Showing posts with label দারুন নিউজ. Show all posts
Showing posts with label দারুন নিউজ. Show all posts
 
একই গাছে ৪০ রকম ফল! আবার ফুলও ফোটে হরেক রঙের! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। আমেরিকার ফলবাগানে এমনই এক 'জাদু গাছ' সৃষ্টি করেছেন স্যাম ভ্যান অ্যাকেন।

২০০৮ সালে নিউ ইয়র্ক শহরে ঘুরতে ঘুরতে এক প্রাচীন ফলবাগান খুঁজে পান শিল্পী স্যাম ভ্যান অ্যাকেন। জানতে পারেন, বাগানটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে চলেছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গাছপালা ঘেরা অগোছালো বাগিচার প্রেমে পড়ে যান স্যাম। তখনই মনস্থির করেন, বাগানটি কিনবেন।

বাগান কেনার পর দিন-রাত গাছের পরিচর্যায় কাটে স্যামের। তিনি লক্ষ্য করেন, বেশির ভাগ গাছই এমন গোত্রের যাতে বাদাম জাতীয় ফল ফলে। অর্থাত্‍ যে গাছে ফলের শাঁসের আড়ালে থাকা আঁটি বাদাম জাতীয়। তখনই এক দুর্দান্ত আইডিয়া আসে স্যামের মাথায়। গ্র্যাফটিং পদ্ধতির সাহায্যে এর আগেই সংকর গাছ তৈরিতে দড় স্যাম লেগে পড়েন নতুন গবেষণায়।

এক গাছের সঙ্গে অন্য গাছের কৃত্রিম মিলন ঘটিয়ে মিশ্র প্রজাতির গাছ তৈরি করার নেশা পেয়ে বসে তাঁকে। এ ভাবেই একাধিক গাছের মিশ্রণে তিনি তৈরি করেন এই জাদু গাছ যাতে সারা গ্রীষ্ম জুড়ে ৪০ রকমের ফল ফলে। তবে শুধু ফলই নয়, বসন্তে নানা রঙের বাহারি ফুলে ছেয়ে যায় জাদু গাছ। বেগুনি, লালা, গোলাপি, সাদা রঙের শোভা দেখতে ভিড় জমান দেশ-বিদেশের পর্যটকরা।

কী কী ফল ফলে স্যামের 'কল্পতরু'তে?


শিল্পী জানিয়েছেন, পিচ, প্লাম, অ্যাপ্রিকট, আমন্ড, নেক্টারিন, চেরি ছাড়াও ফলে এই গোত্রের আরও কয়েক কিসিম প্রজাতি। তবে এরই সঙ্গে আরেক রহস্য ফাঁস করেছেন শখের উদ্ভিদ বিজ্ঞানী। প্রথম গাছের সফল গ্র্যাফটিংয়ের পর বাগানের বেশ কিছু গাছে এই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ভবিষ্যতে আরও তাক লাগানো গাছের সন্ধান মেলার সম্ভাবনা রয়েছে স্যাম ভ্যান অ্যাকেনের বাগিচায়।

একই গাছে ৪০ রকম ফল! আবার ফুলও ফোটে হরেক রঙের!

উইন্ডোজ এক্সপি ও অফিস ২০০৩’র জন্য সাপোর্ট বন্ধ করল মাইক্রোসফট।মাইক্রোসফটের পিসি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপির জন্য অফিসিয়াল আপডেট ও সাপোর্ট সুবিধা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আজ ৮ এপ্রিল ২০১৪ থেকে উইন্ডোজ এক্সপি ও এমএস অফিস ২০০৩ সফটওয়্যারের জন্য আর কোনো অফিসিয়াল বাগ ফিক্স ও নিরাপত্তা আপডেট রিলিজ হবেনা।

