Showing posts with label উইন্ডোজ. Show all posts
Showing posts with label উইন্ডোজ. Show all posts
উইন্ডোজের রান কমান্ডের ব্যাপারে আমরা সবাই জানি, কিন্তু এর ব্যবহারের বেশীরভাগটাই জানি না। কোন কিছু দ্রুত চালু করতে রান কমান্ডের কোন জুড়ি নেই। বেশ কয়েকটা ক্লিক করে কোন কিছু চালু করার চেয়ে তার কমান্ড জানা থাকলে Start > Run এ গিয়ে অথবা কী-বোর্ড থেকে Win Key + R প্রেস করে অথবা উইন্ডোজ ৭ হলে স্টার্ট-এ সার্চ বক্সে কমান্ডটা লিখে এন্টার দিয়ে সেটা চালু করা অনেক বেশি সহজ এবং দ্রুততর পদ্ধতি।

নিচে প্রয়োজনীয় কিছু কমান্ড এবং তাদের কার্যকারিতা দেওয়া হল :

calc – ক্যালকুলেটর

charmap - ক্যারেক্টার ম্যাপ

clipbrd – উইন্ডোজ ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার

explorer – উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার

control – কন্ট্রোল প্যানেল

dxdiag – ডাইরেক্ট এক্স ডায়াগনসটিক ইউটিলিটি

logoff – কম্পিউটার লগ অফ

mspaint – পেইন্ট

notepad – নোটপ্যাড

osk – অনস্ক্রীন কী-বোর্ড

regedit – রেজিস্ট্রি এডিটর

sndrec32 – সাউন্ড রেকর্ডার

shutdown – কম্পিউটার শাটডাউন

sndvol32 – সাউন্ড কার্ড ভলিউম কন্ট্রোল

taskmgr – টাস্ক ম্যানেজার

wmplayer – উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার

winWord – মাইক্রোসফট ওয়ার্ড

winipcfg – উইন্ডোজ ভার্সন

write – ওয়ার্ড প্যাড

. – কারেন্ট ইউজার‘স ফোল্ডার

.. – ডকুমেন্টস এন্ড সেটিংস ফোল্ডার

– মাই কম্পিউটার

desktop – ডেস্কটপ ফোল্ডার

fonts – ফন্টস ফোল্ডার

system – সিস্টেম ফোল্ডার

system32 – সিস্টেম 32 ফোল্ডার

এছাড়া যেকোন ফাইল বা ফোল্ডারের পাথ এবং যেকোন সাইটের ইউআরএল টাইপ করে এন্টার দিলে সেটাও চালু হবে।

রান (Run) বক্স/কমান্ডের ব্যবহার দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

উইন্ডোজ এক্সপি ও অফিস ২০০৩’র জন্য সাপোর্ট বন্ধ করল মাইক্রোসফট।মাইক্রোসফটের পিসি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপির জন্য অফিসিয়াল আপডেট ও সাপোর্ট সুবিধা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আজ ৮ এপ্রিল ২০১৪ থেকে উইন্ডোজ এক্সপি ও এমএস অফিস ২০০৩ সফটওয়্যারের জন্য আর কোনো অফিসিয়াল বাগ ফিক্স ও নিরাপত্তা আপডেট রিলিজ হবেনা।

কিছু কিছু সরকারি সংস্থা তাদের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত এক্সপি কম্পিউটারের জন্য বাড়তি কিছু আপডেট পেতে আলাদা ব্যবস্থা নিলেও অন্যান্য ব্যবহারকারীরা ১৩ বছর বয়সী এই সফটওয়্যারটি চালাতে চাইলে ঝুঁকির মধ্যে থাকবেন।
২০০১ সালের ২৫ অক্টোবরে মুক্তি পেয়েছিল উইন্ডোজ এক্সপি। এরপর ওএসটি তিনটি মেজর আপডেট পেয়েছিল। এগুলো হচ্ছে সার্ভিস প্যাক ১, সার্ভিস প্যাক ২ ও সার্ভিস প্যাক ৩।
এরপর ২০০৯ এর ১৪ এপ্রিল উইন্ডোজ এক্সপির জন্য মূল সাপোর্ট সুবিধা বন্ধ করে দেয় রেডমন্ড। তখন থেকে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল সাপোর্ট, ওয়ারেন্টি ক্লেইম এবং ডিজাইন চেঞ্জ সাপোর্ট চালু ছিল।
তবে এখানেই সবকিছু শেষ নয়। আমাদের ব্লগটি নিয়মিত ভিজিট করে থাকলে নিশ্চয়ই মনে আছে, চলতি বছর জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে এক্সপির জন্য এন্টিভাইরাস (এমএসই)/ বিশেষ কিছু নিরাপত্তামূলক আপডেট আরও কিছুদিন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মাইক্রোসফট।
১৫ জানুয়ারি কোম্পানিটির এক ব্লগ পোস্টে এই ঘোষণা দেয়া হয়। ঐ স্টেটমেন্টে কোম্পানিটি জানায়, ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই পর্যন্ত তারা উইন্ডোজ এক্সপির জন্য নিরাপত্তা সঙ্ক্রান্ত আপডেট ইস্যু করবে। অর্থাৎ, আগামী বছরের মধ্য জুলাই পর্যন্ত উইন্ডোজ এক্সপির জন্য মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল এন্টিভাইরাস, এন্টিম্যালওয়্যার ও সিগনেচার আপডেট উপলভ্য থাকবে।
উইন্ডোজ এক্সপির নিরাপত্তা আপডেট বিহীন পৃথিবীঃ উইন্ডোজ এক্সপির সাপোর্ট বন্ধ হলে বিশ্বের ৯৫% এটিএম বুথ নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। 
By- banglatech24

