘লিফকাটার' বা পাতাকাটা পিঁপড়ার মতো বিরল প্রজাতিও৷ নিজেদের ওজনের তিরিশ গুণ বহন করতে পারে তারা৷ গাছের পাতা দিয়ে এক বিশেষ ধরনের মাশরুমের পরিচর্যা করে, যা খেয়ে তারা বেঁচে থাকে৷ মার্টিন বলেন, ‘‘পাতাকাটা পিঁপড়ার বিশেষত্ব হলো, তারা বিশাল জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে৷ প্রকৃতির কোলে তারা ৫০ বর্গকিলোমিটার বড় ও ৮ মিটার গভীর বাসাও তৈরি করতে পারে৷ বাসায় পিঁপড়া পুষতে গেলে প্রায়ই দেখা যায়, বছর দুয়েকের পর আর সামলানো যাচ্ছে না৷ তখন চিড়িয়াখানায় পাঠানোর চেষ্টা করি আমরা৷ এটা মনে রাখতে হবে৷''
ঘরের সঙ্গী পিঁপড়া
বিয়াংকা-ও বিরল প্রজাতির পিঁপড়া পুষছেন৷ বার্লিনে নিজের বাসায় ১৬টি প্রজাতির পিঁপড়া রেখেছেন, যার মধ্যে দক্ষিণ অ্যামেরিকার হিংস্র কালো এক পিঁপড়াও রয়েছে৷ বোলতার মতো হুল ফোটাতে পারে তারা৷ এমন প্রাণী কি বাসায় রাখা যায়? জীববিজ্ঞান শিক্ষিকা বিয়াংকা ড্রেনস্কে বলেন, ‘‘এদের পোষার পেছনে বেশ কয়েকটা কারণ রয়েছে৷ আমি এদের নিয়ে বাসার মধ্যেই একটা সুন্দর জগত গড়ে তুলতে পারি৷ কুকুর-বিড়াল পুষলে যা করা যায় না৷ এই ‘মিনি ইকোসিস্টেম' আমার বেশ রোমাঞ্চকর মনে হয়৷ এদের খোরাকের দামও বেশি নয়৷ তারা বিশেষ শব্দও করে না৷''
অর্থাৎ বেশ সস্তায় এমন পোষ্য রাখা যায়৷ তবে অস্ট্রেলিয়ার একটি পিঁপড়া প্রজাতির রানির দাম প্রায় ১৬০ ইউরো৷ পিঁপড়ে পোষার অন্য একটি দিকও রয়েছে৷ খুব বিরল প্রজাতির পিঁপড়া বাসায় রাখা চলে না৷ বিয়াংকা বলেন, ‘‘প্রথমেই একটা মৌলিক বিষয় খোলসা করতে হবে৷ এই পিঁপড়া কি সংরক্ষিত প্রজাতির তালিকায় পড়ে? তারা কি বিপজ্জনক? সে ক্ষেত্রে আর এগোনো উচিত নয়, বিপদ কম হলেও নয়৷ তারপর প্রশ্ন হলো, কোনো বিশেষ অনুমতি লাগে কি? যেমন অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের ভিতরে বা বাইরে কিছু নিতে গেলে এটা জানা জরুরি৷''
পিঁপড়া পোষায় হাতেখড়ি
প্রথমেই বিরল প্রজাতির পিঁপড়া পোষার চেষ্টা করা উচিত নয়৷ এমন সাধারণ প্রজাতিই ভালো৷ মার্টিন অনভিজ্ঞদের জন্য ৫০ ইউরো দামের একটা ‘স্টার্টার্স সেট' তৈরি করেছেন৷
তার মধ্যে রয়েছে সব সাজ-সরঞ্জাম সহ দুটি টেরারিয়াম৷ এক রানি ও এক নারী কর্মী থাকলেই হলো৷ দেখতে দেখতে হাজার পিঁপড়ার কলোনি তৈরি হয়ে যাবে৷ মার্টিন সেবেস্টা বলেন, ‘‘পিঁপড়াদের বাইরে চলতে-ফিরতে দেখা যায়৷ দেখা যায় একটা পিঁপড়া মুখে কিছু একটা নিয়ে গর্তে ঢুকে গেল৷ তারপর কী হয়? কীভাবে সেটা দেখা যায়? বাসাটা খুলে ফেললে বা ভেঙে দিলে ভিতরে অনেক ব্যস্ততা দেখা যায় বটে, কিন্তু তারা যে ঠিক কী করে, তা বোঝা যায় না৷''
ঠিক এ কারণেই পিঁপড়ারা পোষা জীব হিসেবে এত ইন্টারেস্টিং৷ মার্টিনের ব্যবসা ভালোই চলছে৷ গোটা ইউরোপে পিঁপড়া সাপ্লাই করে তাঁর দোকান৷
সুত্রঃ- DW.DE

