Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
লন্ডন: 'ডিলিট'৷ মানবকোষে লুকিয়ে বাসা বেঁধে থাকা এইচআইভি-১ ভাইরাসকে জিনোম থেকে আলাদা করার পথের খোঁজ মিলল৷ ঠিক কম্পিউটার থেকে ফাইল ওড়ানোর মতোই৷ সদ্য প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এমন দাবি করেছেন টেম্পল ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের একদল বিজ্ঞানী৷ বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় যার নাম 'সিআরআইএস/ক্যাস-৯ জিনোম এডিটিং সিস্টেম'৷ নতুন এই আবিষ্কার বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিন ধরে চলা এইডস গবেষণায় যুগান্তকারী সাফল্য আসবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা৷ হাসি ফুটবে বিশ্বের প্রায় ৩ কোটি ৩০ লক্ষ এইচআইভি আক্রান্তের মুখে৷

হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস মানবকোষে একবার ঢুকে পড়তে পারলে আর বেরোয় না৷ ঘাঁটি গেড়ে বসে৷ আক্রান্তের ডিএনএ'তে ঢুকিয়ে দেয় এর মারণ জিনোম৷ ফলে বাকি জীবনটা ওষুধ আর হাজারো চিকিত্‍সার উপর ভরসা করেই কাটাতে হয় আক্রান্তকে৷ নয়া আবিষ্কার সেই দুঃস্বপ্ন-এর হাত থেকে মুক্তি দেওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে৷ আবিষ্কার বলছে, মানবকোষ থেকে সুপ্ত এইচআইভি-১ ভাইরাস 'ডিলিট' করার চেষ্টা এই প্রথম সাফল্য পেয়েছে, যা ঘুমিয়ে থাকা সংক্রমণ সারানোরও পথ দেখিয়েছে৷ টেম্পলের নিউরোসায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষকদলের প্রধান কামেল খলিলি বলেন, 'এইডস পুরোপুরি সারিয়ে তোলার পথে এটা উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ৷' অবশ্য একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এটা ফাটাফাটি আবিষ্কার ঠিকই, কিন্ত্ত ক্লিনিক পর্যন্ত একে পৌঁছে দিতে এখনও দেরি আছে৷ তাঁর কথায়, 'বলা যেতে পারে, আমাদের ভাবনার প্রমাণ পেয়েছি৷ যার অর্থ, আমরা ঠিক পথেই এগোচ্ছি৷'

গত প্রায় ১৫ বছরে এইচআইভি-র সঙ্গে লড়াইয়ে মানুষের হাতিয়ার 'হাইলি অ্যাকটিভ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি'৷ এইচআইভি-১ ভাইরাসের বাড়াবাড়ি ঠেকিয়ে রেখেছে এই থেরাপিই৷ কিন্ত্ত চিকিত্‍সায় ছেদ পড়লেই ফোঁস করে উঠেছে ভাইরাস৷ এইচআইভি-১-এর সংখ্যায় বেড়ে যাওয়াও (রেপ্লিকেশন) ঠেকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে থেরাপি৷ কিন্ত্ত ভাইরাসের উপস্থিতি স্বাস্থ্যের বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছে৷ খলিলির কথায়, 'ভাইরাস কম সংখ্যায় বাড়লেও (লো লেভেল রেপ্লিকেশন) আক্রান্তর শরীরে এমন সব রোগ বাসা বাঁধে, যেগুলো সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজির হয়৷' এ সবের মধ্যে রয়েছে কার্ডিওমায়োপ্যাথি বা হূদপেশিরদৌর্বল্য, হাড়ের অসুখ, কিডনির অসুখ ও স্নায়ুর রোগ৷ ভাইরাসকে বশে রাখতে যে সব ড্রাগ শরীরে ঢোকানো হয়, অনেক সময় তা এই রোগগুলিকেই আরও আক্রমণাত্মক করে তোলে৷ সব মিলিয়ে রোগীর পক্ষে আরও যন্ত্রণাদায়ক এক দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া৷ সুবিশাল খরচের ক্ষেত্রও বটে৷

তাই বিজ্ঞানীরা সেই পথ খুঁজেছেন, যে পথে এগোলে এইচআইভি ভাইরাসকে একেবারে ঠেঙিয়ে মানবকোষ থেকে বিদায় করা যাবে৷ খলিলি ও তাঁর সহকর্মীরা ল্যাবে দিনের পর দিনের গবেষণার সেই পথের সন্ধানও পেয়েছেন অবশেষে৷ গবেষকরা ২০-নিউক্লিওটাইডের গাইড আরএনএ'কে পাঠিয়েছেন এইচআইভি-১ ডিএনএ লক্ষ্য করে আক্রমণ করতে৷ আরএনএ'কে শক্তিশালী করা হয়েছে তার সঙ্গে ডিএনএ-পৃথকীকরণ উত্‍সেচক সিএএস-৯'কে জুড়ে দিয়ে৷ এই গাইড আরএনএ মূলত আক্রমণ শানায় জিনের কন্ট্রোল রিজিয়নে, যার পোশাকি নাম 'লং টার্মিনাল রিপিট' (এলটিআর)৷ যা এইচআইভি-১ জিনোমের দু'দিকেই থাকে৷ এদের টার্গেট করে ক্যাস-৯ নিউক্লিয়েজ, এইচআইভি-১ জিনোমের অন্যতম উপকরণ ৯,৭০৯-নিউক্লিওটাইডকে ছিঁড়ে নিয়ে চলে আসে৷

এইচআইভি-১ যে সমস্ত কোষে ঘাঁটি বাঁধে, সেই মাইক্রোগ্লিয়া, মাইক্রোফাজ, টি-লিম্ফোসাইটে এই পরীক্ষা চালিয়ে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ খলিলি বলেন, 'টি-সেল ও মনোসাইটিক সেলই মূলত ভাইরাসে আক্রান্ত হয়৷ তাই এরাই এই প্রযুক্তির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য টার্গেট৷'

তবে সহসা টার্গেটে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন না বিজ্ঞানীরা৷ থেকে যাচ্ছে অনেকগুলি প্রশ্ন৷ যেমন প্রত্যেকটি আক্রান্ত কোষকে আক্রমণ করার মতো প্রক্রিয়া তৈরি করতে হবে৷ তার চেয়েও বড় কথা, এইচআইভি-১ যেহেতু মিউটেশন-পন্থী, তাই এক-এক আক্রান্তের জন্য এক-এক রকম চিকিত্‍সা প্রয়োজন হতে পারে৷ খলিলের কথায়, 'আক্রান্তের শরীর থেকে প্রতিটি এইচআইভি-১ কপিই আমরা বের করে দিতে চাইছি৷ এই প্রযুক্তি এইডস সারিয়ে দেবে৷ আমার মনে হয়, সেই পথেই এগোচ্ছি আমরা৷'

এইচআইভি আক্রান্তরা সে দিকেই তাকিয়ে৷ নতুন দিনের অপেক্ষায়৷


Collected

মানবকোশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে HIV ভাইরাস!!