বাই-বাই উইন্ডোজ এক্সপি ও অফিস ২০০৩...সাপোর্ট বন্ধ করল মাইক্রোসফট।

আমাদের অনেক সময় কম্পিউটারের হঠাৎ রিস্টার্ট হবার প্রবলেমে পরতে হয়...যদি আপনি এইরকম সমস্যাই পড়ে থাকেন বা না পড়ে থাকেন তাহলেও নীচের লেখা দেখে জেনে নিন কি কি কারনে এটা ঘটতে পারে এবং এর সমাধান আপনি কিকরে করতে পারবেন... 

► কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।

►RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।

► হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।

►ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।

► বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।

►বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।

বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।

► প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।

[Collected]

কম্পিউটারের হঠাৎ রিস্টার্ট হবার কারণগুলো জেনে নিন...

হ্যালো! আজকে আমার HS পরীক্ষা শেষ হল তাই আবার পোস্ট করতে বসলাম। যাইহোক আজকে আমি একটা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছি...যেটা হল উইন্ডোজ সাউন্ড। আমাদের অনেক সময়ই উইন্ডোজের সাউন্ডের ঘাটতি নিয়ে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

অনেক সময় বিশেষ করে অনলাইনে কোন ভিডিও দেখার বা গান শোনার সময় সেগুলির কম সাউন্ডের জন্য শুনতে অসুবিধা হয়, উইন্ডোজ সাউন্ডকে ফুল করলেও ঠিকভাবে শব্দ শোনা যায়না। যদি আপনার সঙ্গেও এমনটা ঘটে থাকে তাহলে নীচের পদ্ধতি অনুসরন করে আপনি উইন্ডোজ সাউন্ডকে তার শেষ সীমার দ্বিগুণ অবধিও বাড়িয়ে রাখতে পারবেন।

# ধাপ ১ :-
   প্রথমে টাস্কবারের(ডেক্সটপের নীচে) ডানদিকে থাকা ভলিউম আইকনে ক্লিক করে উপরের স্পিকার বা হেডফোন আইকনটিতে ক্লিক করুন।

# ধাপ ২ :-
   তারপর যে নতুন উইন্ডো খুলবে তার ‘Enhancements-নামক ট্যাবটিকে সিলেক্ট করুন এবং স্লাইডারটাকে নীচের দিকে নামান এবং ‘Loudness Equalization’ -নামের অপশনটির আগের বক্সটিতে ক্লিক করে রাইট দিন। এবং কাজ হয়ে গেলে OK তে ক্লিক করতে ভুলবেন না।

ব্যাস এখন আপনার কাজ শেষ...এবার উইন্ডোজ সাউন্ডকে কমিয়ে দিন এবং সেই ফাইল গুলো প্লে করুন...এবার আস্তে আস্তে বাড়ালে দেখবেন আপনার সাউন্ড আগেকার থেকে দ্বিগুন হয়ে গিয়েছে। 

আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে পোস্টটা......ভালো লাগলে শেয়ার করুন...বাই বাই। 


উইন্ডোজের সাউন্ডকে ১০০% এরও বেশী করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়ায়...

