Showing posts with label ব্রেকিং নিউজ. Show all posts
Showing posts with label ব্রেকিং নিউজ. Show all posts
লন্ডন: 'ডিলিট'৷ মানবকোষে লুকিয়ে বাসা বেঁধে থাকা এইচআইভি-১ ভাইরাসকে জিনোম থেকে আলাদা করার পথের খোঁজ মিলল৷ ঠিক কম্পিউটার থেকে ফাইল ওড়ানোর মতোই৷ সদ্য প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এমন দাবি করেছেন টেম্পল ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের একদল বিজ্ঞানী৷ বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় যার নাম 'সিআরআইএস/ক্যাস-৯ জিনোম এডিটিং সিস্টেম'৷ নতুন এই আবিষ্কার বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিন ধরে চলা এইডস গবেষণায় যুগান্তকারী সাফল্য আসবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা৷ হাসি ফুটবে বিশ্বের প্রায় ৩ কোটি ৩০ লক্ষ এইচআইভি আক্রান্তের মুখে৷

হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস মানবকোষে একবার ঢুকে পড়তে পারলে আর বেরোয় না৷ ঘাঁটি গেড়ে বসে৷ আক্রান্তের ডিএনএ'তে ঢুকিয়ে দেয় এর মারণ জিনোম৷ ফলে বাকি জীবনটা ওষুধ আর হাজারো চিকিত্‍সার উপর ভরসা করেই কাটাতে হয় আক্রান্তকে৷ নয়া আবিষ্কার সেই দুঃস্বপ্ন-এর হাত থেকে মুক্তি দেওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে৷ আবিষ্কার বলছে, মানবকোষ থেকে সুপ্ত এইচআইভি-১ ভাইরাস 'ডিলিট' করার চেষ্টা এই প্রথম সাফল্য পেয়েছে, যা ঘুমিয়ে থাকা সংক্রমণ সারানোরও পথ দেখিয়েছে৷ টেম্পলের নিউরোসায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষকদলের প্রধান কামেল খলিলি বলেন, 'এইডস পুরোপুরি সারিয়ে তোলার পথে এটা উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ৷' অবশ্য একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এটা ফাটাফাটি আবিষ্কার ঠিকই, কিন্ত্ত ক্লিনিক পর্যন্ত একে পৌঁছে দিতে এখনও দেরি আছে৷ তাঁর কথায়, 'বলা যেতে পারে, আমাদের ভাবনার প্রমাণ পেয়েছি৷ যার অর্থ, আমরা ঠিক পথেই এগোচ্ছি৷'

গত প্রায় ১৫ বছরে এইচআইভি-র সঙ্গে লড়াইয়ে মানুষের হাতিয়ার 'হাইলি অ্যাকটিভ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি'৷ এইচআইভি-১ ভাইরাসের বাড়াবাড়ি ঠেকিয়ে রেখেছে এই থেরাপিই৷ কিন্ত্ত চিকিত্‍সায় ছেদ পড়লেই ফোঁস করে উঠেছে ভাইরাস৷ এইচআইভি-১-এর সংখ্যায় বেড়ে যাওয়াও (রেপ্লিকেশন) ঠেকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে থেরাপি৷ কিন্ত্ত ভাইরাসের উপস্থিতি স্বাস্থ্যের বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছে৷ খলিলির কথায়, 'ভাইরাস কম সংখ্যায় বাড়লেও (লো লেভেল রেপ্লিকেশন) আক্রান্তর শরীরে এমন সব রোগ বাসা বাঁধে, যেগুলো সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজির হয়৷' এ সবের মধ্যে রয়েছে কার্ডিওমায়োপ্যাথি বা হূদপেশিরদৌর্বল্য, হাড়ের অসুখ, কিডনির অসুখ ও স্নায়ুর রোগ৷ ভাইরাসকে বশে রাখতে যে সব ড্রাগ শরীরে ঢোকানো হয়, অনেক সময় তা এই রোগগুলিকেই আরও আক্রমণাত্মক করে তোলে৷ সব মিলিয়ে রোগীর পক্ষে আরও যন্ত্রণাদায়ক এক দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া৷ সুবিশাল খরচের ক্ষেত্রও বটে৷