মুম্বাই: টানা ৭ ঘণ্টার চেষ্টায় কিশোরের মুখ থেকে ২৩২ টি দাঁত তুলে ফেলতে সক্ষম হলেন চিকিত্‍সকরা। বিরলতম এই অস্ত্রপচারের সাক্ষী রইল ভারতের মুম্বইয়ের জেজে হাসপাতালের দন্ত চিকিত্‍সা বিভাগ।

গত ১৮ মাস ধরে মুখ ফুলে উঠেছিল ১৭ বছরের কিশোর অশোক ভাভই। তাঁর মুখের মাড়িতে গজিয়ে উঠিছিল ২৩২টি অতিরিক্ত দাঁত। জেজে হাসপাতালের দন্ত চিকিত্‍সা বিভাগের প্রধান ডা. ধিওয়ারে জানালেন, অস্ত্রপচারের সময় মাড়ি কাটতেই চোখে পড়ে ছোট ছোট মুক্তোর মতো দাঁত। অস্ত্রপচারের পর গুনে দেখা গেছে মোট ২৩২টি অতিরিক্ত দাঁত ছিল অশোকের মুখে। এখন রয়েছে ২৮টি। তবে এই ঘটনা খুবই বিরল। আমার ৩০ বছরের কর্মজীবনে প্রথম এই ধরনের ঘটনার দেখলাম।

দুজন চিকিত্‍সক ও দুজন সহকারী অশোকের অস্ত্রপচার করেন।

Collected

কিশোরের মুখ থেকে ২৩২টি দাঁত বের করলেন চিকিত্‍সকরা

গরমের হাত থেকে আপনাকে রেহাই দিতে পারে এক গ্লাস লাল টুকটুকে তরমুজের শরবত।


  কী কী লাগবেঃ-

১) তরমুজ-১টা(মাঝারি সাইজের),

২) চিনি-৩টেবিল চামচ ,

৩) নুন বা বিট নুন-স্বাদ মতো ,

৪) চাট মশলা-স্বাদ মতো ,

৫) বরফ এবং 

৬) জল

কীভাবে বানাবেনঃ-

তরমুজের খোসা ছাড়িয়ে বিচি ফেলে ছোট ছোট টুকরোয় কেটে নিন। ব্লেন্ডারে চিনি ও তরমুজের টুকরো একসঙ্গে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণে স্বাদ মতো নুন বা বিটনুন, চাট মশলা ও জল ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে লম্বা কাঁচের গ্লাসে ঢেলে ওপরে বরফকুটি দিয়ে পরিবেশন করুন। অথবা ফ্রিজে রেখে দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন। 

খুব সহজেই তরমুজের শরবত বানানো শিখুন ও গরমেও থাকুন তরতাজা।


১। তৈলাক্ত ত্বক থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহার করতে পারেন লেবুর রস। ঘুমাতে যাওয়ার আগে তুলোর সাহায্যে লেবুর রস মুখে লাগান এবং পরদিন সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। চাইলে দিনেও করতে পারেন।

 ২। ব্রণের দাগ থেকে মুক্তি পেতে লেবু হতে পারে কার্যকরী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। লেবুর রসে থাকা সাইট্রিক এসিড মুখের দাগ দূর করে স্কিন টোন সমান এবং উজ্জ্বল করে।

৩। ঠোঁট ফাঁটা রোধ করতেও ব্যবহার করতে পারেন লেবুর রস। রাতে ঘুমানোর আগে লেবুর রস ঠোঁটে লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর রস ঠোঁটের মরা কোষ দূর করে ঠোঁটকে নরম করে।

 ৪। নখ ভাঙ্গা রোধ করতে এবং নখ শক্ত করতে লেবুর জুড়ি নেই। ৩ চা চামচ অলিভ অয়েল এবং ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নখে লাগান। এটি নখকে শক্ত করার সাথে সাথে নখের হলদে ভাব দূর করে।

 ৫। খুশকি দূর করতে ব্যবহার করা যেতে পারে লেবু। নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল, মধু এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন। এরপর গরম তোয়ালে মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

লেবুর ব্যবহার.... স্বাস্থ্য টিপস...না পড়লে মিস।

আনারস বিশ্বের অন্যতম সেরা ফল। আমরা সবাই এটার স্বাদকে অনেকবারই উপভোগ করেছি। এর ফ্লেবারও আমরা বিভিন্ন জিনিসে উপভোগ করে থাকি।
 

সাধারণত আনারস খেলে যেসব উপকার পাওয়া যায় তা হল:

১. গরম-ঠাণ্ডার জ্বর, জ্বর-জ্বর ভাব দূর করে এই ফল। এতে রয়েছে ব্যথা দূরকারী উপাদান। তাই শরীরের ব্যথা দূর করার জন্য এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

২. আনারস কৃমিনাশক। কৃমি দূর করার জন্য খালি পেটে (সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে) আনারস খাওয়া উচিত।

৩. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্ত বাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিন্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

৪. এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ির যে কোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আনারস।

৫. এতে রয়েছে খনিজ লবণ ম্যাঙ্গানিজ, যা দাঁত, হাড়, চুলকে করে শক্তিশালী। গবেষণা করে দেখা 
গেছে, নিয়মিত আনারস খান এমন ব্যক্তিদের ঠাণ্ডা লাগা, গলা ব্যথা, সাইনোসাইটিসজাতীয় অসুখগুলো কম হয়।

৬. এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালরি, যা আমাদের শক্তি জোগায়। প্রোটিন খাবার এ ফলটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বককে কুঁচকে যাওয়া থেকে বাঁচায়। আনারস টাটকা খাওয়াই ভালো।

৭. আনারস জ্বরের ও জন্ডিস রোগের জন্য বেশ উপকারী।

৮. দেহের তৈলাক্ত ত্বক, ব্রণসহ সব রূপলাবণ্যে আনারসের যথেষ্ট কদর রয়েছে।
সংগৃহীত

আনারসের গুনাগুন সম্পর্কে জানতে এই পোস্টটা দেখুন...