হ্যালো! কেমন আশা করি সবাই ভালো আছেন। এখন পরীক্ষার ব্যাস্ততার কারনে নিয়মিত পোস্ট দেওয়া হয়না...তাই আজকে অনেকদিন পর একটা পোস্ট দিচ্ছি

আপনারা যারা নেট ইউজ করেন, তারা মাঝে মাঝেই কিছু নাটক, মুভি ইত্যাদি ডাউনলোড করে থাকেন, আর ডাউনলোড করার সময় অন্য কাজ বা ঘুমানোর সময় । কিন্তু সমস্যা হল যখন 
ফাইলটি ডাউনলোড কমপ্লিট হয় তখন ঘুম ভেঙ্গে শোয়া থেকে উঠে কম্পিউটার বন্ধ করতে হয়... যা খুবি বিরক্তিকর।
তাই আজ এই সমস্যাটির সমাধানটাই দেখাবো আপনাদেরকে। অটো সাটডাউন করার জন্য অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়, কিন্তু আজকে আমি বিনা কোন সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই কাজটা করা দেখাব। 
কাজটি একদম সহজ, শুধু স্টার্ট মেনু থেকে run অপশন ওপেন করুন, তারপর নিচের লিখাগুলো কপি করে পেস্ট করুন………..
shutdown.exe -s -t60

লক্ষ করুন এখানে সময়টা নির্ধারণ করা হয়েছে সেকেন্ড হিসেবে, মানে আপনি সময় যাই ফিক্সড করেন ওটা করতে হবে সেকেন্ড হিসেবে। এখানে t এর পরে যা দেখতেছেন তাহাই হল সময়, আমি আমার কম্পিউটার ১ মিনিট পরে বন্ধ করতে চাচ্ছি তাই আমি ৬০ সেকেন্ড দিলাম।

ব্যাস আপনার কাজ শেষ, এবার আরামসে ঘুমিয়ে পড়ুন... 
নিদিষ্ট সময়ে পিসি অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে।
সংগৃহীত

আপনার পিসি-তে অটো সাটডাউন সেট করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়ায়।

Glary Utilities Pro হল কম্পিউটারকে দ্রুততর করার শ্রেষ্ঠ সফটওয়্যারগুলির মধ্যে একটা।
টি হল আপনার প্রিয় কম্পিউটারকে প্রথমের মতো বা আরও বেশী দ্রুত করার জন্য অনেকগুলি কার্যকরী টুল দ্বারা গঠিত একটা সফটওয়্যার, যেটা আপনার পিসি-কে স্পীড এবং সিকিউরিটি সহ সবদিক থেকে পূর্বের থেকে ভালো করে তুলবে। এটা একদিকে যেমন আপনাকে সফটওয়্যার ইন্সটলেশনের ফলে বা ব্রাউজার চালানোর ফলে সৃষ্টি হওয়া জাঙ্ক ফাইলকে রিমুভ করার অনুমতি দেবে, তেমনই সিস্টেম মেমোরিকে ওপ্টিমাইজ করা, ব্রোকেন শর্টকাটকে রিমুভ করা, স্টার্টআপ সফটওয়্যারকে নিয়ন্ত্রন করা প্রভৃতি কাজ করতেও এটি সক্ষম। আমি নিজে দেখেছি যে এটার বুট ডিফ্রাগমেন্ট এবং রেজিস্ট্রি ডিফ্রাগমেন্ট অসাধারন কাজ করে। এটা উইন্ডোজ ভিস্তা OS সহ অনেকগুলি ভাষাও সাপোর্ট করে।

আর আজকে আমি এটার লেটেস্ট ভার্সন দেব- 4.2.0.74, তাও আবার পোর্টেবল অর্থাৎ ইন্সটলেশন বা অ্যাক্টিভেশন কোনটারই দরকার হবে না। 

এটার কিছু বৈশিষ্ট্যঃ-
  • Disk Cleaner - Removes junk data from your disks and recovers disk space 
  • Registry Cleaner - Clean Registry Scan and clean your registry to improve system performance. 
  • Shortcuts Fixer - Corrects the errors in your startmenu & desktop 
  • Uninstall Manager - Uninstalls programs completely that you do not need any more 
  • Startup Manager - Manages programs which AutoRun 
  • Memory Optimizer - Monitors and optimizes free memory in the background 
  • Context Menu Manager - Manager context menu controls context menu for files and folders,
  • Tracks Eraser - Erases all traces of the Internet: events, cookies, internet history.
  • File Shredder - Erases files permanently so that no possibility of recovery. 
  • File Undelete - A quick and effective way to restore accidentally deleted files 
  • File Encrypter and Decrypter - Protects your files from unauthorized access and use. 
  • Disk Analyzer - Display disk space occupied by files and folders. 
  • Find duplicate files - Finds and removes duplicated and empty folders 
  • File Splitter and Joiner - Splits large files into smaller manageable, and then rejoin. 
  • Process Manager - Monitors programs that run on your computer, and blocking software - Spyware and Trojans. 
  • Assistant to Internet Explorer - Manages Internet Explorer Add 
  • Windows Standard Tools - Provides direct access to useful features of windows settings, the default .
ডাউনলোড লিঙ্ক (10.33 MB):-

