১। তৈলাক্ত ত্বক থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহার করতে পারেন লেবুর রস। ঘুমাতে যাওয়ার আগে তুলোর সাহায্যে লেবুর রস মুখে লাগান এবং পরদিন সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। চাইলে দিনেও করতে পারেন।

 ২। ব্রণের দাগ থেকে মুক্তি পেতে লেবু হতে পারে কার্যকরী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। লেবুর রসে থাকা সাইট্রিক এসিড মুখের দাগ দূর করে স্কিন টোন সমান এবং উজ্জ্বল করে।

৩। ঠোঁট ফাঁটা রোধ করতেও ব্যবহার করতে পারেন লেবুর রস। রাতে ঘুমানোর আগে লেবুর রস ঠোঁটে লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর রস ঠোঁটের মরা কোষ দূর করে ঠোঁটকে নরম করে।

 ৪। নখ ভাঙ্গা রোধ করতে এবং নখ শক্ত করতে লেবুর জুড়ি নেই। ৩ চা চামচ অলিভ অয়েল এবং ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নখে লাগান। এটি নখকে শক্ত করার সাথে সাথে নখের হলদে ভাব দূর করে।

 ৫। খুশকি দূর করতে ব্যবহার করা যেতে পারে লেবু। নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল, মধু এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন। এরপর গরম তোয়ালে মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

লেবুর ব্যবহার.... স্বাস্থ্য টিপস...না পড়লে মিস।

আমাদের অনেক সময় কম্পিউটারের হঠাৎ রিস্টার্ট হবার প্রবলেমে পরতে হয়...যদি আপনি এইরকম সমস্যাই পড়ে থাকেন বা না পড়ে থাকেন তাহলেও নীচের লেখা দেখে জেনে নিন কি কি কারনে এটা ঘটতে পারে এবং এর সমাধান আপনি কিকরে করতে পারবেন... 

► কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।

►RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।

► হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।

►ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।

► বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।

►বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।

বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।

► প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।

[Collected]

কম্পিউটারের হঠাৎ রিস্টার্ট হবার কারণগুলো জেনে নিন...

হ্যালো! আজকে আমার HS পরীক্ষা শেষ হল তাই আবার পোস্ট করতে বসলাম। যাইহোক আজকে আমি একটা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছি...যেটা হল উইন্ডোজ সাউন্ড। আমাদের অনেক সময়ই উইন্ডোজের সাউন্ডের ঘাটতি নিয়ে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

অনেক সময় বিশেষ করে অনলাইনে কোন ভিডিও দেখার বা গান শোনার সময় সেগুলির কম সাউন্ডের জন্য শুনতে অসুবিধা হয়, উইন্ডোজ সাউন্ডকে ফুল করলেও ঠিকভাবে শব্দ শোনা যায়না। যদি আপনার সঙ্গেও এমনটা ঘটে থাকে তাহলে নীচের পদ্ধতি অনুসরন করে আপনি উইন্ডোজ সাউন্ডকে তার শেষ সীমার দ্বিগুণ অবধিও বাড়িয়ে রাখতে পারবেন।

# ধাপ ১ :-
   প্রথমে টাস্কবারের(ডেক্সটপের নীচে) ডানদিকে থাকা ভলিউম আইকনে ক্লিক করে উপরের স্পিকার বা হেডফোন আইকনটিতে ক্লিক করুন।

# ধাপ ২ :-
   তারপর যে নতুন উইন্ডো খুলবে তার ‘Enhancements-নামক ট্যাবটিকে সিলেক্ট করুন এবং স্লাইডারটাকে নীচের দিকে নামান এবং ‘Loudness Equalization’ -নামের অপশনটির আগের বক্সটিতে ক্লিক করে রাইট দিন। এবং কাজ হয়ে গেলে OK তে ক্লিক করতে ভুলবেন না।

ব্যাস এখন আপনার কাজ শেষ...এবার উইন্ডোজ সাউন্ডকে কমিয়ে দিন এবং সেই ফাইল গুলো প্লে করুন...এবার আস্তে আস্তে বাড়ালে দেখবেন আপনার সাউন্ড আগেকার থেকে দ্বিগুন হয়ে গিয়েছে। 

আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে পোস্টটা......ভালো লাগলে শেয়ার করুন...বাই বাই। 


উইন্ডোজের সাউন্ডকে ১০০% এরও বেশী করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়ায়...