সাধারণত ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে ব্রণ একটি সাধারণ অসুখ। তবে যে কোনো বয়সেই ব্রণ হতে পারে। ব্রণ দেখতে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেন ছোট ছোট গোল ফুসকুড়ি, লালচে ছোট ছোট গোটা, আবার পুঁজপূর্ণ বড় বড় চাকাও তে পারে। ব্রণ টিপলে ভাতের দানার মতো বের হয়ে আসে। অনেকের ব্রণ খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়। ব্রণের ফলে ত্বকে ছিদ্র দেখা দিতে পারে। কারো কারো মুখে ব্রণের তীব্রতা বেশি থাকলে তা এবড়োথেবড়ো দে ব্রণ বেশি টেপাটিপি করলে সেখানে কালো দাগ সৃষ্টি হয়। ব্রণের চিকিৎসায় কতজনের কত না আয়োজন। অনেকে অনেক কসমেটিকের বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে তা ব্যবহারও করে থাকেএবং দেখা যায়, এসব কসমেটিকস প্রকৃতপক্ষে বাড়িয়ে তুলছে ব্রণের তীব্রতা।

ব্রণ কেন হয়?

আমাদের ত্বকে অনেকগুলো ‘সিবাসিয়াস গ্রন্থি’ থাকে, যা থেকে সব সময় ‘সিবাম’ নামক এক ধরনের তৈলাক্ত রস নিঃসৃত হয়। লোমকূপ দিয়ে এই সিবাম বের হয়ে ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে বিধায় ত্বকে নরম, মসৃণ ও তৈলাক্তভাবে আসে। যদি কোনোকারণে ‘সিবাম’-এর নিঃসরণ বৃদ্ধি পায় এবং লোমের গোড়ায় বিদ্যমান ‘কেরাটিন’ (এক ধরনের প্রোটিনজাতীয় পদার্থ) ধুলোবালির সঙ্গে মিশে সেখানকার
ছিদ্রপথ বা নির্গমনের পথ বন্ধকরে দেয়। ফলে সিবাম বের হতে না পেরে জমা হয়ে ব্রণ হিসেবে প্রকাশ পায়।

ব্রণের চিকিৎসা

(১) সব ধরনের প্রসাধনী বর্জন করতে হবে। নখ দিয়ে ব্রণ খোঁটাখুঁটি করা যাবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রণ আপনা-আপনি সেরে যায়।

(২) দিনে অন্তত তিনবার ‘নিউট্রাজিনা’ সাবান দিয়েমুখ ধুতে হবে। অনেকে ব্রণ হলে মুখে সাবান ব্যবহার বন্ধ করে দেন অথচ এ সময়ে সাবান দিয়ে মুখ ধুলে উপকার হয়, কেননা সাবান মুখেরতৈলাক্ততা দূর করে এবং লোমকূপ পরিষকার রাখে।

(৩) রাতে ঘুমানোর সময় ভালো করে মুখ ধুয়ে শুধু ব্রণগুলোর ওপর পেনক্সিল ২.৫% জেলটি লাগানো যেতে পারে। এটি ব্যবহারে অনেকের চুলকানি বা লালাভ হতে পারে, তবে দু-একদিন জেলটি ব্যবহারের পর ঠিক হয়ে যায়। চুলকানি বা লাল ভাব বেশি হলে ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে।

(৪) কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তা দূর করতে হবে, ঝাল-মসলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতেহবে। সুষম সহজপাচ্য হালকা খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে।পুষ্টিহীনতায় ভুগলে প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

(৫) মাথায় খুশকি থাকলে অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করে খুশকি দূর করতে হবে। ব্রণের তীব্রতা বেশি হলে চিকিৎসকের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করতে হবে।

সংগৃহীত

ব্রণ কী এবং ব্রণের উপশমের উপায় জানতে এখানে দেখুন।

হ্যালো! মানুষ সবাইকে বশে আনলেও সময়কে এখনও পর্যন্ত বশে আনতে পারেনি, এখনও মানুষ বয়সকে আটকাতে পারেনা।

কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন বিজ্ঞানীরা ঘোষণা করেছেন যে, তারা নাকি বয়স কমাতে সক্ষম এমন ঔষধ আবিষ্কার করেছেন। এতদিন বয়স বৃদ্ধিকে এক মুখী বিবেচনা করা হলেও বিজ্ঞানীরা প্রমান করে দিয়েছেন বয়স চাইলে কমানোও সম্ভব! 

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মূল শক্তিকেন্দ্র হচ্ছে মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি দেহের প্রতিটি কোষে শক্তি যোগায় ফলে আমরা কাজ করতে সমর্থ হই। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি উৎপাদন কমিয়ে দেয় ফলে আমাদের শরীরের কোষ সমূহ বুড়িয়ে যায় এবং আমরাও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ি।

হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন তারা ইঁদুরের গায়ে বিশেষ ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে সফলভাবে জীবের দেহের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি বৃদ্ধি করতে পেরেছেন। 'এনএডি' নামের এক কেমিক্যাল জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হলে জীব দেহের কোষে থাকা মাইটোকন্ড্রিয়া উজ্জীবিত হয়ে উঠে। এতে করে ৬০ বছরের যেকোনো মানুষকে ২০ বছরের যুবকের মত কর্মক্ষম এবং তাগড়া মনে হবে এবং সে ৬০ বছর বয়সেই ২০ বছর বয়সের মত শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

যদি এটা সত্যি হয় তাহলে এই আবিষ্কার বিজ্ঞানের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করবে। বিজ্ঞানীরা একে ঐতিহাসিক আবিষ্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

by- DEHO

বয়স কমানোর ঔষধ! -অসম্ভব কি এবার সম্ভব হবে??

হ্যালো! আমরা হাড় কাপানো শীতের মধ্যে প্রায়ই সূর্যের রোদে গিয়ে শরীর গরম করে থাকি কিন্তু আপনারা হয়তো জানেননা যে, শীতের অতিরিক্ত রোদ আমাদের ক্ষতিসাধন করে! 


বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে শীতের রোদে ক্ষতিকর প্রভাব বেশি থাকে। রোদের প্রখরতা কম থাকায় এবং শীতের প্রভাবে সাধারণতই রোদে আমরা সবাই একটু বেশি সময় কাটায়। ফলে শীতের রোদে ত্বকের ক্ষতিও বেশি হয়। একদিকে রোদের তীব্রতা কম থাকে, অন্যদিকে বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্প কম থাকায় ক্ষতিকর অতিবেগুনি বা আলট্রাভায়োলেট রশ্মি অনেকটা সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে আসে। 

আর এই আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই এই রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে চলাই মঙ্গল। সেজন্য আমাদের একটানা বেশিক্ষণ রোদে বসে থাকা উচিত নয়, পারলে গায়ে তেল মেখে বসুন কারন আমরা সবাই জানি যে সূর্যের রোদের মাধ্যমেই মুলত আমাদের দেহে ভিটামিন-D গৃহীত হয় তাই রোদ একটা অত্যাবশ্যক জিনিস...যদিও এর প্রয়জনাতিরিক্ত মাত্রা বিপদ ডেকে আনতে পারে। 
বাই- দেহ
আশা করি সবাই এই শীতে ভালো থাকবেন। আর সবাইকে শেয়ার করে ঘটনাটা অবশ্যই জানিয়ে দেবেন ...... বাই বাই। 

শীতকালে অতিরিক্ত রৌদ্রস্নান আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে!!

