আমরা প্রায়ই শুনে থাকি যে নিয়মিত হাঁটা স্বাস্থের পক্ষে ভালো, কিন্তু কথাটাকে নিয়ে কোনদিন বেশী মাথা ঘামায়নি...কিন্তু আজকের আমার এই পোস্টটা দেখার পরে একটু হলেও হয়তো মাথা ঘামাবেন।

খন এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, নিয়মিত না হাঁটলে মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। হতে পারে অকালমৃত্যু। সম্প্রতি র‌্যামব্লার্স এবং ম্যামিলান নামে এক গবেষণা সংস্থা এক প্রতিবেদনে এই মত প্রকাশ করেছে।

তাছাড়াও, পা কে শরীরের সেকেন্ড হার্ট বলা হয় কারন, মাধ্যাকর্ষণজনিত প্রভাবে শরীরের রক্তের নিচের ভাগে জমে থাকার প্রবণতা বেশি থাকে, তবে,হাঁটলে পেশি সংকোচন-প্রসারণের ফলে রক্তপ্রবাহ ব্রেইন সহ শরীরের উপরের অন্যান্য ভাগে সমভাবে সন্ঞ্চালিত হয় ফলে শরীর সুস্থ থাকে।

প্রাচীণ মানুষদের ব্রেইন ছোট ছিল, কিন্তু হার্ট ছিলো বেশী স্ট্রং কিন্তু ধীরে ধীরে বিবর্তনের ফলে ব্রেইনের আকার বেড়েছে তবে, হৃদপিন্ড হয়েছে দুর্বল। একমাত্র মানুষ ছাড়া অন্য কোন পশু পাখির মধ্যে মায়োকার্ডিয়াক এট্যাক অর্থাত্‍ হার্টের অসুখ দেখা যায় না।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে, যদি কেউ প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ মিনিট হাঁটে তবে তার শরীরে রোগব্যাধির পরিমাণ কম হয়। বড় ধরনের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কিন্তু প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনও অফিস, স্কুল বা অন্যান্য কাজসহ সপ্তাহে ৩০ মিনিটের বেশী হাঁটে না।

নিয়মিত না হাঁটার কারণে অকালমৃত্যু হতে পারে। আর এই অকালমৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে হলে আমাদের সবার নিয়মিত কমপক্ষে ২০ মিনিট করে হাঁটা উচিত।


তাই মোটা-পাতলা কোন কথা নয়...সবাই নিয়মিত হাঁটুন ও সুস্থ থাকুন।
আর পোস্টটা ভালো লাগলে Like ও Share করে সবাইকে এই ব্যাপারে জানিয়ে দিন...
(সংগৃহীত)

হাঁটাচলা না করলে ক্যান্সার,হৃদরোগসহ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!!

আমরা প্রায়ই শুনে থাকি যে নিয়মিত হাঁটা স্বাস্থের পক্ষে ভালো, কিন্তু কথাটাকে নিয়ে কোনদিন বেশী মাথা ঘামায়নি...কিন্তু আজকের আমার এই পোস্টটা দেখার পরে একটু হলেও হয়তো মাথা ঘামাবেন।

খন এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, নিয়মিত না হাঁটলে মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। হতে পারে অকালমৃত্যু। সম্প্রতি র‌্যামব্লার্স এবং ম্যামিলান নামে এক গবেষণা সংস্থা এক প্রতিবেদনে এই মত প্রকাশ করেছে।

তাছাড়াও, পা কে শরীরের সেকেন্ড হার্ট বলা হয় কারন, মাধ্যাকর্ষণজনিত প্রভাবে শরীরের রক্তের নিচের ভাগে জমে থাকার প্রবণতা বেশি থাকে, তবে,হাঁটলে পেশি সংকোচন-প্রসারণের ফলে রক্তপ্রবাহ ব্রেইন সহ শরীরের উপরের অন্যান্য ভাগে সমভাবে সন্ঞ্চালিত হয় ফলে শরীর সুস্থ থাকে।

প্রাচীণ মানুষদের ব্রেইন ছোট ছিল, কিন্তু হার্ট ছিলো বেশী স্ট্রং কিন্তু ধীরে ধীরে বিবর্তনের ফলে ব্রেইনের আকার বেড়েছে তবে, হৃদপিন্ড হয়েছে দুর্বল। একমাত্র মানুষ ছাড়া অন্য কোন পশু পাখির মধ্যে মায়োকার্ডিয়াক এট্যাক অর্থাত্‍ হার্টের অসুখ দেখা যায় না।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে, যদি কেউ প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ মিনিট হাঁটে তবে তার শরীরে রোগব্যাধির পরিমাণ কম হয়। বড় ধরনের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কিন্তু প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনও অফিস, স্কুল বা অন্যান্য কাজসহ সপ্তাহে ৩০ মিনিটের বেশী হাঁটে না।

নিয়মিত না হাঁটার কারণে অকালমৃত্যু হতে পারে। আর এই অকালমৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে হলে আমাদের সবার নিয়মিত কমপক্ষে ২০ মিনিট করে হাঁটা উচিত।


তাই মোটা-পাতলা কোন কথা নয়...সবাই নিয়মিত হাঁটুন ও সুস্থ থাকুন।
আর পোস্টটা ভালো লাগলে Like ও Share করে সবাইকে এই ব্যাপারে জানিয়ে দিন...
(সংগৃহীত)