হ্যালো! আজকাল আমাদের প্রায় সবার বাড়িতেই ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ ব্যবহার করা হ্য়। আবার কারো কারোর কাছে একাধিক ল্যাপটপ আছে, সঙ্গে এখনকার WiFi সহ Letest মোবাইল ফোনও থাকে। 


আমারা যেহেতু সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাই ইচ্ছা করলেই আমরা আমাদের ল্যাপটপের ইন্টারনেট অন্য ল্যাপটপে অথবা WiFi মোবাইল ফোনে ব্যবহার করতে পারি খুব সহজেই।
আপনার ল্যাপটপে যদি Windows 7 দেয়া থাকে তাহলে শুধু একটা Software দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার ল্যাপটপকে WiFi HotSpot বানাতে পারবেন। Software টির নাম Connectify ।

সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।


(ডাউনলোড করতে প্রথমে  Slow Download-এ ক্লিক করুন তারপর যে বক্স টা ওপেন হবে সেটাকে Close করুন এবং কিছুটা অপেক্ষা করে, Download with FileFactory's download manager -এটার আগের টিক চিহ্নটাকে তুলে Click here to begin your download-এ ক্লিক করুন।)

এরপর Software টি ডাউনলোড করে Install করুন। এরপর Software টি রান করুন।

Connectify ল্যাপটপ দিয়ে তৈরি করুন WiFi নেটওয়ার্ক এবং আপনার ল্যাপটপ দিয়ে নিজেই হয়ে যান WiFi HotSpot এর মালিক এবার আপনি যে নামে WiFi HotSpot বানাতে চান, WiFi Name এ সেই নাম দিন।

এরপর Password এ আপনার Password দিন যেটা আপনার WiFi HotSpot ব্যবহারকারীরা লগিন করার জন্য ব্যবহার করবে।

এবার আপনি আপনার ল্যাপটপে যে টাইপের ইন্টারনেট ব্যবহার করেন সেটার উপর ভিত্তি করে Internet অপশন নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি Broadband/Dial Up ব্যবহার করেন তাহলে Local Area Network নির্বাচন করুন।


এবার Start HotSpot বাটনটা চাপুন।

এবার আপনি আপনার অন্য যে ল্যাপটপে অথবা মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন সেখানে WiFi সার্চ করে আপনার WiFi HotSpot নির্বাচন করে Password দিয়ে লগিন করে প্রবেশ করুন ইন্টারনেট এর দুনিয়াতে।

*ডেস্কটপ wifi device ডেস্কটপে থাকতে হবে...



বাই- - এসো ফ্রী কম্পিউটার শিখি :: টুকিটাকি প্রতিদিন ::

সহজেই WiFi নেটওয়ার্ক তৈরি করুন ল্যাপটপ/ডেস্কটপের মাধ্যমে।

হ্যালো! কেমন আশা করি সবাই ভালো আছেন। এখন পরীক্ষার ব্যাস্ততার কারনে নিয়মিত পোস্ট দেওয়া হয়না...তাই আজকে অনেকদিন পর একটা পোস্ট দিচ্ছি

আপনারা যারা নেট ইউজ করেন, তারা মাঝে মাঝেই কিছু নাটক, মুভি ইত্যাদি ডাউনলোড করে থাকেন, আর ডাউনলোড করার সময় অন্য কাজ বা ঘুমানোর সময় । কিন্তু সমস্যা হল যখন 
ফাইলটি ডাউনলোড কমপ্লিট হয় তখন ঘুম ভেঙ্গে শোয়া থেকে উঠে কম্পিউটার বন্ধ করতে হয়... যা খুবি বিরক্তিকর।
তাই আজ এই সমস্যাটির সমাধানটাই দেখাবো আপনাদেরকে। অটো সাটডাউন করার জন্য অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়, কিন্তু আজকে আমি বিনা কোন সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই কাজটা করা দেখাব। 
কাজটি একদম সহজ, শুধু স্টার্ট মেনু থেকে run অপশন ওপেন করুন, তারপর নিচের লিখাগুলো কপি করে পেস্ট করুন………..
shutdown.exe -s -t60