হ্যালো! এর আগে আমি মধুর উপকারিতা সম্বন্ধে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, আজকে অন্য কিছু তথ্য নিয়ে আরও একটা পোস্ট দিলাম। (যারা আগের পোস্টটা দেখেননি তারা এখানে ক্লিক করুন)

১. হাজারো গুণে ভরা মধুতে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ আছে যা শরীরে শক্তি যোগায়। এর অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

২. প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। 

৩. মন ভালো করতে প্রতিদিন হালকা গরম জলের সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান। সঙ্গে একটু দারুচিনির গুঁড়াও ছিটিয়ে নিতে পারেন।

৪. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম জলে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এভাবে প্রতিদিন খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলো বের হয়ে যায় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়।

৫. মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

৬. মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমে এবং যারা ইতিমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়।

৭. হজমের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান।

৮. যারা সারাক্ষন দূর্বলতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেয়ে নিন এবং সারা দিন সবল থাকুন।

৯. সকালে ত্বকে মধু লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে মধুর বেশ কিছু উপাদান ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বক মসৃণ ও সুন্দর হয়।

১০. ত্বকে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়।

by- Deho

মধুর দশটি উপকারিতা যা হয়তো আগে দেখেননি।

হ্যালো! দারুচিনির ব্যাপারে আমরা সবাই জানি, রান্নার কাজে এটা নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। কিন্তু রান্না ছাড়াও এটা আরও অনেক উপকারে লাগে, তাহলে আসুন এর কিছু উপকার সম্বন্ধে জেনে নিই- 


১. প্রতিদিন আধা চা চামচ দারুচিনির গুড়ো রক্তে খারাপ কোলস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা কমায়। 

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিষন্ত্রণ করে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী।

৩. ঈস্ট ছত্রাক ঘটিত ইফেকশন প্রতিরোধ করে।

৪. মারন ব্যাধি লিম্ফোসাইটিক লিউকোমিয়ার বিস্তার রোধ করে। 


৫. রক্ত জমাট না বাঁধার অসুখ হিমোফিলিয়া প্রতিরোধ করে। 


৬. প্রতিদিন নাস্তায় আধা চামচ দারুচিনির গুড়ো এক চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খলে বাত ব্যথা দূর হয়।


৭. রান্নায় দারুচিনির ব্যবহার খাবারকে দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষণে সহায়তা করে।


৮. দারুচিনির ঘ্রাণ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।



সূত্র- দেহ

দারুচিনির অজানা গুনাগুণ সম্পর্কে জানতে এখানে দেখুন!!

সমাজে কীভাবে কঠোর নিয়ম মেনে মিলেমিশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হয়, শেখাতে পারে পিঁপড়ারা৷ তাদের কাণ্ডকারখানা দেখতে ঘরের মধ্যেই ‘অ্যাকোয়েরিয়াম’-এর মতো পিঁপড়ার ‘টেরারিয়াম’ বসানো যেতে পারে৷