তাই বিজ্ঞানীরা সেই পথ খুঁজেছেন, যে পথে এগোলে এইচআইভি ভাইরাসকে একেবারে ঠেঙিয়ে মানবকোষ থেকে বিদায় করা যাবে৷ খলিলি ও তাঁর সহকর্মীরা ল্যাবে দিনের পর দিনের গবেষণার সেই পথের সন্ধানও পেয়েছেন অবশেষে৷ গবেষকরা ২০-নিউক্লিওটাইডের গাইড আরএনএ'কে পাঠিয়েছেন এইচআইভি-১ ডিএনএ লক্ষ্য করে আক্রমণ করতে৷ আরএনএ'কে শক্তিশালী করা হয়েছে তার সঙ্গে ডিএনএ-পৃথকীকরণ উত্‍সেচক সিএএস-৯'কে জুড়ে দিয়ে৷ এই গাইড আরএনএ মূলত আক্রমণ শানায় জিনের কন্ট্রোল রিজিয়নে, যার পোশাকি নাম 'লং টার্মিনাল রিপিট' (এলটিআর)৷ যা এইচআইভি-১ জিনোমের দু'দিকেই থাকে৷ এদের টার্গেট করে ক্যাস-৯ নিউক্লিয়েজ, এইচআইভি-১ জিনোমের অন্যতম উপকরণ ৯,৭০৯-নিউক্লিওটাইডকে ছিঁড়ে নিয়ে চলে আসে৷

এইচআইভি-১ যে সমস্ত কোষে ঘাঁটি বাঁধে, সেই মাইক্রোগ্লিয়া, মাইক্রোফাজ, টি-লিম্ফোসাইটে এই পরীক্ষা চালিয়ে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ খলিলি বলেন, 'টি-সেল ও মনোসাইটিক সেলই মূলত ভাইরাসে আক্রান্ত হয়৷ তাই এরাই এই প্রযুক্তির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য টার্গেট৷'

তবে সহসা টার্গেটে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন না বিজ্ঞানীরা৷ থেকে যাচ্ছে অনেকগুলি প্রশ্ন৷ যেমন প্রত্যেকটি আক্রান্ত কোষকে আক্রমণ করার মতো প্রক্রিয়া তৈরি করতে হবে৷ তার চেয়েও বড় কথা, এইচআইভি-১ যেহেতু মিউটেশন-পন্থী, তাই এক-এক আক্রান্তের জন্য এক-এক রকম চিকিত্‍সা প্রয়োজন হতে পারে৷ খলিলের কথায়, 'আক্রান্তের শরীর থেকে প্রতিটি এইচআইভি-১ কপিই আমরা বের করে দিতে চাইছি৷ এই প্রযুক্তি এইডস সারিয়ে দেবে৷ আমার মনে হয়, সেই পথেই এগোচ্ছি আমরা৷'

এইচআইভি আক্রান্তরা সে দিকেই তাকিয়ে৷ নতুন দিনের অপেক্ষায়৷


Collected

মানবকোশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে HIV ভাইরাস!!

উইন্ডোজ এক্সপি ও অফিস ২০০৩’র জন্য সাপোর্ট বন্ধ করল মাইক্রোসফট।মাইক্রোসফটের পিসি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপির জন্য অফিসিয়াল আপডেট ও সাপোর্ট সুবিধা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আজ ৮ এপ্রিল ২০১৪ থেকে উইন্ডোজ এক্সপি ও এমএস অফিস ২০০৩ সফটওয়্যারের জন্য আর কোনো অফিসিয়াল বাগ ফিক্স ও নিরাপত্তা আপডেট রিলিজ হবেনা।