পিঁপড়া পোষার বিদঘুটে শখের ব্যাপারে জানুন।

ফাঁসি হয়ে গেল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধে দোষী সাব্যস্ত জামাত-ই-ইসলামির শীর্ষনেতা আবদুল কাদের মোল্লার। 


বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই বাংলাদেশের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫নাগাদ ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসি দেওয়া হয় তাকে। ফাঁসি দেওয়ার পূর্ব নির্ধারিত সময় ছিল ১০টা ০১মিনিটে। সেই সময় মেনেই কয়েদি নম্বর ২২৪৬-এর কাছে পৌঁছে যান জল্লাদ শাহজাহান। ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হচ্ছে জেনে ২ মিনিট সময় চেয়ে নিয়েছিলেন কাদের মোল্লা। তারপরই তিনি ধীর পায়ে ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগিয়ে যান বলে জানা গিয়েছে। 

দুদিন শুনানির পর আজ রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছিল শীর্ষ আদালত। আদালত চত্বরে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তা ছিল। ফাঁসির আদেশ পুনরায় বহাল হওয়ায় কাদের মোল্লার সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁর আত্মীয়রা। আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা ছিল না। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই রায়ের পরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন বহু মানুষ। আদালতের এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে শাহবাগের জনজাগরণ মঞ্চ।

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল আবদুল কাদের মোল্লার। কিন্তু আসামীপক্ষের আবেদনে পিছিয়ে যায় সেদিনের মতে স্থগিত হয়ে যায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ। দুদিন শুনানির পর অবশেষে ফাঁসির আদেশ বহাল রাখল আদালত। একে নির্বাচন নিয়ে শাসক দল ও বিরোধী শিবিরের তরজা চলছেই। তারমধ্যে এই রাজাকারের ফাঁসি হয়ে গেলে দেশে অশান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে প্রশাসন। 

চলতি রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই কাদেরের ফাঁসিকে কেন্দ্র করে হিংসা, মারদাঙ্গায় ফের বাংলাদেশ রক্তাক্ত হতে চলেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ তাদের নেতার ফাঁসির বদলা নিতে হিংসার পথই বেছে নিতে পারে জামাত। তাদের এযাবতকালের আচরণে সেই ইঙ্গিতই প্রবল। হিংসার আগাম আঁচ করে নিরাপত্তাবাহিনীও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যেই ফেসবুকে দুই বিচারপতিকে খুনের হুমকি দিয়ে পোস্ট করা হয়েছে।

Source: https://twitter.com/24ghantaonline

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর!!