ল্যাটিন নাম ‘কাম্পোনোটাস হারকিউলিয়েনস'৷ ইংরেজিতে ‘কার্পেন্টার অ্যান্ট'৷ আকারে ১৬ মিলিমিটার পর্যন্ত বড় হতে পারে তারা৷ ইউরোপে অন্য কোনো জাতের পিঁপড়া এত বড় হয় না৷ পচে যাওয়া কাঠের মধ্যে থাকতে ভালবাসে তারা৷ মশা-মাছি তাদের সবচেয়ে প্রিয় খাদ্য৷ তবে ছুঁলেই সর্বনাশ৷ এই পিঁপড়ার বিষাক্ত গ্রন্থি যে কী, তা টের পাওয়া যায়৷
পিঁপড়া যে ঘরের পোষ্য হতে পারে, তা জানতেন কি? অ্যান্টস্টোরের মালিক মার্টিন সেবেস্টা বলেন, ‘‘আসলে পিঁপড়াদের সামাজিক জীবনই অবাক করার মতো৷ তাদের মধ্যে সবসময় আদান-প্রদান চলছে৷ একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে৷ বাসা বড় করে, ঘরে খাবার নিয়ে আসে, সবাই মিলে ভাগ করে খায়৷ নানা পেশার পিঁপড়া সব৷ তাদের পর্যবেক্ষণ করার রোমাঞ্চই আলাদা৷''
ছোটবেলা থেকেই পোকামাকড় দেখে অবাক হতেন মার্টিন৷ তারপর পোকামাকড় বিক্রির কাজ শুরু করেন৷ পেশায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেকানিক৷ ২০০৩ সালে বার্লিনে নিজের দোকান খোলেন৷ জার্মানিতে এমন দোকান ছিল না৷ এখন বিশটিরও বেশি প্রজাতির পোকামাকড় বিক্রি করেন তিনি৷
পিঁপড়ার দোকানেরইতিবৃত্ত
পোকামাকড় আসে গোটা বিশ্ব থেকে৷ গুদামে পিঁপড়াদের ১০ থেকে ২০ হাজার কলোনি রয়েছে৷ আছে দক্ষিণ অ্যামেরিকার ‘লিফকাটার' বা পাতাকাটা পিঁপড়ার মতো বিরল প্রজাতিও৷ নিজেদের ওজনের তিরিশ গুণ বহন করতে পারে তারা৷ গাছের পাতা দিয়ে এক বিশেষ ধরনের মাশরুমের পরিচর্যা করে, যা খেয়ে তারা বেঁচে থাকে৷ মার্টিন বলেন, ‘‘পাতাকাটা পিঁপড়ার বিশেষত্ব হলো, তারা বিশাল জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে৷ প্রকৃতির কোলে তারা ৫০ বর্গকিলোমিটার বড় ও ৮ মিটার গভীর বাসাও তৈরি করতে পারে৷ বাসায় পিঁপড়া পুষতে গেলে প্রায়ই দেখা যায়, বছর দুয়েকের পর আর সামলানো যাচ্ছে না৷ তখন চিড়িয়াখানায় পাঠানোর চেষ্টা করি আমরা৷ এটা মনে রাখতে হবে৷''
ঘরের সঙ্গী পিঁপড়া
বিয়াংকা-ও বিরল প্রজাতির পিঁপড়া পুষছেন৷ বার্লিনে নিজের বাসায় ১৬টি প্রজাতির পিঁপড়া রেখেছেন, যার মধ্যে দক্ষিণ অ্যামেরিকার হিংস্র কালো এক পিঁপড়াও রয়েছে৷ বোলতার মতো হুল ফোটাতে পারে তারা৷ এমন প্রাণী কি বাসায় রাখা যায়? জীববিজ্ঞান শিক্ষিকা বিয়াংকা ড্রেনস্কে বলেন, ‘‘এদের পোষার পেছনে বেশ কয়েকটা কারণ রয়েছে৷ আমি এদের নিয়ে বাসার মধ্যেই একটা সুন্দর জগত গড়ে তুলতে পারি৷ কুকুর-বিড়াল পুষলে যা করা যায় না৷ এই ‘মিনি ইকোসিস্টেম' আমার বেশ রোমাঞ্চকর মনে হয়৷ এদের খোরাকের দামও বেশি নয়৷ তারা বিশেষ শব্দও করে না৷''
অর্থাৎ বেশ সস্তায় এমন পোষ্য রাখা যায়৷ তবে অস্ট্রেলিয়ার একটি পিঁপড়া প্রজাতির রানির দাম প্রায় ১৬০ ইউরো৷ পিঁপড়ে পোষার অন্য একটি দিকও রয়েছে৷ খুব বিরল প্রজাতির পিঁপড়া বাসায় রাখা চলে না৷ বিয়াংকা বলেন, ‘‘প্রথমেই একটা মৌলিক বিষয় খোলসা করতে হবে৷ এই পিঁপড়া কি সংরক্ষিত প্রজাতির তালিকায় পড়ে? তারা কি বিপজ্জনক? সে ক্ষেত্রে আর এগোনো উচিত নয়, বিপদ কম হলেও নয়৷ তারপর প্রশ্ন হলো, কোনো বিশেষ অনুমতি লাগে কি? যেমন অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের ভিতরে বা বাইরে কিছু নিতে গেলে এটা জানা জরুরি৷''
পিঁপড়া পোষায় হাতেখড়ি
প্রথমেই বিরল প্রজাতির পিঁপড়া পোষার চেষ্টা করা উচিত নয়৷ এমন সাধারণ প্রজাতিই ভালো৷ মার্টিন অনভিজ্ঞদের জন্য ৫০ ইউরো দামের একটা ‘স্টার্টার্স সেট' তৈরি করেছেন৷
তার মধ্যে রয়েছে সব সাজ-সরঞ্জাম সহ দুটি টেরারিয়াম৷ এক রানি ও এক নারী কর্মী থাকলেই হলো৷ দেখতে দেখতে হাজার পিঁপড়ার কলোনি তৈরি হয়ে যাবে৷ মার্টিন সেবেস্টা বলেন, ‘‘পিঁপড়াদের বাইরে চলতে-ফিরতে দেখা যায়৷ দেখা যায় একটা পিঁপড়া মুখে কিছু একটা নিয়ে গর্তে ঢুকে গেল৷ তারপর কী হয়? কীভাবে সেটা দেখা যায়? বাসাটা খুলে ফেললে বা ভেঙে দিলে ভিতরে অনেক ব্যস্ততা দেখা যায় বটে, কিন্তু তারা যে ঠিক কী করে, তা বোঝা যায় না৷''
ঠিক এ কারণেই পিঁপড়ারা পোষা জীব হিসেবে এত ইন্টারেস্টিং৷ মার্টিনের ব্যবসা ভালোই চলছে৷ গোটা ইউরোপে পিঁপড়া সাপ্লাই করে তাঁর দোকান৷
সুত্রঃ- DW.DE

পিঁপড়া পোষার বিদঘুটে শখের ব্যাপারে জানুন।

আমরা প্রায়ই শুনে থাকি যে নিয়মিত হাঁটা স্বাস্থের পক্ষে ভালো, কিন্তু কথাটাকে নিয়ে কোনদিন বেশী মাথা ঘামায়নি...কিন্তু আজকের আমার এই পোস্টটা দেখার পরে একটু হলেও হয়তো মাথা ঘামাবেন।

খন এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, নিয়মিত না হাঁটলে মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। হতে পারে অকালমৃত্যু। সম্প্রতি র‌্যামব্লার্স এবং ম্যামিলান নামে এক গবেষণা সংস্থা এক প্রতিবেদনে এই মত প্রকাশ করেছে।

তাছাড়াও, পা কে শরীরের সেকেন্ড হার্ট বলা হয় কারন, মাধ্যাকর্ষণজনিত প্রভাবে শরীরের রক্তের নিচের ভাগে জমে থাকার প্রবণতা বেশি থাকে, তবে,হাঁটলে পেশি সংকোচন-প্রসারণের ফলে রক্তপ্রবাহ ব্রেইন সহ শরীরের উপরের অন্যান্য ভাগে সমভাবে সন্ঞ্চালিত হয় ফলে শরীর সুস্থ থাকে।

প্রাচীণ মানুষদের ব্রেইন ছোট ছিল, কিন্তু হার্ট ছিলো বেশী স্ট্রং কিন্তু ধীরে ধীরে বিবর্তনের ফলে ব্রেইনের আকার বেড়েছে তবে, হৃদপিন্ড হয়েছে দুর্বল। একমাত্র মানুষ ছাড়া অন্য কোন পশু পাখির মধ্যে মায়োকার্ডিয়াক এট্যাক অর্থাত্‍ হার্টের অসুখ দেখা যায় না।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে, যদি কেউ প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ মিনিট হাঁটে তবে তার শরীরে রোগব্যাধির পরিমাণ কম হয়। বড় ধরনের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কিন্তু প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনও অফিস, স্কুল বা অন্যান্য কাজসহ সপ্তাহে ৩০ মিনিটের বেশী হাঁটে না।

নিয়মিত না হাঁটার কারণে অকালমৃত্যু হতে পারে। আর এই অকালমৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে হলে আমাদের সবার নিয়মিত কমপক্ষে ২০ মিনিট করে হাঁটা উচিত।


তাই মোটা-পাতলা কোন কথা নয়...সবাই নিয়মিত হাঁটুন ও সুস্থ থাকুন।
আর পোস্টটা ভালো লাগলে Like ও Share করে সবাইকে এই ব্যাপারে জানিয়ে দিন...
(সংগৃহীত)

হাঁটাচলা না করলে ক্যান্সার,হৃদরোগসহ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!!