কিছু কিছু সরকারি সংস্থা তাদের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত এক্সপি কম্পিউটারের জন্য বাড়তি কিছু আপডেট পেতে আলাদা ব্যবস্থা নিলেও অন্যান্য ব্যবহারকারীরা ১৩ বছর বয়সী এই সফটওয়্যারটি চালাতে চাইলে ঝুঁকির মধ্যে থাকবেন।
২০০১ সালের ২৫ অক্টোবরে মুক্তি পেয়েছিল উইন্ডোজ এক্সপি। এরপর ওএসটি তিনটি মেজর আপডেট পেয়েছিল। এগুলো হচ্ছে সার্ভিস প্যাক ১, সার্ভিস প্যাক ২ ও সার্ভিস প্যাক ৩।
এরপর ২০০৯ এর ১৪ এপ্রিল উইন্ডোজ এক্সপির জন্য মূল সাপোর্ট সুবিধা বন্ধ করে দেয় রেডমন্ড। তখন থেকে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল সাপোর্ট, ওয়ারেন্টি ক্লেইম এবং ডিজাইন চেঞ্জ সাপোর্ট চালু ছিল।
তবে এখানেই সবকিছু শেষ নয়। আমাদের ব্লগটি নিয়মিত ভিজিট করে থাকলে নিশ্চয়ই মনে আছে, চলতি বছর জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে এক্সপির জন্য এন্টিভাইরাস (এমএসই)/ বিশেষ কিছু নিরাপত্তামূলক আপডেট আরও কিছুদিন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মাইক্রোসফট।
১৫ জানুয়ারি কোম্পানিটির এক ব্লগ পোস্টে এই ঘোষণা দেয়া হয়। ঐ স্টেটমেন্টে কোম্পানিটি জানায়, ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই পর্যন্ত তারা উইন্ডোজ এক্সপির জন্য নিরাপত্তা সঙ্ক্রান্ত আপডেট ইস্যু করবে। অর্থাৎ, আগামী বছরের মধ্য জুলাই পর্যন্ত উইন্ডোজ এক্সপির জন্য মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল এন্টিভাইরাস, এন্টিম্যালওয়্যার ও সিগনেচার আপডেট উপলভ্য থাকবে।
উইন্ডোজ এক্সপির নিরাপত্তা আপডেট বিহীন পৃথিবীঃ উইন্ডোজ এক্সপির সাপোর্ট বন্ধ হলে বিশ্বের ৯৫% এটিএম বুথ নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। 
By- banglatech24

বাই-বাই উইন্ডোজ এক্সপি ও অফিস ২০০৩...সাপোর্ট বন্ধ করল মাইক্রোসফট।

আমরা কিছু কিছু দিন সাক্ষী থাকি বিরল মহাজাগতিক ঘটনার। আমরা এমনই এক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছি আজকের দিনেও, অর্থাৎ  ৮ এপ্রিল, ২০১৪-তেআজ এক সরলরেখায় আসতে চলেছে সূর্য, পৃথিবী ও মঙ্গল। 



পৃথিবী যেখানে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ৩৬৫ দিন সময় নেয়, সেখানে মঙ্গলের সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৬৮৭ দিন। কাজেই সূর্যকে প্রদক্ষিণের পথে পৃথিবী ও মঙ্গলের এক সরলরেখায় থাকার ঘটনা খুবই বিরল। দু বছরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘটে থাকে এই ঘটনা। আজ সেই দিন। বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে মহাবিশ্ব। 

Source:- 24Ghanta

আজ এক সরলরেখায় আসতে চলেছে সূর্য, পৃথিবী ও মঙ্গল...

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক সেবাটি ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মেসেজসমূহ স্ক্যান করে এগুলো থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞাপনদাতাদের নিকট বিক্রি করে করে মুনাফা করছে বলে নতুন একটি মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে। এতে দাবী করা হয়, ফেসবুক মেসেজের মাধ্যমে যখন একজন ব্যক্তি কোন লিংক আদান-প্রদান করেন তখন এটিকে স্ক্যান করা হয় যার দ্বারা ইউজারের ওয়েব অ্যাক্টিভিটি মনিটর করা সম্ভব।
তবে ফেসবুকের পক্ষ থেকে উক্ত মামলার ব্যাপারে বলা হয়েছে, ঐ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই, এবং এগুলোর বিরুদ্ধে শক্তভাবে লড়াই করবে কোম্পানিটি।
এই মামলায় হেরে গেলে এর দাবী অনুযায়ী প্রতিদিন মেসেজিং সঙ্ক্রান্ত উল্লিখিত প্রাইভেসি লংঘনের জন্যফেসবুকের ১০০ ডলার বা তার বেশি জরিমানা হতে পারে। অথবা, প্রত্যেক ইউজারের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ১০,০০০ ডলার জরিমানা হতে পারে।
ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ভংগের অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিজ্ঞাপনে ইউজারদের নাম ও প্রোফাইল পিকচার দেখানোর কারণে কড়া সমালোচনার মুখোমুখী হয় ফার্মটি।
এরপরেও ফেসবুক দাবী করে যে তারা ব্যবহারকারীদের যথাযথ অনুমতি নিয়েই এসব করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালে দায়েরকৃত ঐ মামলায় ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মেসেজের তথ্য কী বিক্রি করা হচ্ছে?