ডাউনলোড লিঙ্কে গিয়ে Free Download -এ ক্লিক করুন, তারপর সঠিক কোড দিয়ে Creat Download Link -এ ক্লিক করে যে লিঙ্ক তৈরী হবে সেটাতে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন।
আর ভালো লাগলে Like, Tweet, Share করুন। 

ডাউনলোড করুন পোর্টেবল Glary Utilities Pro 4.2.0.74 (Multilingual)

স্বাধীন অভিধান হল উইন্ডোজ কম্পিউটারের জন্য তৈরী প্রথম ইউনিকোড ভিত্তিক অফলাইন বাংলা অভিধান...যেটা উইন্ডোজের যেকোনো ভার্সন (xp / vista / 7 / 8 / 8.1)-কে সাপোর্ট করবে।

কম্পিউটারকে শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে অভিধান প্রধান একটি ভূমিকা পালন করে। কিন্তু দেশে প্রচলিত যে কয়েকটি কম্পিউটার অভিধান সফটওয়্যার প্রচলিত আছে সেগুলোতে শব্দের ঘাটতি, প্রয়োজনীয় সুবিধা না থাকা, ছবির আকারে অর্থ প্রকাশ ইত্যাদি কারণে অভিধান গুলো তৈরির আসল উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। তাই স্বাধীন অভিধান এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে যে কোন বয়সী, যে কোন পেশার মানুষ এটি ব্যবহার করে শিক্ষার ক্ষেত্রে বা যে কোন ক্ষেত্রে অভিধানের তথা কম্পিউটারে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে এবং অভিধান তৈরির আসল উদ্দেশ্য সফল হয়।
আর আজকে আমি এটার লেটেস্ট ভার্সন নিয়ে এসেছি 2.0.0.1 (Pre BETA) [11 Dec 2013] -যেটা এখনও অফিসিয়ালি রিলিজ হয়নি। তাই আর দেরি না করে সবার আগে এই অভিধানটা ডাউনলোড করে ফেলুন। 
নতুন স্বাধীন অভিধানের জন্য কোন রানটাইমের প্রয়োজন নেই।তবে যদি বাংলা ক্যালেন্ডার ইনস্টল করেন তাহলে ডটনেট ফ্রেমওয়ার্ক ২.০ ইনস্টল করতে হবে।
ডাউনলোড লিঙ্ক (১৬.৫৫ এমবি) ঃ-
স্বাধীন অভিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
  • বাংলা উন্নত সার্চ (Improved)
  • ইংরেজী উন্নত সার্চ (Improved)
  • ইংরেজী শব্দের উচ্চারন (Improved)
  • ১৭০০০+ ইংরেজী শব্দ ভান্ডার (Improved)
  • Phrases and Idioms (১৫০০+ ইডিয়ম, উচ্চারন এবং সার্চ সুবিধা সহ) (New)
  • Abbreviation (১২০০+ Abbreviation, উচ্চারন এবং সার্চ সুবিধা সহ) (Improved)
  • গ্রিক অক্ষর (উচারন সহ)
  • দ্রুত অনুসন্ধান মোড (ডাবল ক্লিক টু মিনিং সুবিধা সহ) (Improved)
  • হট-কী সুবিধা
  • ক্লিপ বোর্ড পর্যবেক্ষন (Improved)
  • স্বাধীন প্যাড (ডাবল ক্লিক টু মিনিং সুবিধা সহ)
  • সরাসরি অভিধান থেকে গুগল ট্রান্সলেট ব্রাউজ
  • বাংলা ক্যালেন্ডার গ্যাজেট (New)
  • ক্রিস্টাল ক্লিয়ার বাংলা (New)
  • সয়ংক্রিয় আপডেট পরিক্ষা (Improved)
  • অভ্র এবং বিজয় এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ
  • উইন্ডোজ এক্সপিভিস্তা এবং  সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ (Improved)
  • ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট ওএস সাপোর্ট (New)
  • ড্যাসবোর্ড সিস্টেম (New)
  • বাংলা ইন্টারফেস (Improved)
  • ব্যবহার নির্দেশিকা (বিস্তারিত ব্যবহার বিধি এবং ইউনিকোড বাংলা টাইপিং নিয়মনীতি)(New)
  • ফিডব্যাক অপশন (New)
  • টেকনিক্যাল সাপোর্ট এবং আরও অনেক কিছু…
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ-
ইন্সটল করার জন্য zip ফাইলটাকে এক্সট্র্যাক্ট করে সেটআপ ফাইলটাকে রান করুন এবং ইন্সটল করে নিন। যেহেতু এটা প্রি বিটা ভার্সন, সেজন্য ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে, সেরকম কিছু খুঁজে পেলে অবশ্যই আপনার মূল্যবান ফিডব্যাক দিয়ে সফটওয়্যারটাকে আরও ভালো করে তুলুন।