হ্যালো! রাগবসত আমরা অনেক কাজই করে ফেলি যেগুলোকে আমরা রাগ কমার পরে বুঝতে পারি, এদের মধ্যে অনেক ভুল মারাত্মক হতে পারে...যার মাসুল সারা জীবন পর্যন্ত গুনতে হয়। তাই আজকের এই টিপসগুলো আপনাদের অনেক কাজে লাগবে আশা করি।


তাহলে আর সময় নষ্ট না করে, চলুন টিপসগুলো জেনে নেওয়া যাকঃ-

১. হঠাৎ করে রেগে গেলে মনে মনে প্রথমে ১ থেকে ১০ গুনুন। এর পর আবার উল্টো দিক থেকে অর্থাৎ ১০ থেকে ১ গুনুন। তাহলে দেখবেন অনেকটাই চলে গেছে রাগ।

২. রেগে গেলে প্রতিটা কথা বলার আগে ৫ সেকেন্ড করে সময় নিয়ে চিন্তা করুন। কারণ রেগে গেলে অনেক সময় এমন অনেক কথা বলা হয় যা অন্যের এবং নিজের জন্য ক্ষতিকারক।...

৩. বসে পড়ুন। কারণ, দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মানুষ বেশি রাগ প্রকাশ করে। সম্ভব হলে শুয়ে পড়া ভালো। রেগে গেলে শুয়ে পড়লে রাগ অনেকটাই চলে যায়।
৪. রাগ করলে কারো সাথে কথা না বলে চুপচাপ নিজের রুমে বসে থাকুন। কিছুক্ষণ পরে রাগ কমে গেলে আপনার রাগ করার কারণ বুঝিয়ে বলতে পারেন।

৫. রাগে অহেতুক ভাঙচুর না করে পুরোনো খবরের কাগজ ছিঁড়ুন। কাগজ ছিঁড়লে রাগ কমে যায় একেবারেই। তাই কাঁচের জিনিস কিংবা সাধের ফোনটা না ভেঙ্গে অপ্রয়োজনীয় খবরের কাগজ ছিড়ে কুচি কুচি করুন। তাহলে রাগ ধুলোয় মিশে যাবে।
By- দেহ

ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন, আর লাইক, টুইট করুন। :)

রাগ নিয়ন্ত্রণের ৫টি কার্যকরী উপায়...জেনে রাখুন।

হ্যালো! আজকে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম নিজেকে পুরোপুরি সুস্থ রাখার জন্য অতিপ্রয়োজনীয় এবং ১০০ শতাংশ কার্যকরী  ১০ টি ঘরোয়া টিপস। তাহলে আর কথা না বারিয়ে কাজ শুরু করা যাক-


  • দুকাপ জলে এক টুকরো দারুচিনি , একটা এলাচ , দু টা লং , একটা তেজপাতা , এক টুকরো আদা কুচি ও এক চামচ চা পাতা ও পরিমান মত তালমিশ্রি/চিনি/মধু দিয়ে ফুটিয়ে নিন ও ভালোমত গুলে তা দিনে তিনচার বার খান...... ঠান্ডার বাপও কাছে আসবে না !!
  • এক চামচ মধুর সাথে দুচামচ চবনপ্রাস প্রত্যকদিন খান , ঠান্ডা/ হজম/ গ্যাস ইত্যাদি সহ অসংখ্য সমস্যায় কাজ করবেই !!! 
  • প্রত্যকদিন সকালে একগ্লাস চিরতা পান করে দিন শুরু করুন, নিয়মিত অভ্যাসে সকল প্রকার রোগ মুক্ত থাকবেন । 
  • সরষে তেল এ কয়েক কোয়া রসুন কুচি দিয়ে ভালমতো ফুটিয়ে নিন , তারপর হাল্কা গরম অবস্থায় বুক পিঠ ও গলায় ভালোমত মালিশ করুন দিনে দু তিনবার , ছোট বড় সবার ঠান্ডা কমে যাবে । 
  • শরীরের কোন অংশ যত বড় আকারেই কাটুক বা ক্ষত হোক , ফিটিকিরি গুরো করে দিয়ে বেধে দিন , রক্ত পরা বন্ধ হবে ও ইনফেকসন ও হবে না , এমন কি মধ্যম আকারে মাথা ফেটে গেলেও তাতে ব্যাবহার করলে সেলাই লাগবে না । 
  • যে কোন প্রকার ক্ষতের জন্য , মাখন কে মলম হিসাবে ব্যাবহার করুন , ক্ষত সেরে যাবে । 
  •  বিষ ফোরা হলে মিষ্টি আলুর পাতে বেটে লাগান , হয় পেকে ফেটে যাবে নাহয় বসে যাবে । 
  • অনেকে সময় ব্রন খুব কষ্টদেয় , দুকোয়া রসুন বাটা দু চামচ লেবুর রস ও অল্প মালাই মিশিয়ে ঘন্টা দুয়েক রাখুন তারপর এটা ব্রনে লাগিয়ে দশ মিনিট পর ধুয়ে নিন , রেগুলার ব্যাবহারে ব্রন চলে যাবে সম্পূর্ন ভাবে ।
  • পা ফাটা সমস্যা ? ঘুমানোর সময় পা ধুয়ে লোশানের মত সয়াবিন তেল মাখুন প্রতিদিন , ফাটা চলে যাবে । এগুলো সব আমার পারিবারিক ব্যাবহৃত টিপস যা বংশানুক্রমে আমি পেয়েছি ও আমার ভবিষ্যত প্রজন্মরাও পাবে !!! ট্রাই করেই দেখুন
  • এক গ্লাস গরম দুধে আধ চামচ হলুদ গুরো মিশিয়ে আস্তে আস্তে পান করুন , এটা গলা ব্যাথা, ঠান্ডা ও সকল রকম ব্যাথা সারায় । 


ভাল থাকবেন, বাই বাই

সুস্থ থাকার প্রয়োজনীয় ও কার্যকরী ১০টি টিপস

হ্যালো! আমরা সবাই পেঁয়াজকে নানাভাবে খাবার কাজে ব্যবহার করে থাকি, কিন্তু অনেকেই এটির কিছু অতি প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে অভিহিত নই, তাহলে আর দেরি কেন...এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা তথ্যগুলি জেনে নিন, উপকার আপনারই হবে....