কিছু কিছু সরকারি সংস্থা তাদের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত এক্সপি কম্পিউটারের জন্য বাড়তি কিছু আপডেট পেতে আলাদা ব্যবস্থা নিলেও অন্যান্য ব্যবহারকারীরা ১৩ বছর বয়সী এই সফটওয়্যারটি চালাতে চাইলে ঝুঁকির মধ্যে থাকবেন।
২০০১ সালের ২৫ অক্টোবরে মুক্তি পেয়েছিল উইন্ডোজ এক্সপি। এরপর ওএসটি তিনটি মেজর আপডেট পেয়েছিল। এগুলো হচ্ছে সার্ভিস প্যাক ১, সার্ভিস প্যাক ২ ও সার্ভিস প্যাক ৩।
এরপর ২০০৯ এর ১৪ এপ্রিল উইন্ডোজ এক্সপির জন্য মূল সাপোর্ট সুবিধা বন্ধ করে দেয় রেডমন্ড। তখন থেকে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল সাপোর্ট, ওয়ারেন্টি ক্লেইম এবং ডিজাইন চেঞ্জ সাপোর্ট চালু ছিল।
তবে এখানেই সবকিছু শেষ নয়। আমাদের ব্লগটি নিয়মিত ভিজিট করে থাকলে নিশ্চয়ই মনে আছে, চলতি বছর জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে এক্সপির জন্য এন্টিভাইরাস (এমএসই)/ বিশেষ কিছু নিরাপত্তামূলক আপডেট আরও কিছুদিন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মাইক্রোসফট।
১৫ জানুয়ারি কোম্পানিটির এক ব্লগ পোস্টে এই ঘোষণা দেয়া হয়। ঐ স্টেটমেন্টে কোম্পানিটি জানায়, ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই পর্যন্ত তারা উইন্ডোজ এক্সপির জন্য নিরাপত্তা সঙ্ক্রান্ত আপডেট ইস্যু করবে। অর্থাৎ, আগামী বছরের মধ্য জুলাই পর্যন্ত উইন্ডোজ এক্সপির জন্য মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল এন্টিভাইরাস, এন্টিম্যালওয়্যার ও সিগনেচার আপডেট উপলভ্য থাকবে।
উইন্ডোজ এক্সপির নিরাপত্তা আপডেট বিহীন পৃথিবীঃ উইন্ডোজ এক্সপির সাপোর্ট বন্ধ হলে বিশ্বের ৯৫% এটিএম বুথ নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। 
By- banglatech24

বাই-বাই উইন্ডোজ এক্সপি ও অফিস ২০০৩...সাপোর্ট বন্ধ করল মাইক্রোসফট।

আমরা কিছু কিছু দিন সাক্ষী থাকি বিরল মহাজাগতিক ঘটনার। আমরা এমনই এক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছি আজকের দিনেও, অর্থাৎ  ৮ এপ্রিল, ২০১৪-তেআজ এক সরলরেখায় আসতে চলেছে সূর্য, পৃথিবী ও মঙ্গল। 



পৃথিবী যেখানে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ৩৬৫ দিন সময় নেয়, সেখানে মঙ্গলের সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৬৮৭ দিন। কাজেই সূর্যকে প্রদক্ষিণের পথে পৃথিবী ও মঙ্গলের এক সরলরেখায় থাকার ঘটনা খুবই বিরল। দু বছরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘটে থাকে এই ঘটনা। আজ সেই দিন। বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে মহাবিশ্ব। 

Source:- 24Ghanta

আজ এক সরলরেখায় আসতে চলেছে সূর্য, পৃথিবী ও মঙ্গল...