হ্যালো! মানুষ সবাইকে বশে আনলেও সময়কে এখনও পর্যন্ত বশে আনতে পারেনি, এখনও মানুষ বয়সকে আটকাতে পারেনা।

কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন বিজ্ঞানীরা ঘোষণা করেছেন যে, তারা নাকি বয়স কমাতে সক্ষম এমন ঔষধ আবিষ্কার করেছেন। এতদিন বয়স বৃদ্ধিকে এক মুখী বিবেচনা করা হলেও বিজ্ঞানীরা প্রমান করে দিয়েছেন বয়স চাইলে কমানোও সম্ভব! 

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মূল শক্তিকেন্দ্র হচ্ছে মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি দেহের প্রতিটি কোষে শক্তি যোগায় ফলে আমরা কাজ করতে সমর্থ হই। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি উৎপাদন কমিয়ে দেয় ফলে আমাদের শরীরের কোষ সমূহ বুড়িয়ে যায় এবং আমরাও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ি।

হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন তারা ইঁদুরের গায়ে বিশেষ ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে সফলভাবে জীবের দেহের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি বৃদ্ধি করতে পেরেছেন। 'এনএডি' নামের এক কেমিক্যাল জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হলে জীব দেহের কোষে থাকা মাইটোকন্ড্রিয়া উজ্জীবিত হয়ে উঠে। এতে করে ৬০ বছরের যেকোনো মানুষকে ২০ বছরের যুবকের মত কর্মক্ষম এবং তাগড়া মনে হবে এবং সে ৬০ বছর বয়সেই ২০ বছর বয়সের মত শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

যদি এটা সত্যি হয় তাহলে এই আবিষ্কার বিজ্ঞানের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করবে। বিজ্ঞানীরা একে ঐতিহাসিক আবিষ্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

by- DEHO

বয়স কমানোর ঔষধ! -অসম্ভব কি এবার সম্ভব হবে??

হ্যালো! আমরা হাড় কাপানো শীতের মধ্যে প্রায়ই সূর্যের রোদে গিয়ে শরীর গরম করে থাকি কিন্তু আপনারা হয়তো জানেননা যে, শীতের অতিরিক্ত রোদ আমাদের ক্ষতিসাধন করে! 


বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে শীতের রোদে ক্ষতিকর প্রভাব বেশি থাকে। রোদের প্রখরতা কম থাকায় এবং শীতের প্রভাবে সাধারণতই রোদে আমরা সবাই একটু বেশি সময় কাটায়। ফলে শীতের রোদে ত্বকের ক্ষতিও বেশি হয়। একদিকে রোদের তীব্রতা কম থাকে, অন্যদিকে বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্প কম থাকায় ক্ষতিকর অতিবেগুনি বা আলট্রাভায়োলেট রশ্মি অনেকটা সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে আসে। 

আর এই আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই এই রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে চলাই মঙ্গল। সেজন্য আমাদের একটানা বেশিক্ষণ রোদে বসে থাকা উচিত নয়, পারলে গায়ে তেল মেখে বসুন কারন আমরা সবাই জানি যে সূর্যের রোদের মাধ্যমেই মুলত আমাদের দেহে ভিটামিন-D গৃহীত হয় তাই রোদ একটা অত্যাবশ্যক জিনিস...যদিও এর প্রয়জনাতিরিক্ত মাত্রা বিপদ ডেকে আনতে পারে। 
বাই- দেহ
আশা করি সবাই এই শীতে ভালো থাকবেন। আর সবাইকে শেয়ার করে ঘটনাটা অবশ্যই জানিয়ে দেবেন ...... বাই বাই। 

শীতকালে অতিরিক্ত রৌদ্রস্নান আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে!!

সমাজে কীভাবে কঠোর নিয়ম মেনে মিলেমিশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হয়, শেখাতে পারে পিঁপড়ারা৷ তাদের কাণ্ডকারখানা দেখতে ঘরের মধ্যেই ‘অ্যাকোয়েরিয়াম’-এর মতো পিঁপড়ার ‘টেরারিয়াম’ বসানো যেতে পারে৷