• পেঁয়াজের রস চুলে দিলে তা উকুননাশক হিসেবে কাজ করবে পাশাপাশি চুল পরা কমাতেও সাহায্য করবে।
• কারো নাক দিয়ে রক্ত পরলে কাচা পেয়াজ কেটে তার ঘ্রাণ নিতে দিন ।
• প্রতিদিন একটা পেঁয়াজ আপনার ঘুমের অভাব দূর করবে ।
• পোকামাকড় কামড়ালে সেখানে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে দিন।
• সাদা পেয়াজ piles থেকে রক্ত ঝরা বন্ধ করবার জন্যেও সুপারি করা হয।
• পেয়াজ হজম শক্তি বাড়ায়।
• শরীর থেকে অবাঞ্ছিত কলেস্টেরল সরিয়ে সাহায্য করে।
• দৈনিক একটি লাল পেঁয়াজ করোনারি হার্ট রোগ থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে।
• পেঁয়াজ শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন বৃদ্ধি করে ।
• জয়েন্টের পেইন দূর করে।
• হলুদের সাথে পেয়াজের রস মিশ্রিত করে শরীরে কোন কাল দাগ থাকলে সেখানে ব্যবহার করুন।
• দাঁতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
• আপনার শিশুর কৃমি সমস্যা থাকলে এক চামচ পেঁয়াজের রস খেতে দিন।
• পেয়াজ মেমরি ও স্নায়ুর উন্নতি ঘটায় ।
• কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে ।
• প্রতিদিন চিনি দিয়ে পেয়াজ খেলে তা শিশুদের উচ্চতা লাভ করতে সাহায্য করে।
• দৈনিক পেয়াজ খেলে তা আপনার যৌন সমস্যাগুলো দূর করবে।
• লাল পেঁয়াজ মাসিক রোগ সংশোধন করতে সাহায্য করে, মাসিক শুরু হবার কিছু দিন আগে লাল পেয়াজ খান।
সংগৃহীত

আপনার উপকারের জন্যই আমাদের চেষ্টা। তাই পোস্টভালো লাগলে লাইক, টুইট ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

পেঁয়াজের কিছু অতি প্রয়োজনীয় ব্যবহার.....!!!

হ্যালো আজকে আপনাদের জন্য একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট নিয়ে এসেছি, কারণ হার্ট অ্যাটাক যেকোনো সময়, যে কারোর সাথেই হতে পারে, সে হার্টের রোগী হোক বা না হোক।


মনে করুন, সন্ধ্যা ছয়টার সময় একা একা বাড়িতে বসে আছেন।বাসার মানুষেরা অন্য কামরাতে বসে টিভি দেখছে। হঠাৎ করে আপনার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হলো এবং সেই ব্যথা যেন আস্তে আস্তে করে আপনার নিচের চোয়ালের দিকে হেঁচড়ে আসা শুরু করলো! আপনার কাছাকাছি কেউ নেই। আপনি বুঝতে পারছেন, আপনার হৃদপিণ্ডে ক্রিয়া বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। এখন আপনি কি করবেন???

হার্ট অ্যাটাক হবার ফলে অধিকাংশ সময় মানুষ মারা যান, কারণ তারা একা থাকেন। অন্য কারো সাহায্য ছাড়া তাদের বুকের ওপর পাম্প করে হৃদযন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন সম্ভব হয় না, এবং ব্যথা শুরু হবার পরে অজ্ঞান হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত সাধারণত তাদের হাতে ১০ সেকেণ্ড সময় থাকে ।

  • এমতাবস্থায় বুকে ব্যথার শিকার ব্যক্তি নিজেকে সাহায্য করতে পারেন বারংবার জোরে জোরে উচ্চস্বরে কাশি দিয়ে।
  • লম্বা করে শ্বাস নিন। এবার কাশুন। লম্বা সময় নিয়ে দীর্ঘ কাশি দিন। এর ফলে আপনার ফুসফুসে স্পাটাম/মিউকাস উৎপন্ন হবে।
  • ‘শ্বাস – কাশি, শ্বাস – কাশি...’ এই প্রক্রিয়া প্রতি দুই সেকেণ্ডে একবার করে করতে থাকুন, যতক্ষণ না কেউ আপনার সাহায্যে এগিয়ে না আসে অথবা যতক্ষণ আপনার হৃদযন্ত্র একা একাই স্বাভাবিকভাবে স্পন্দিত হতে থাকে।
  • লম্বা করে শ্বাস নেবার ফলে আপনি পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাবেন। আর কাশির ফলে আপনার হৃদযন্ত্র সংকোচন-প্রসারণ হবে যার ফলে আপনার হৃদপিণ্ডের ভিতর দিয়ে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
  • এবং কয়েকবার কাশির ফলে উৎপন্ন সংকোচন-প্রসারণে হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক, স্বয়ংক্রিয় স্পন্দনে ফিরে আসার কথা। এরপরে অপর কোনো ব্যক্তির সাহায্যে আপনি হাসপাতালে পৌঁছতে পারবেন।

আপনি শিখে নিলেন। আপনি কি চান না আপনার প্রিয়জনটাও শিখে নিক? বাবা-মা, ভাই-বোন, দাদা-দাদি, বন্ধু-বান্ধব, সবাইকেই শেখান। সাহায্যহীনভাবে হার্ট এটাক করে যেন কেউ আর মৃত্যুবরণ না করে।
বাই-টিউনারপেজ

আপনাদের সকলের মঙ্গল কামনা করছি। পোষ্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ দিন আর ভালো লাগলে Like, Tweet, g+ করুন।

হার্ট অ্যাটাক হলে নিজেকে কীভাবে বাঁচাবেন?...দেখুন এখানে!!

হ্যালো! আজকে আমি আপনাদেরকে মধুর কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতার ব্যাপারে বলব, যেগুলি জেনে রাখা ভালো -


কান্সার এবং হার্টের রোগের প্রতিরোধ করে: মধুতে ফ্ল্যাভোনয়েড নামক উপাদান থাকে যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি কান্সার এবং হার্টের রোগের প্রতিরোধ করে স্ব-ধারণক্ষমতা বাড়ায়।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:  মধুতে আছে প্রচুর মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ থেকে রা করে এবং রোগ প্রতিরোধ মতা বাড়ায়। এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠাণ্ডা লাগা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়।

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে: মিহি, সাদা চিনির মতো না ভেঙে মধু আস্তে আস্তে ভাঙ্গে এবং ধীরে ধীরে রক্তপ্রবাহের সঙ্গে মেশে, যার ফলে এটি আমাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

ওজন কমায়:  প্রতিদিন সকালে মধু খেলে ওজন কমে। দ্রুত উপকার পেতে খালি পেটে হালকা গরম জলে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেতে হবে। প্রতিদিন খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়।

হৃৎপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস:  মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারুচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে এবং যারা ইতোমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে যায়।

হজমে সাহায্য করে:  মধু পেটের অম্লভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

অ্যালার্জি কমায়: মধু ধূলিকনা, পরাগ বা রেনু ঘটিত অ্যালার্জি থেকে আরাম দেয়।

শক্তি বাড়ায়:  মধুতে আছে প্রাকৃতিক চিনি, যা শরীরে শক্তি জোগায় এবং কর্মম রাখে।

ত্বক ভালো করে:  মধুতে আছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাস উপাদান। সকালে ত্বকে মধু লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক মসৃণ ও সুন্দর হবে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়।

ভালো থাকবেন, বাই বাই...