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক সেবাটি ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মেসেজসমূহ স্ক্যান করে এগুলো থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞাপনদাতাদের নিকট বিক্রি করে করে মুনাফা করছে বলে নতুন একটি মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে। এতে দাবী করা হয়, ফেসবুক মেসেজের মাধ্যমে যখন একজন ব্যক্তি কোন লিংক আদান-প্রদান করেন তখন এটিকে স্ক্যান করা হয় যার দ্বারা ইউজারের ওয়েব অ্যাক্টিভিটি মনিটর করা সম্ভব।
তবে ফেসবুকের পক্ষ থেকে উক্ত মামলার ব্যাপারে বলা হয়েছে, ঐ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই, এবং এগুলোর বিরুদ্ধে শক্তভাবে লড়াই করবে কোম্পানিটি।
এই মামলায় হেরে গেলে এর দাবী অনুযায়ী প্রতিদিন মেসেজিং সঙ্ক্রান্ত উল্লিখিত প্রাইভেসি লংঘনের জন্যফেসবুকের ১০০ ডলার বা তার বেশি জরিমানা হতে পারে। অথবা, প্রত্যেক ইউজারের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ১০,০০০ ডলার জরিমানা হতে পারে।
ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ভংগের অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিজ্ঞাপনে ইউজারদের নাম ও প্রোফাইল পিকচার দেখানোর কারণে কড়া সমালোচনার মুখোমুখী হয় ফার্মটি।
এরপরেও ফেসবুক দাবী করে যে তারা ব্যবহারকারীদের যথাযথ অনুমতি নিয়েই এসব করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালে দায়েরকৃত ঐ মামলায় ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মেসেজের তথ্য কী বিক্রি করা হচ্ছে?

হ্যালো! মানুষ সবাইকে বশে আনলেও সময়কে এখনও পর্যন্ত বশে আনতে পারেনি, এখনও মানুষ বয়সকে আটকাতে পারেনা।

কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন বিজ্ঞানীরা ঘোষণা করেছেন যে, তারা নাকি বয়স কমাতে সক্ষম এমন ঔষধ আবিষ্কার করেছেন। এতদিন বয়স বৃদ্ধিকে এক মুখী বিবেচনা করা হলেও বিজ্ঞানীরা প্রমান করে দিয়েছেন বয়স চাইলে কমানোও সম্ভব! 

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মূল শক্তিকেন্দ্র হচ্ছে মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি দেহের প্রতিটি কোষে শক্তি যোগায় ফলে আমরা কাজ করতে সমর্থ হই। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি উৎপাদন কমিয়ে দেয় ফলে আমাদের শরীরের কোষ সমূহ বুড়িয়ে যায় এবং আমরাও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ি।

হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন তারা ইঁদুরের গায়ে বিশেষ ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে সফলভাবে জীবের দেহের মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি বৃদ্ধি করতে পেরেছেন। 'এনএডি' নামের এক কেমিক্যাল জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হলে জীব দেহের কোষে থাকা মাইটোকন্ড্রিয়া উজ্জীবিত হয়ে উঠে। এতে করে ৬০ বছরের যেকোনো মানুষকে ২০ বছরের যুবকের মত কর্মক্ষম এবং তাগড়া মনে হবে এবং সে ৬০ বছর বয়সেই ২০ বছর বয়সের মত শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

যদি এটা সত্যি হয় তাহলে এই আবিষ্কার বিজ্ঞানের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করবে। বিজ্ঞানীরা একে ঐতিহাসিক আবিষ্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

by- DEHO

বয়স কমানোর ঔষধ! -অসম্ভব কি এবার সম্ভব হবে??

হ্যালো! আমরা হাড় কাপানো শীতের মধ্যে প্রায়ই সূর্যের রোদে গিয়ে শরীর গরম করে থাকি কিন্তু আপনারা হয়তো জানেননা যে, শীতের অতিরিক্ত রোদ আমাদের ক্ষতিসাধন করে! 


বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে শীতের রোদে ক্ষতিকর প্রভাব বেশি থাকে। রোদের প্রখরতা কম থাকায় এবং শীতের প্রভাবে সাধারণতই রোদে আমরা সবাই একটু বেশি সময় কাটায়। ফলে শীতের রোদে ত্বকের ক্ষতিও বেশি হয়। একদিকে রোদের তীব্রতা কম থাকে, অন্যদিকে বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্প কম থাকায় ক্ষতিকর অতিবেগুনি বা আলট্রাভায়োলেট রশ্মি অনেকটা সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে আসে। 

আর এই আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই এই রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে চলাই মঙ্গল। সেজন্য আমাদের একটানা বেশিক্ষণ রোদে বসে থাকা উচিত নয়, পারলে গায়ে তেল মেখে বসুন কারন আমরা সবাই জানি যে সূর্যের রোদের মাধ্যমেই মুলত আমাদের দেহে ভিটামিন-D গৃহীত হয় তাই রোদ একটা অত্যাবশ্যক জিনিস...যদিও এর প্রয়জনাতিরিক্ত মাত্রা বিপদ ডেকে আনতে পারে। 
বাই- দেহ
আশা করি সবাই এই শীতে ভালো থাকবেন। আর সবাইকে শেয়ার করে ঘটনাটা অবশ্যই জানিয়ে দেবেন ...... বাই বাই। 

শীতকালে অতিরিক্ত রৌদ্রস্নান আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে!!

ফাঁসি হয়ে গেল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধে দোষী সাব্যস্ত জামাত-ই-ইসলামির শীর্ষনেতা আবদুল কাদের মোল্লার। 


বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই বাংলাদেশের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫নাগাদ ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসি দেওয়া হয় তাকে। ফাঁসি দেওয়ার পূর্ব নির্ধারিত সময় ছিল ১০টা ০১মিনিটে। সেই সময় মেনেই কয়েদি নম্বর ২২৪৬-এর কাছে পৌঁছে যান জল্লাদ শাহজাহান। ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হচ্ছে জেনে ২ মিনিট সময় চেয়ে নিয়েছিলেন কাদের মোল্লা। তারপরই তিনি ধীর পায়ে ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগিয়ে যান বলে জানা গিয়েছে। 

দুদিন শুনানির পর আজ রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছিল শীর্ষ আদালত। আদালত চত্বরে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তা ছিল। ফাঁসির আদেশ পুনরায় বহাল হওয়ায় কাদের মোল্লার সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁর আত্মীয়রা। আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা ছিল না। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই রায়ের পরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন বহু মানুষ। আদালতের এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে শাহবাগের জনজাগরণ মঞ্চ।

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল আবদুল কাদের মোল্লার। কিন্তু আসামীপক্ষের আবেদনে পিছিয়ে যায় সেদিনের মতে স্থগিত হয়ে যায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ। দুদিন শুনানির পর অবশেষে ফাঁসির আদেশ বহাল রাখল আদালত। একে নির্বাচন নিয়ে শাসক দল ও বিরোধী শিবিরের তরজা চলছেই। তারমধ্যে এই রাজাকারের ফাঁসি হয়ে গেলে দেশে অশান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে প্রশাসন। 

চলতি রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই কাদেরের ফাঁসিকে কেন্দ্র করে হিংসা, মারদাঙ্গায় ফের বাংলাদেশ রক্তাক্ত হতে চলেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ তাদের নেতার ফাঁসির বদলা নিতে হিংসার পথই বেছে নিতে পারে জামাত। তাদের এযাবতকালের আচরণে সেই ইঙ্গিতই প্রবল। হিংসার আগাম আঁচ করে নিরাপত্তাবাহিনীও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যেই ফেসবুকে দুই বিচারপতিকে খুনের হুমকি দিয়ে পোস্ট করা হয়েছে।

Source: https://twitter.com/24ghantaonline

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর!!