বিস্তারিত জানতে হোমপেজে যান।

ভালো লাগলে Like, Tweet করুন (Like এর পর Confirm করুন), বাই বাই...

ডাউনলোড করুন স্বাধীন অভিধান 2.0.0.1 -সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা অভিধান।

হ্যালো! আমাদের কম্পিউটার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারনে মাঝে মাঝে হাং হয়ে যায় (ফাঁসিতে ঝোলাবার মতনই), কিন্তু আমরা বেশীরভাগ সময়েই এটা হওয়ার কারন জানতে পারি না, তাই আজকে আমি কম্পিউটার হ্যাং হবার ১টা-২টা নয়...পুরো ১২টা কারণ নিয়ে এসেছি, যার সাহায্যে হয়তো আপনার সমস্যার সমাধান হবে।

1. কম্পিউটারের প্রসেসরের মান ভাল না হলেঃ- 

কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে কম্পিউটারের প্রসেসর। আর প্রসেসরের মান ভাল না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক।

2. কম্পিউটার RAM-এর পরিমাণ কম হলেঃ- 

আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন সেই কাজটা  সম্পন্ন হয় কম্পিউটারের RAM অঞ্চলে। আর এই RAM-এর পরিমাণ কম হলে কম্পিউটার ঠিকমত কাজ করতে পারে না। এবং কম্পিউটারে হ্যাং ধরে।

3. কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর কানেকশন সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
4. প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে হ্যাং হতে পারে এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরেও ঠিক নাও হতে পারে। কেননা কম্পিউটারের সকল কাজ করে তাকে প্রসেসর।
5. অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলেঃ-
এছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যার কানেকশন অথবা হার্ডওয়্যারে সমস্যা থাকলেও কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
6. অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি তাকলেঃ-

অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল কেটে বা মুছে যাওয়াকে বুঝায়, যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।


7. কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেঃ-
সাধারণত এই কারণেই কম্পিউটার বেশী হ্যাং হয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং হয়। (অ্যান্টিভাইরাস এর জন্য এখানে যান)
8. অনেক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলেঃ-
হ্যাঁ! এটার কারণেও সবচেয়ে বেশী কম্পিউটার হ্যাং হয়। মনে করেন আপনার কম্পিউটার RAM এর পরিমাণ ১২৮ কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম একসঙ্গেই চালু করলেন। তাহলে হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা তখন কম্পিউটারের Ram ফুল হয়ে যাবে।
9. হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালেঃ-
আপনার কম্পিউটার Ram যদি কম হয় কিন্তু আপনি যদি হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালান তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাবে, কেননা তখন Ram সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায়।
10. হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করলেঃ-
কম্পিউটার গেইম এর পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যারও রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন। যা সাধারণত কম RAM ও কম প্রসেসরের ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
11. কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলেঃ-
কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে তাকলে ঐ সব ফাইল নিয়ে কাজ করতে কম্পিউটারের অনেক বেশী সময় লাগে। যার করণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
12. কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করলেঃ-
হ্যাঁ, আমরা ভাইরাস হতে মুক্তি লাভের আশায় এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় কম্পিউটারের মানের কথা না ভেবেই উচ্চ ক্ষমতা ও উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করে থাকি যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হয়। (ভালো মানের এবং কম্পিউটারকে স্লো করবে না এমন অ্যান্টিভাইরাস পেতে এখানে ক্লিক করুন)
(সংগৃহীত)
পোষ্টটি যদি আপনাদের উপকারে লাগে তাহলে Like, Tweet করতে ভুলবেন না। আজকে এই পর্যন্তই থাক, পরে কথা হবে।

কম্পিউটার হ্যাং হবার ১২টি কারণ জেনে নিন -কাজে লাগবে।