লক্ষ করুন এখানে সময়টা নির্ধারণ করা হয়েছে সেকেন্ড হিসেবে, মানে আপনি সময় যাই ফিক্সড করেন ওটা করতে হবে সেকেন্ড হিসেবে। এখানে t এর পরে যা দেখতেছেন তাহাই হল সময়, আমি আমার কম্পিউটার ১ মিনিট পরে বন্ধ করতে চাচ্ছি তাই আমি ৬০ সেকেন্ড দিলাম।

ব্যাস আপনার কাজ শেষ, এবার আরামসে ঘুমিয়ে পড়ুন... 
নিদিষ্ট সময়ে পিসি অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে।
সংগৃহীত

আপনার পিসি-তে অটো সাটডাউন সেট করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়ায়।

আনারস বিশ্বের অন্যতম সেরা ফল। আমরা সবাই এটার স্বাদকে অনেকবারই উপভোগ করেছি। এর ফ্লেবারও আমরা বিভিন্ন জিনিসে উপভোগ করে থাকি।
 

সাধারণত আনারস খেলে যেসব উপকার পাওয়া যায় তা হল:

১. গরম-ঠাণ্ডার জ্বর, জ্বর-জ্বর ভাব দূর করে এই ফল। এতে রয়েছে ব্যথা দূরকারী উপাদান। তাই শরীরের ব্যথা দূর করার জন্য এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

২. আনারস কৃমিনাশক। কৃমি দূর করার জন্য খালি পেটে (সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে) আনারস খাওয়া উচিত।

৩. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্ত বাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিন্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

৪. এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ির যে কোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আনারস।

৫. এতে রয়েছে খনিজ লবণ ম্যাঙ্গানিজ, যা দাঁত, হাড়, চুলকে করে শক্তিশালী। গবেষণা করে দেখা 
গেছে, নিয়মিত আনারস খান এমন ব্যক্তিদের ঠাণ্ডা লাগা, গলা ব্যথা, সাইনোসাইটিসজাতীয় অসুখগুলো কম হয়।

৬. এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালরি, যা আমাদের শক্তি জোগায়। প্রোটিন খাবার এ ফলটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বককে কুঁচকে যাওয়া থেকে বাঁচায়। আনারস টাটকা খাওয়াই ভালো।

৭. আনারস জ্বরের ও জন্ডিস রোগের জন্য বেশ উপকারী।

৮. দেহের তৈলাক্ত ত্বক, ব্রণসহ সব রূপলাবণ্যে আনারসের যথেষ্ট কদর রয়েছে।
সংগৃহীত

আনারসের গুনাগুন সম্পর্কে জানতে এই পোস্টটা দেখুন...

সাধারণত ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে ব্রণ একটি সাধারণ অসুখ। তবে যে কোনো বয়সেই ব্রণ হতে পারে। ব্রণ দেখতে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেন ছোট ছোট গোল ফুসকুড়ি, লালচে ছোট ছোট গোটা, আবার পুঁজপূর্ণ বড় বড় চাকাও তে পারে। ব্রণ টিপলে ভাতের দানার মতো বের হয়ে আসে। অনেকের ব্রণ খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়। ব্রণের ফলে ত্বকে ছিদ্র দেখা দিতে পারে। কারো কারো মুখে ব্রণের তীব্রতা বেশি থাকলে তা এবড়োথেবড়ো দে ব্রণ বেশি টেপাটিপি করলে সেখানে কালো দাগ সৃষ্টি হয়। ব্রণের চিকিৎসায় কতজনের কত না আয়োজন। অনেকে অনেক কসমেটিকের বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে তা ব্যবহারও করে থাকেএবং দেখা যায়, এসব কসমেটিকস প্রকৃতপক্ষে বাড়িয়ে তুলছে ব্রণের তীব্রতা।

ব্রণ কেন হয়?