স্বাধীন অভিধান হল উইন্ডোজ কম্পিউটারের জন্য তৈরী প্রথম ইউনিকোড ভিত্তিক অফলাইন বাংলা অভিধান...যেটা উইন্ডোজের যেকোনো ভার্সন (xp / vista / 7 / 8 / 8.1)-কে সাপোর্ট করবে।

কম্পিউটারকে শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে অভিধান প্রধান একটি ভূমিকা পালন করে। কিন্তু দেশে প্রচলিত যে কয়েকটি কম্পিউটার অভিধান সফটওয়্যার প্রচলিত আছে সেগুলোতে শব্দের ঘাটতি, প্রয়োজনীয় সুবিধা না থাকা, ছবির আকারে অর্থ প্রকাশ ইত্যাদি কারণে অভিধান গুলো তৈরির আসল উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। তাই স্বাধীন অভিধান এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে যে কোন বয়সী, যে কোন পেশার মানুষ এটি ব্যবহার করে শিক্ষার ক্ষেত্রে বা যে কোন ক্ষেত্রে অভিধানের তথা কম্পিউটারে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে এবং অভিধান তৈরির আসল উদ্দেশ্য সফল হয়।
আর আজকে আমি এটার লেটেস্ট ভার্সন নিয়ে এসেছি 2.0.0.1 (Pre BETA) [11 Dec 2013] -যেটা এখনও অফিসিয়ালি রিলিজ হয়নি। তাই আর দেরি না করে সবার আগে এই অভিধানটা ডাউনলোড করে ফেলুন। 
নতুন স্বাধীন অভিধানের জন্য কোন রানটাইমের প্রয়োজন নেই।তবে যদি বাংলা ক্যালেন্ডার ইনস্টল করেন তাহলে ডটনেট ফ্রেমওয়ার্ক ২.০ ইনস্টল করতে হবে।
ডাউনলোড লিঙ্ক (১৬.৫৫ এমবি) ঃ-
স্বাধীন অভিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
  • বাংলা উন্নত সার্চ (Improved)
  • ইংরেজী উন্নত সার্চ (Improved)
  • ইংরেজী শব্দের উচ্চারন (Improved)
  • ১৭০০০+ ইংরেজী শব্দ ভান্ডার (Improved)
  • Phrases and Idioms (১৫০০+ ইডিয়ম, উচ্চারন এবং সার্চ সুবিধা সহ) (New)
  • Abbreviation (১২০০+ Abbreviation, উচ্চারন এবং সার্চ সুবিধা সহ) (Improved)
  • গ্রিক অক্ষর (উচারন সহ)
  • দ্রুত অনুসন্ধান মোড (ডাবল ক্লিক টু মিনিং সুবিধা সহ) (Improved)
  • হট-কী সুবিধা
  • ক্লিপ বোর্ড পর্যবেক্ষন (Improved)
  • স্বাধীন প্যাড (ডাবল ক্লিক টু মিনিং সুবিধা সহ)
  • সরাসরি অভিধান থেকে গুগল ট্রান্সলেট ব্রাউজ
  • বাংলা ক্যালেন্ডার গ্যাজেট (New)
  • ক্রিস্টাল ক্লিয়ার বাংলা (New)
  • সয়ংক্রিয় আপডেট পরিক্ষা (Improved)
  • অভ্র এবং বিজয় এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ
  • উইন্ডোজ এক্সপিভিস্তা এবং  সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ (Improved)
  • ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট ওএস সাপোর্ট (New)
  • ড্যাসবোর্ড সিস্টেম (New)
  • বাংলা ইন্টারফেস (Improved)
  • ব্যবহার নির্দেশিকা (বিস্তারিত ব্যবহার বিধি এবং ইউনিকোড বাংলা টাইপিং নিয়মনীতি)(New)
  • ফিডব্যাক অপশন (New)
  • টেকনিক্যাল সাপোর্ট এবং আরও অনেক কিছু…
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ-
ইন্সটল করার জন্য zip ফাইলটাকে এক্সট্র্যাক্ট করে সেটআপ ফাইলটাকে রান করুন এবং ইন্সটল করে নিন। যেহেতু এটা প্রি বিটা ভার্সন, সেজন্য ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে, সেরকম কিছু খুঁজে পেলে অবশ্যই আপনার মূল্যবান ফিডব্যাক দিয়ে সফটওয়্যারটাকে আরও ভালো করে তুলুন।

বিস্তারিত জানতে হোমপেজে যান।

ভালো লাগলে Like, Tweet করুন (Like এর পর Confirm করুন), বাই বাই...