হ্যালো! আমাদের কম্পিউটার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারনে মাঝে মাঝে হাং হয়ে যায় (ফাঁসিতে ঝোলাবার মতনই), কিন্তু আমরা বেশীরভাগ সময়েই এটা হওয়ার কারন জানতে পারি না, তাই আজকে আমি কম্পিউটার হ্যাং হবার ১টা-২টা নয়...পুরো ১২টা কারণ নিয়ে এসেছি, যার সাহায্যে হয়তো আপনার সমস্যার সমাধান হবে।

1. কম্পিউটারের প্রসেসরের মান ভাল না হলেঃ- 

কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে কম্পিউটারের প্রসেসর। আর প্রসেসরের মান ভাল না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক।

2. কম্পিউটার RAM-এর পরিমাণ কম হলেঃ- 

আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন সেই কাজটা  সম্পন্ন হয় কম্পিউটারের RAM অঞ্চলে। আর এই RAM-এর পরিমাণ কম হলে কম্পিউটার ঠিকমত কাজ করতে পারে না। এবং কম্পিউটারে হ্যাং ধরে।

3. কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর কানেকশন সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
4. প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে হ্যাং হতে পারে এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরেও ঠিক নাও হতে পারে। কেননা কম্পিউটারের সকল কাজ করে তাকে প্রসেসর।
5. অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলেঃ-
এছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যার কানেকশন অথবা হার্ডওয়্যারে সমস্যা থাকলেও কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
6. অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি তাকলেঃ-

অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল কেটে বা মুছে যাওয়াকে বুঝায়, যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।


7. কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেঃ-
সাধারণত এই কারণেই কম্পিউটার বেশী হ্যাং হয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং হয়। (অ্যান্টিভাইরাস এর জন্য এখানে যান)
8. অনেক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলেঃ-
হ্যাঁ! এটার কারণেও সবচেয়ে বেশী কম্পিউটার হ্যাং হয়। মনে করেন আপনার কম্পিউটার RAM এর পরিমাণ ১২৮ কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম একসঙ্গেই চালু করলেন। তাহলে হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা তখন কম্পিউটারের Ram ফুল হয়ে যাবে।
9. হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালেঃ-
আপনার কম্পিউটার Ram যদি কম হয় কিন্তু আপনি যদি হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালান তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাবে, কেননা তখন Ram সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায়।
10. হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করলেঃ-
কম্পিউটার গেইম এর পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যারও রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন। যা সাধারণত কম RAM ও কম প্রসেসরের ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
11. কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলেঃ-
কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে তাকলে ঐ সব ফাইল নিয়ে কাজ করতে কম্পিউটারের অনেক বেশী সময় লাগে। যার করণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
12. কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করলেঃ-
হ্যাঁ, আমরা ভাইরাস হতে মুক্তি লাভের আশায় এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় কম্পিউটারের মানের কথা না ভেবেই উচ্চ ক্ষমতা ও উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করে থাকি যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হয়। (ভালো মানের এবং কম্পিউটারকে স্লো করবে না এমন অ্যান্টিভাইরাস পেতে এখানে ক্লিক করুন)
(সংগৃহীত)
পোষ্টটি যদি আপনাদের উপকারে লাগে তাহলে Like, Tweet করতে ভুলবেন না। আজকে এই পর্যন্তই থাক, পরে কথা হবে।

কম্পিউটার হ্যাং হবার ১২টি কারণ জেনে নিন -কাজে লাগবে।

তাজমহলের ইতিহাসকে চ্যালেঞ্জ করেন প্রফেসর পি.এন. অক (Professor P.N. Oak– Taj Mahal: The True Story বই এর লেখক)।


তিনি দাবী করেন যে তাজমহল, বেগম মমতাজ মহলের সম্মানে নির্মিত প্রেমের সমাধিস্থল নয়; বরং এটা প্রাচীন দেবতা শিব (যাকে আগে বলা হত “তেজ মহালয়”) এর মন্দির যেখানে আগ্রার রাজপুতরা পূজা-অর্চনা করত! পরে শাহজাহান একে তাঁর মৃত স্ত্রীর স্মরণে স্মৃতিশালা হিসেবে গড়ে তোলেন।