আমাদের ত্বকে অনেকগুলো ‘সিবাসিয়াস গ্রন্থি’ থাকে, যা থেকে সব সময় ‘সিবাম’ নামক এক ধরনের তৈলাক্ত রস নিঃসৃত হয়। লোমকূপ দিয়ে এই সিবাম বের হয়ে ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে বিধায় ত্বকে নরম, মসৃণ ও তৈলাক্তভাবে আসে। যদি কোনোকারণে ‘সিবাম’-এর নিঃসরণ বৃদ্ধি পায় এবং লোমের গোড়ায় বিদ্যমান ‘কেরাটিন’ (এক ধরনের প্রোটিনজাতীয় পদার্থ) ধুলোবালির সঙ্গে মিশে সেখানকার
ছিদ্রপথ বা নির্গমনের পথ বন্ধকরে দেয়। ফলে সিবাম বের হতে না পেরে জমা হয়ে ব্রণ হিসেবে প্রকাশ পায়।

ব্রণের চিকিৎসা

(১) সব ধরনের প্রসাধনী বর্জন করতে হবে। নখ দিয়ে ব্রণ খোঁটাখুঁটি করা যাবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রণ আপনা-আপনি সেরে যায়।

(২) দিনে অন্তত তিনবার ‘নিউট্রাজিনা’ সাবান দিয়েমুখ ধুতে হবে। অনেকে ব্রণ হলে মুখে সাবান ব্যবহার বন্ধ করে দেন অথচ এ সময়ে সাবান দিয়ে মুখ ধুলে উপকার হয়, কেননা সাবান মুখেরতৈলাক্ততা দূর করে এবং লোমকূপ পরিষকার রাখে।

(৩) রাতে ঘুমানোর সময় ভালো করে মুখ ধুয়ে শুধু ব্রণগুলোর ওপর পেনক্সিল ২.৫% জেলটি লাগানো যেতে পারে। এটি ব্যবহারে অনেকের চুলকানি বা লালাভ হতে পারে, তবে দু-একদিন জেলটি ব্যবহারের পর ঠিক হয়ে যায়। চুলকানি বা লাল ভাব বেশি হলে ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে।

(৪) কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তা দূর করতে হবে, ঝাল-মসলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতেহবে। সুষম সহজপাচ্য হালকা খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে।পুষ্টিহীনতায় ভুগলে প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

(৫) মাথায় খুশকি থাকলে অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করে খুশকি দূর করতে হবে। ব্রণের তীব্রতা বেশি হলে চিকিৎসকের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করতে হবে।

সংগৃহীত

ব্রণ কী এবং ব্রণের উপশমের উপায় জানতে এখানে দেখুন।

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক সেবাটি ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মেসেজসমূহ স্ক্যান করে এগুলো থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞাপনদাতাদের নিকট বিক্রি করে করে মুনাফা করছে বলে নতুন একটি মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে। এতে দাবী করা হয়, ফেসবুক মেসেজের মাধ্যমে যখন একজন ব্যক্তি কোন লিংক আদান-প্রদান করেন তখন এটিকে স্ক্যান করা হয় যার দ্বারা ইউজারের ওয়েব অ্যাক্টিভিটি মনিটর করা সম্ভব।
তবে ফেসবুকের পক্ষ থেকে উক্ত মামলার ব্যাপারে বলা হয়েছে, ঐ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই, এবং এগুলোর বিরুদ্ধে শক্তভাবে লড়াই করবে কোম্পানিটি।
এই মামলায় হেরে গেলে এর দাবী অনুযায়ী প্রতিদিন মেসেজিং সঙ্ক্রান্ত উল্লিখিত প্রাইভেসি লংঘনের জন্যফেসবুকের ১০০ ডলার বা তার বেশি জরিমানা হতে পারে। অথবা, প্রত্যেক ইউজারের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ১০,০০০ ডলার জরিমানা হতে পারে।
ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ভংগের অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিজ্ঞাপনে ইউজারদের নাম ও প্রোফাইল পিকচার দেখানোর কারণে কড়া সমালোচনার মুখোমুখী হয় ফার্মটি।
এরপরেও ফেসবুক দাবী করে যে তারা ব্যবহারকারীদের যথাযথ অনুমতি নিয়েই এসব করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালে দায়েরকৃত ঐ মামলায় ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মেসেজের তথ্য কী বিক্রি করা হচ্ছে?