ল্যাটিন নাম ‘কাম্পোনোটাস হারকিউলিয়েনস'৷ ইংরেজিতে ‘কার্পেন্টার অ্যান্ট'৷ আকারে ১৬ মিলিমিটার পর্যন্ত বড় হতে পারে তারা৷ ইউরোপে অন্য কোনো জাতের পিঁপড়া এত বড় হয় না৷ পচে যাওয়া কাঠের মধ্যে থাকতে ভালবাসে তারা৷ মশা-মাছি তাদের সবচেয়ে প্রিয় খাদ্য৷ তবে ছুঁলেই সর্বনাশ৷ এই পিঁপড়ার বিষাক্ত গ্রন্থি যে কী, তা টের পাওয়া যায়৷
পিঁপড়া যে ঘরের পোষ্য হতে পারে, তা জানতেন কি? অ্যান্টস্টোরের মালিক মার্টিন সেবেস্টা বলেন, ‘‘আসলে পিঁপড়াদের সামাজিক জীবনই অবাক করার মতো৷ তাদের মধ্যে সবসময় আদান-প্রদান চলছে৷ একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে৷ বাসা বড় করে, ঘরে খাবার নিয়ে আসে, সবাই মিলে ভাগ করে খায়৷ নানা পেশার পিঁপড়া সব৷ তাদের পর্যবেক্ষণ করার রোমাঞ্চই আলাদা৷''
ছোটবেলা থেকেই পোকামাকড় দেখে অবাক হতেন মার্টিন৷ তারপর পোকামাকড় বিক্রির কাজ শুরু করেন৷ পেশায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেকানিক৷ ২০০৩ সালে বার্লিনে নিজের দোকান খোলেন৷ জার্মানিতে এমন দোকান ছিল না৷ এখন বিশটিরও বেশি প্রজাতির পোকামাকড় বিক্রি করেন তিনি৷
পিঁপড়ার দোকানেরইতিবৃত্ত
পোকামাকড় আসে গোটা বিশ্ব থেকে৷ গুদামে পিঁপড়াদের ১০ থেকে ২০ হাজার কলোনি রয়েছে৷ আছে দক্ষিণ অ্যামেরিকার ‘লিফকাটার' বা পাতাকাটা পিঁপড়ার মতো বিরল প্রজাতিও৷ নিজেদের ওজনের তিরিশ গুণ বহন করতে পারে তারা৷ গাছের পাতা দিয়ে এক বিশেষ ধরনের মাশরুমের পরিচর্যা করে, যা খেয়ে তারা বেঁচে থাকে৷ মার্টিন বলেন, ‘‘পাতাকাটা পিঁপড়ার বিশেষত্ব হলো, তারা বিশাল জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে৷ প্রকৃতির কোলে তারা ৫০ বর্গকিলোমিটার বড় ও ৮ মিটার গভীর বাসাও তৈরি করতে পারে৷ বাসায় পিঁপড়া পুষতে গেলে প্রায়ই দেখা যায়, বছর দুয়েকের পর আর সামলানো যাচ্ছে না৷ তখন চিড়িয়াখানায় পাঠানোর চেষ্টা করি আমরা৷ এটা মনে রাখতে হবে৷''
ঘরের সঙ্গী পিঁপড়া
বিয়াংকা-ও বিরল প্রজাতির পিঁপড়া পুষছেন৷ বার্লিনে নিজের বাসায় ১৬টি প্রজাতির পিঁপড়া রেখেছেন, যার মধ্যে দক্ষিণ অ্যামেরিকার হিংস্র কালো এক পিঁপড়াও রয়েছে৷ বোলতার মতো হুল ফোটাতে পারে তারা৷ এমন প্রাণী কি বাসায় রাখা যায়? জীববিজ্ঞান শিক্ষিকা বিয়াংকা ড্রেনস্কে বলেন, ‘‘এদের পোষার পেছনে বেশ কয়েকটা কারণ রয়েছে৷ আমি এদের নিয়ে বাসার মধ্যেই একটা সুন্দর জগত গড়ে তুলতে পারি৷ কুকুর-বিড়াল পুষলে যা করা যায় না৷ এই ‘মিনি ইকোসিস্টেম' আমার বেশ রোমাঞ্চকর মনে হয়৷ এদের খোরাকের দামও বেশি নয়৷ তারা বিশেষ শব্দও করে না৷''
অর্থাৎ বেশ সস্তায় এমন পোষ্য রাখা যায়৷ তবে অস্ট্রেলিয়ার একটি পিঁপড়া প্রজাতির রানির দাম প্রায় ১৬০ ইউরো৷ পিঁপড়ে পোষার অন্য একটি দিকও রয়েছে৷ খুব বিরল প্রজাতির পিঁপড়া বাসায় রাখা চলে না৷ বিয়াংকা বলেন, ‘‘প্রথমেই একটা মৌলিক বিষয় খোলসা করতে হবে৷ এই পিঁপড়া কি সংরক্ষিত প্রজাতির তালিকায় পড়ে? তারা কি বিপজ্জনক? সে ক্ষেত্রে আর এগোনো উচিত নয়, বিপদ কম হলেও নয়৷ তারপর প্রশ্ন হলো, কোনো বিশেষ অনুমতি লাগে কি? যেমন অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের ভিতরে বা বাইরে কিছু নিতে গেলে এটা জানা জরুরি৷''
পিঁপড়া পোষায় হাতেখড়ি
প্রথমেই বিরল প্রজাতির পিঁপড়া পোষার চেষ্টা করা উচিত নয়৷ এমন সাধারণ প্রজাতিই ভালো৷ মার্টিন অনভিজ্ঞদের জন্য ৫০ ইউরো দামের একটা ‘স্টার্টার্স সেট' তৈরি করেছেন৷
তার মধ্যে রয়েছে সব সাজ-সরঞ্জাম সহ দুটি টেরারিয়াম৷ এক রানি ও এক নারী কর্মী থাকলেই হলো৷ দেখতে দেখতে হাজার পিঁপড়ার কলোনি তৈরি হয়ে যাবে৷ মার্টিন সেবেস্টা বলেন, ‘‘পিঁপড়াদের বাইরে চলতে-ফিরতে দেখা যায়৷ দেখা যায় একটা পিঁপড়া মুখে কিছু একটা নিয়ে গর্তে ঢুকে গেল৷ তারপর কী হয়? কীভাবে সেটা দেখা যায়? বাসাটা খুলে ফেললে বা ভেঙে দিলে ভিতরে অনেক ব্যস্ততা দেখা যায় বটে, কিন্তু তারা যে ঠিক কী করে, তা বোঝা যায় না৷''
ঠিক এ কারণেই পিঁপড়ারা পোষা জীব হিসেবে এত ইন্টারেস্টিং৷ মার্টিনের ব্যবসা ভালোই চলছে৷ গোটা ইউরোপে পিঁপড়া সাপ্লাই করে তাঁর দোকান৷
সুত্রঃ- DW.DE