ইতিহাস অনুসন্ধানে তিনি দেখতে পান যে শিব মন্দিরটি সম্রাট শাহজাহান অন্যায়ভাবে জয়পুরের মহারাজার (জয় সিং) কাছ থেকে দখল করেন। সম্রাট শাহজাহান তাঁর নিজস্ব দিনপঞ্জীতেও (বাদশাহনামা) উল্লেখ করেছেন যে, জয় সিং এর কাছ থেকে আগ্রার এক চমৎকার প্রাসাদোপম ভবন মমতাজ মহলের সমাধিস্থলের জন্য বেছে নেওয়া হয়। এবং এর জন্য জয় সিংকে অনত্র জমিও দেওয়া হয় সম্রাট শাহজাহানের পক্ষ থেকে।

“তাজমহল” নাম নিয়েও প্রফেসর পি.এন. অক সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মোগল আমল (এমনকি সম্রাট শাহজাহানের আমলেও) দলিলাদি ও কোর্টের নথিপত্রে কোথাও “তাজমহল” নাম উল্লেখ নাই! তাছাড়া ওই সময়ে কোন মুসলিম দেশে কোন প্রাসাদ/ভবনের নাম “মহল” রাখার প্রচলন ছিল না!

তাজমহল নাম এসেছে মমতাজ মহল থেকে—এটাও তাঁর কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়নি দুইটি কারনে। প্রথমতঃ তাঁর প্রকৃত নাম কখনই মমতাজ মহল ছিল না। দ্বিতীয়তঃ কেউ কারো নামে কোন প্রাসাদের নামকরন করতে চাইলে তার নামের প্রথম দুই অক্ষর বাদ দিয়ে (মমতাজ থেকে “মম” বাদ দিয়ে তাজ) নাম রাখবেন–এটাও সহজে মেনে নেওয়া যায়না।

তিনি আরো বলেন, মমতাজ আর শাহজাহানের ভালবাসার গল্প মুলতঃ রূপকথা যা ওই সময়ের লোকদের মুখ থেকে সৃষ্ট; কারন ওই সময়কার কোন সরকারী নথিপত্রে বা গ্রন্থে মমতাজ-শাহজাহানের প্রেমের কথা উল্লেখ নাই।

পাশাপশি প্রফেসর অক কিছু ডকুমেন্ট উপস্থাপন করেন যা প্রমাণ করে তাজমহল শাহজাহান শাসনামলের নয়-

১) নিউ ইয়র্কের আর্কিওলজিস্ট মারভিন মিলার (Marvin Miller) যমুনা নদীর তীর সংলগ্ন তাজমহলের দেয়ালের নমুনা পরীক্ষা করে তাতে যে কার্বন পাওয়া যায় তা সম্রাট শাহজাহনের শাসনামলেরও ৩০০ বছরের পুরনো!

২) ইউরোপিয়ান পর্যটক যিনি ১৬৩৮ সালে আগ্রা ভ্রমন করেন (মমতাজ মারা যাওয়ার মাত্র সাত বছর পর) তিনি তার গ্রন্থে সেসময় তাজমহল তৈরির কোন সূত্র উল্লেখ করেননি।

প্রফেসর পি.এন. অক- তাজমহলের স্থাপত্যশৈলীর কিছু অসামঞ্জস্যতার কথা তুলে ধরে বলেন যে তাজমহল মুলতঃ হিন্দু মন্দির ছাড়া আর কিছুই নয়
তিনি বলেন তাজমহলের অনেক কামরা শাহজাহানের আমল থেকেই তালবদ্ধ করে রাখা হয়েছে যা এখনও জনসাধারনের অজানা রয়ে গেছে। প্রফেসর অক দৃঢ়তার সাথে দাবী করেন যে ওই কামরাগুলোর একটাতেই আছে দেবতা শিবের মস্তকবিহীন মূর্তি যা সচরাচর হিন্দুদের মন্দিরে দেখা যায়।

ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক সংঘাতের আশংকায় ইন্দিরা গান্ধির সরকার প্রফেসর অকের বই বাজার থেকে উঠিয়ে নেয় এবং ভারতে এর প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়।


এখন কথাটা সত্য কি মিথ্যা, তাতো মোঘল সম্রাট শাহজাহানই জানেন, কিন্তু উপরের কথাগুলিও ফেলে দেওয়ার মতো নয়। 

তথ্যসূত্রঃ http://www.hindunet.org/hindu_history/modern/taj_oak.htmlঅনুবাদঃ Facebook Page 

তাজমহলকে কী সত্যিই শাহজাহান নির্মাণ করেছিলেন? -জাগছে প্রশ্ন!

ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটা কমন সমস্যা হল ব্যাটারির চার্জের সমস্যা। আমরা সবাই চাই আমাদের ল্যাপটপের ব্যাটারি একটু বেশিদিন চলুক। 

আজকে আমার এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা সামান্য কিছু কাজ করে বাড়িয়ে নিতে পাড়বেন আপনার প্রিয় ল্যাপটপের পারফর্মেন্স আর সেটার ব্যাটারিকে করতে পাড়বেন দীর্ঘস্থায়ী।


ল্যাপটপে কাজ করার সময় নিচে বর্ণিত বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখলে দেখতে পারবেন, আপনার ল্যাপটপের পারফর্মেন্স বৃদ্ধি পাবে এবং সেই সাথে ব্যাটারি হবে দীর্ঘ স্থায়ী -

১. উইন্ডোজ Aero Effect অফ করে দিন (বেসিক থিমের সাহায্যে) এবং ব্যাটারিতে চলাকালীন হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ এর মেইনটেনেন্স-এর কোন কাজ করবেন না।

২. ব্যাটারী দিয়ে ল্যাপটপ চালানোর প্রয়োজন না হলেও ২/৩ সপ্তাহ অন্তর অন্তর ব্যাটারীথেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারী আয়ু কমে যাবে।

৩. ব্যাটারীতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।

৪. দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন। 

৫. ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।

৬. হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারন সিডি/ডিভিডি রম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়। 

৭. এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন, সহজে বাতাস চলাচল করেএমন ভাবে ল্যাপটপ পজিশনিং করুন (ল্যাপটপের নীচে বই জাতীও কিছু দিয়ে), সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না। 

৮. সাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন। 

৯. মাঝে মাঝে ব্যাটারীর কানেক্টর লাইন পরিস্কার করুন। 

১০. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন। টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করুন এবং অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম গুলোকে সিলেক্ট করে End Process করে বন্ধ করে দিন।
(সংগৃহীত)
ভালো থাকবেন আর পোস্টটা ভালো লাগলে Like, Tweet, Share করুন :)

ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জের স্থায়িত্ব বাড়াবার ১০টা উপায়।

‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ খ্যাত হলিউডের অভিনেতা পল ওয়াকার (Paul Walker) গতকাল শনিবার বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেসে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪০ বছর।

এ প্রসঙ্গে পলের মুখপাত্রের বরাতে লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানিয়েছে, গতকাল বিকেলে একটি পোর্শে গাড়িতে চেপে দাতব্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন পল। হঠাত্ গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে লাইট পোস্ট ও গাছের সঙ্গে গাড়িটি ধাক্কা খায়। সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন পল ওয়াকার। এই দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

The red Porsche crashed into a lamp post in Valencia, north of Los Angeles

The sports car burst into flames after the crash

তুমুল জনপ্রিয় ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ সিরিজের নতুন ছবিতে ব্রায়ান ও’কনার চরিত্রে অভিনয় করছিলেন পল ওয়াকার। তাঁর মৃত্যুর পর চরিত্রটিতে কে অভিনয় করবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
অ্যাকশন ঘরানার ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ৭’ ছবিটির পরিচালক জেমস ওয়ান। এর বিভিন্ন চরিত্রে রয়েছেন ভিন ডিজেল, ডোয়েন জনসন, মিশেল রড্রিগজ, জেসন স্ট্যাথাম, কার্ট রাসেল প্রমুখ। ভিন ডিজেল ও নিল মরিটজ প্রযোজিত ছবিটি মুক্তি পাবে ২০১৪ সালের ১১ জুলাই।
সাবেক প্রেমিকা রেবেকো ম্যাকব্রেইনের সঙ্গে একটি কন্যাসন্তান আছে পলের। তাঁদের মেয়ে মিডো রেইনের বয়স ১৫ বছর।
আসল লেখক -  নির্বাক (ফ্রেন্ডসব্লগ)