হ্যালো! মানুষ সবাইকে বশে আনলেও সময়কে এখনও পর্যন্ত বশে আনতে পারেনি, এখনও মানুষ বয়সকে আটকাতে পারেনা।

কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন বিজ্ঞানীরা ঘোষণা করেছেন যে, তারা নাকি বয়স কমাতে সক্ষম এমন ঔষধ আবিষ্কার করেছেন। এতদিন বয়স বৃদ্ধিকে এক মুখী বিবেচনা করা হলেও বিজ্ঞানীরা প্রমান করে দিয়েছেন বয়স চাইলে কমানোও সম্ভব! 

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মূল শক্তিকেন্দ্র হচ্ছে মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি দেহের প্রতিটি কোষে শক্তি যোগায় ফলে আমরা কাজ করতে সমর্থ হই। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি উৎপাদন কমিয়ে দেয় ফলে আমাদের শরীরের কোষ সমূহ বুড়িয়ে যায় এবং আমরাও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ি।

হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন তারা ইঁদুরের গায়ে বিশেষ ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে সফলভাবে জীবের দেহের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি বৃদ্ধি করতে পেরেছেন। 'এনএডি' নামের এক কেমিক্যাল জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হলে জীব দেহের কোষে থাকা মাইটোকন্ড্রিয়া উজ্জীবিত হয়ে উঠে। এতে করে ৬০ বছরের যেকোনো মানুষকে ২০ বছরের যুবকের মত কর্মক্ষম এবং তাগড়া মনে হবে এবং সে ৬০ বছর বয়সেই ২০ বছর বয়সের মত শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

যদি এটা সত্যি হয় তাহলে এই আবিষ্কার বিজ্ঞানের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করবে। বিজ্ঞানীরা একে ঐতিহাসিক আবিষ্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

by- DEHO

বয়স কমানোর ঔষধ! -অসম্ভব কি এবার সম্ভব হবে??

Glary Utilities Pro হল কম্পিউটারকে দ্রুততর করার শ্রেষ্ঠ সফটওয়্যারগুলির মধ্যে একটা।
টি হল আপনার প্রিয় কম্পিউটারকে প্রথমের মতো বা আরও বেশী দ্রুত করার জন্য অনেকগুলি কার্যকরী টুল দ্বারা গঠিত একটা সফটওয়্যার, যেটা আপনার পিসি-কে স্পীড এবং সিকিউরিটি সহ সবদিক থেকে পূর্বের থেকে ভালো করে তুলবে। এটা একদিকে যেমন আপনাকে সফটওয়্যার ইন্সটলেশনের ফলে বা ব্রাউজার চালানোর ফলে সৃষ্টি হওয়া জাঙ্ক ফাইলকে রিমুভ করার অনুমতি দেবে, তেমনই সিস্টেম মেমোরিকে ওপ্টিমাইজ করা, ব্রোকেন শর্টকাটকে রিমুভ করা, স্টার্টআপ সফটওয়্যারকে নিয়ন্ত্রন করা প্রভৃতি কাজ করতেও এটি সক্ষম। আমি নিজে দেখেছি যে এটার বুট ডিফ্রাগমেন্ট এবং রেজিস্ট্রি ডিফ্রাগমেন্ট অসাধারন কাজ করে। এটা উইন্ডোজ ভিস্তা OS সহ অনেকগুলি ভাষাও সাপোর্ট করে।

আর আজকে আমি এটার লেটেস্ট ভার্সন দেব- 4.2.0.74, তাও আবার পোর্টেবল অর্থাৎ ইন্সটলেশন বা অ্যাক্টিভেশন কোনটারই দরকার হবে না। 