ডাউনলোড করুন স্বাধীন অভিধান 2.0.0.1 -সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা অভিধান।

হ্যালো! আমাদের কম্পিউটার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারনে মাঝে মাঝে হাং হয়ে যায় (ফাঁসিতে ঝোলাবার মতনই), কিন্তু আমরা বেশীরভাগ সময়েই এটা হওয়ার কারন জানতে পারি না, তাই আজকে আমি কম্পিউটার হ্যাং হবার ১টা-২টা নয়...পুরো ১২টা কারণ নিয়ে এসেছি, যার সাহায্যে হয়তো আপনার সমস্যার সমাধান হবে।

1. কম্পিউটারের প্রসেসরের মান ভাল না হলেঃ- 

কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে কম্পিউটারের প্রসেসর। আর প্রসেসরের মান ভাল না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক।

2. কম্পিউটার RAM-এর পরিমাণ কম হলেঃ- 

আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন সেই কাজটা  সম্পন্ন হয় কম্পিউটারের RAM অঞ্চলে। আর এই RAM-এর পরিমাণ কম হলে কম্পিউটার ঠিকমত কাজ করতে পারে না। এবং কম্পিউটারে হ্যাং ধরে।

3. কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর কানেকশন সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
4. প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে হ্যাং হতে পারে এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরেও ঠিক নাও হতে পারে। কেননা কম্পিউটারের সকল কাজ করে তাকে প্রসেসর।
5. অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলেঃ-
এছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যার কানেকশন অথবা হার্ডওয়্যারে সমস্যা থাকলেও কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
6. অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি তাকলেঃ-

অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল কেটে বা মুছে যাওয়াকে বুঝায়, যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।


7. কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেঃ-
সাধারণত এই কারণেই কম্পিউটার বেশী হ্যাং হয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং হয়। (অ্যান্টিভাইরাস এর জন্য এখানে যান)
8. অনেক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলেঃ-
হ্যাঁ! এটার কারণেও সবচেয়ে বেশী কম্পিউটার হ্যাং হয়। মনে করেন আপনার কম্পিউটার RAM এর পরিমাণ ১২৮ কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম একসঙ্গেই চালু করলেন। তাহলে হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা তখন কম্পিউটারের Ram ফুল হয়ে যাবে।
9. হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালেঃ-
আপনার কম্পিউটার Ram যদি কম হয় কিন্তু আপনি যদি হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালান তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাবে, কেননা তখন Ram সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায়।
10. হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করলেঃ-
কম্পিউটার গেইম এর পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যারও রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন। যা সাধারণত কম RAM ও কম প্রসেসরের ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
11. কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলেঃ-
কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে তাকলে ঐ সব ফাইল নিয়ে কাজ করতে কম্পিউটারের অনেক বেশী সময় লাগে। যার করণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
12. কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করলেঃ-
হ্যাঁ, আমরা ভাইরাস হতে মুক্তি লাভের আশায় এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় কম্পিউটারের মানের কথা না ভেবেই উচ্চ ক্ষমতা ও উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করে থাকি যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হয়। (ভালো মানের এবং কম্পিউটারকে স্লো করবে না এমন অ্যান্টিভাইরাস পেতে এখানে ক্লিক করুন)
(সংগৃহীত)
পোষ্টটি যদি আপনাদের উপকারে লাগে তাহলে Like, Tweet করতে ভুলবেন না। আজকে এই পর্যন্তই থাক, পরে কথা হবে।

কম্পিউটার হ্যাং হবার ১২টি কারণ জেনে নিন -কাজে লাগবে।