মধুর কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা......

বিজ্ঞানীরা ইঁদুরদের দেহে Lin28a -নামক এমন একটি প্রোটিনের খোঁজ করেছেন, যেটি Wolverine সিনেমার লোগান-এর হিলিং ক্ষমতার মতো কাজ করে, অর্থাৎ এটি কোন জীবের ক্ষতকে সহজেই সারিয়ে তোলে। এটি সাধারনত ভ্রুন তৈরির সময় সৃষ্টি হয়, যেটা ভ্রুনকে গর্ভাবস্থায় দ্রুত বাড়তে সাহায্য করে। 



অবশ্য, Lin28a আগেথেকেই বিজ্ঞানীদের নজর কেড়েছিল যখন এটাকে প্রতিরোধী কোশ বানাতে এবং ক্যানসারের চিকিৎসায় লাগানো হয়েছিল। Cell-নামক জার্নালে একটি রিসার্চ প্রকাশিত হয়েছে, যেটা দেখিয়েছে যে এই প্রোটিনটি যেকোনো কোশকে মেরামত করতে পারে-এমনকি আডাল্টদের ক্ষেত্রেও।

পাপ্তবয়স্ক ইঁদুরদের উপর এটাকে প্রয়োগ করে দেখা গেছে যে, তাদের লোম তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকে, তাদের কানে করা ছিদ্র সম্পূর্ণ সেরে যায়, তাদের হাড়, তরুণাস্থি, চামড়া ও অন্যান্য নরম টিস্যু প্রায় সম্পূর্ণভাবে ঠিক হয়ে বা সেরে যায়...ঠিক যেমনটা Wolverine বইটাতে হত

ভালো খবর হল এই যে এটাকে পরবর্তীতে মানুষদের উপরও প্রয়োগ করা যেতে পারে, যেটা চিকিৎসার কাজে দারুন সাহায্য করবে। 



আশা করছি, মজা পেয়েছেন....মজা পেলে Like, Comment, g+ করতে ভুলবেন না, ভালো থাকবেন- বাই বাই।

Lin28a -এমন প্রোটিন যা খুবই দ্রুত ক্ষত নিরাময় করবে Wolverine এর মতো !

হ্যালো! আমরা অনেকেই ডিম খেয়ে থাকি, অনেকে এর গুনাগুন জেনে খায় আবার অনেকেই না জেনে খায়। তাই আজকে এই পোস্টটি পড়ার পর থেকে হইত সবাই ডিমের ব্যাপারে অনেক জানা বা অজানা তথ্য জানতে পারবেনঃ-


১. পুষ্টিগুণের কথা বিবেচনায়, দেশি ডিমের চেয়ে ফার্মের ডিমে পুষ্টিগুণ বেশি থাকে। একটি ফার্মের ডিমে ক্যালরি আছে ৮০ এবং দেশি মুরগির ডিমে ক্যালরি আছে মাত্র ৫০।

২. ফার্মের ডিমে পাওয়া যায় ৮ গ্রাম প্রোটিন ও ৬ গ্রাম চর্বি রয়েছে। ডিমের কুসুমে রয়েছে ২৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, যা সম্পৃক্ত চর্বি। এছাড়াও ভিটামিন ডি সহ প্রায় ১১ ধরনের ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে।

৩. ডিমের কুসুম খুব সহজে হজম হয়। তবে হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম বা মুরগীর ডিমের কুসুম বাদ দেওয়াই ভালো। তবে ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। ডিমের সাদা অংশটি হলো পেপটাইড, যেসব উপাদানে আমিষ তৈরি হয় তার অন্যতম এই পেপটাইড। গবেষণায় দেখা গেছে, নিম্নমাত্রায় ক্যাপ্টোপ্রিল ব্যবহারে রক্তচাপ যতটা কমে প্রায় সে পরিমাণে রক্তচাপ কমতে সহায়তা করে ডিমের এই সাদা অংশ।

৪. সিদ্ধ, পোচ, অমলেট যেভাবেই ডিম খাওয়া হোক না কেন, এর পুষ্টিগুণে তারতম্য হয় না।

৫. ডিম রাখুন ঠাণ্ডা জায়গায় । ফ্রিজ থাকলে ফ্রিজে আর না থাকলে চুনের পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। অনেক দিন ডিম ভালো থাকবে।

৬. ফ্রিজে রাখার আগে ডিম কখনও ধুবেন না। কারণ ডিমের বহিরাংশে এক ধরনের প্রতিরোধ স্তর থাকে, যা ডিম ভালো রাখে। ডিম রান্না করার আগে ফ্রিজ থেকে বের করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে রান্না করুন।

৭. যারা সুষম খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, তাঁদের সপ্তাহে ছয়টি ডিম খেতে কোনো ক্ষতি নেই। তবে মধ্যবয়স্করা অতিরিক্ত ডিম খাওয়া থেকে সাবধান! সপ্তাহে সাতটি বা ততোধিক ডিম খেলে এই বয়সের লোকজনদের অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে।

৮. যেসব মহিলারা এক সপ্তাহে কমপক্ষে ৬ টি ডিম খায়, তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার এর ঝুকি ৪৪% কমে যায়। ডিমের কুসুমে কোলিন নামক একটি প্রোটিন থাকে যেটি মস্তিস্ক গঠনে ভুমিকা রাখে। তাই গর্ভবতী ও বুকের দুধ খাওয়ানো মায়ের খাদ্য তালিকায় ডিমের কুসুমের উপস্থিতি বাঞ্ছনীয়।

৯. ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়। মহিলাদের প্রতিদিন ৭০০ মাইক্রোগ্রাম এবং পুরুষদের প্রতিদিন ৯০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ প্রয়োজন শরীরের জন্য।

১০. ডিম এর মাধ্যমে কিছু রোগ ছড়াতে পারে বার্ড ফ্লুর মত কঠিন রোগ ছাড়াও । ডিমের গায়ে লেগে থাকা পায়খানা থেকে এমনকি ডিমের ভেতরে ও Salmonella enteritidis and Salmonella typhimurium নামক জীবানু থাকতে পারে। যা স্বাস্থ্য ঝুকির কারন । তাই ডিম অবশ্যই কাঁচা খাবেন না। 


by DEHO

ডিমের জানা অজানা তথ্য !! - খাওয়ার আগে একবার জেনেনিন।