এটার কিছু বৈশিষ্ট্যঃ-
  • Disk Cleaner - Removes junk data from your disks and recovers disk space 
  • Registry Cleaner - Clean Registry Scan and clean your registry to improve system performance. 
  • Shortcuts Fixer - Corrects the errors in your startmenu & desktop 
  • Uninstall Manager - Uninstalls programs completely that you do not need any more 
  • Startup Manager - Manages programs which AutoRun 
  • Memory Optimizer - Monitors and optimizes free memory in the background 
  • Context Menu Manager - Manager context menu controls context menu for files and folders,
  • Tracks Eraser - Erases all traces of the Internet: events, cookies, internet history.
  • File Shredder - Erases files permanently so that no possibility of recovery. 
  • File Undelete - A quick and effective way to restore accidentally deleted files 
  • File Encrypter and Decrypter - Protects your files from unauthorized access and use. 
  • Disk Analyzer - Display disk space occupied by files and folders. 
  • Find duplicate files - Finds and removes duplicated and empty folders 
  • File Splitter and Joiner - Splits large files into smaller manageable, and then rejoin. 
  • Process Manager - Monitors programs that run on your computer, and blocking software - Spyware and Trojans. 
  • Assistant to Internet Explorer - Manages Internet Explorer Add 
  • Windows Standard Tools - Provides direct access to useful features of windows settings, the default .
ডাউনলোড লিঙ্ক (10.33 MB):-

ডাউনলোড লিঙ্কে গিয়ে Free Download -এ ক্লিক করুন, তারপর সঠিক কোড দিয়ে Creat Download Link -এ ক্লিক করে যে লিঙ্ক তৈরী হবে সেটাতে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন।
আর ভালো লাগলে Like, Tweet, Share করুন। 

ডাউনলোড করুন পোর্টেবল Glary Utilities Pro 4.2.0.74 (Multilingual)

হ্যালো! আমরা হাড় কাপানো শীতের মধ্যে প্রায়ই সূর্যের রোদে গিয়ে শরীর গরম করে থাকি কিন্তু আপনারা হয়তো জানেননা যে, শীতের অতিরিক্ত রোদ আমাদের ক্ষতিসাধন করে! 


বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে শীতের রোদে ক্ষতিকর প্রভাব বেশি থাকে। রোদের প্রখরতা কম থাকায় এবং শীতের প্রভাবে সাধারণতই রোদে আমরা সবাই একটু বেশি সময় কাটায়। ফলে শীতের রোদে ত্বকের ক্ষতিও বেশি হয়। একদিকে রোদের তীব্রতা কম থাকে, অন্যদিকে বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্প কম থাকায় ক্ষতিকর অতিবেগুনি বা আলট্রাভায়োলেট রশ্মি অনেকটা সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে আসে। 

আর এই আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই এই রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে চলাই মঙ্গল। সেজন্য আমাদের একটানা বেশিক্ষণ রোদে বসে থাকা উচিত নয়, পারলে গায়ে তেল মেখে বসুন কারন আমরা সবাই জানি যে সূর্যের রোদের মাধ্যমেই মুলত আমাদের দেহে ভিটামিন-D গৃহীত হয় তাই রোদ একটা অত্যাবশ্যক জিনিস...যদিও এর প্রয়জনাতিরিক্ত মাত্রা বিপদ ডেকে আনতে পারে। 
বাই- দেহ
আশা করি সবাই এই শীতে ভালো থাকবেন। আর সবাইকে শেয়ার করে ঘটনাটা অবশ্যই জানিয়ে দেবেন ...... বাই বাই। 

শীতকালে অতিরিক্ত রৌদ্রস্নান আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে!!

হ্যালো! এর আগে আমি মধুর উপকারিতা সম্বন্ধে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, আজকে অন্য কিছু তথ্য নিয়ে আরও একটা পোস্ট দিলাম। (যারা আগের পোস্টটা দেখেননি তারা এখানে ক্লিক করুন)

১. হাজারো গুণে ভরা মধুতে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ আছে যা শরীরে শক্তি যোগায়। এর অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

২. প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। 

৩. মন ভালো করতে প্রতিদিন হালকা গরম জলের সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান। সঙ্গে একটু দারুচিনির গুঁড়াও ছিটিয়ে নিতে পারেন।

৪. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম জলে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এভাবে প্রতিদিন খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলো বের হয়ে যায় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়।

৫. মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

৬. মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমে এবং যারা ইতিমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়।

৭. হজমের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান।

৮. যারা সারাক্ষন দূর্বলতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেয়ে নিন এবং সারা দিন সবল থাকুন।

৯. সকালে ত্বকে মধু লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে মধুর বেশ কিছু উপাদান ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বক মসৃণ ও সুন্দর হয়।

১০. ত্বকে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়।

by- Deho

মধুর দশটি উপকারিতা যা হয়তো আগে দেখেননি।