পিঁপড়া পোষার বিদঘুটে শখের ব্যাপারে জানুন।

ফাঁসি হয়ে গেল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধে দোষী সাব্যস্ত জামাত-ই-ইসলামির শীর্ষনেতা আবদুল কাদের মোল্লার। 


বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই বাংলাদেশের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫নাগাদ ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসি দেওয়া হয় তাকে। ফাঁসি দেওয়ার পূর্ব নির্ধারিত সময় ছিল ১০টা ০১মিনিটে। সেই সময় মেনেই কয়েদি নম্বর ২২৪৬-এর কাছে পৌঁছে যান জল্লাদ শাহজাহান। ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হচ্ছে জেনে ২ মিনিট সময় চেয়ে নিয়েছিলেন কাদের মোল্লা। তারপরই তিনি ধীর পায়ে ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগিয়ে যান বলে জানা গিয়েছে। 

দুদিন শুনানির পর আজ রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছিল শীর্ষ আদালত। আদালত চত্বরে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তা ছিল। ফাঁসির আদেশ পুনরায় বহাল হওয়ায় কাদের মোল্লার সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁর আত্মীয়রা। আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা ছিল না। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই রায়ের পরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন বহু মানুষ। আদালতের এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে শাহবাগের জনজাগরণ মঞ্চ।

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল আবদুল কাদের মোল্লার। কিন্তু আসামীপক্ষের আবেদনে পিছিয়ে যায় সেদিনের মতে স্থগিত হয়ে যায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ। দুদিন শুনানির পর অবশেষে ফাঁসির আদেশ বহাল রাখল আদালত। একে নির্বাচন নিয়ে শাসক দল ও বিরোধী শিবিরের তরজা চলছেই। তারমধ্যে এই রাজাকারের ফাঁসি হয়ে গেলে দেশে অশান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে প্রশাসন। 

চলতি রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই কাদেরের ফাঁসিকে কেন্দ্র করে হিংসা, মারদাঙ্গায় ফের বাংলাদেশ রক্তাক্ত হতে চলেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ তাদের নেতার ফাঁসির বদলা নিতে হিংসার পথই বেছে নিতে পারে জামাত। তাদের এযাবতকালের আচরণে সেই ইঙ্গিতই প্রবল। হিংসার আগাম আঁচ করে নিরাপত্তাবাহিনীও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যেই ফেসবুকে দুই বিচারপতিকে খুনের হুমকি দিয়ে পোস্ট করা হয়েছে।

Source: https://twitter.com/24ghantaonline

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর!!