মারা গেলেন অভিনেতা পল ওয়াকার (ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস মুভির)

হ্যালো আজকে আপনাদের Mac OS X, Windows অথবা Linux-এর জন্য নিয়ে এলাম একটা দারুন স্ক্যানিং সফটওয়্যার, অর্থাৎ এটা ছবি স্ক্যান করার জন্য তৈরী একটা প্রোগ্রাম যেটা বেশীরভাগ উচ্চ মানের স্ক্যানার/স্ক্যানার+প্রিন্টার আর ডিজিটাল ক্যামেরার সঙ্গে কাজ করে এবং দারুন নিখুঁত ও সঠিক কালার ব্যাল্যান্সযুক্ত ছবি তৈরী করে। 
সফটওয়্যারটা সারা বিশ্বে ফটোগ্রাফার, বাড়িতে ব্যবহারকারী, স্ক্যানিং পরিষেবা এবং কর্পোরেশন স্ক্যানিং-এর জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। এটা ব্যবহারে খুবই সোজা, এছারাও বিবর্ণ (ফেড) হয়ে যাওয়া ছবিকে ঠিক করতে এটা এক্সপার্ট। এছাড়াও এটাতে ব্যাচ স্ক্যানিং জাতীও সুবিধা আছে যেটা পেশাদার ফটোগ্রাফাররা ব্যবহার করে থাকে।

VueScan আপনার সিস্টেমের কোন পরিবর্তন ঘটায় না, এটা আপনার OS -এ অন্যকিছু ইন্সটল করে না এবং এটা ইন্সটল করলে আপনার আগেকার ব্যবহৃত সমস্ত স্ক্যানার সফটওয়্যারগুলিও ঠিকঠাক কাজ করবে। এটা আপনার কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং অর্থ সাশ্রয়ও করে।

সফটওয়্যারটা ৭০০ টারও বেশী স্ক্যানার এবং ২০০ টারও বেশী  ডিজিটাল ক্যামেরা সাপোর্ট করে।

কিছু বৈশিষ্ট্যঃ-
• Works with 1200 flatbed and film scanners
• Runs on Mac OS X, Windows and Linux
• Improves your productivity and quality of scans
• Has been downloaded more than 5 million times
• Create raw scan files
• ICC profiles and color spaces
• IT8 color calibration


ডাউনলোড লিঙ্কঃ-

ডাউনলোড লিঙ্কে গিয়ে Free Download -এ ক্লিক করুন, তারপর সঠিক কোড দিয়ে Creat Download Link -এ ক্লিক করে যে লিঙ্ক তৈরী হবে সেটাতে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন।
ভালো থাকবেন আর পোস্টটা ভালো লাগলে Like, Tweet, Share করুন :)

VueScan Pro -পৃথিবীর সবথেকে বিখ্যাত স্ক্যানার সফটওয়্যার।

হ্যালো! রাগবসত আমরা অনেক কাজই করে ফেলি যেগুলোকে আমরা রাগ কমার পরে বুঝতে পারি, এদের মধ্যে অনেক ভুল মারাত্মক হতে পারে...যার মাসুল সারা জীবন পর্যন্ত গুনতে হয়। তাই আজকের এই টিপসগুলো আপনাদের অনেক কাজে লাগবে আশা করি।


তাহলে আর সময় নষ্ট না করে, চলুন টিপসগুলো জেনে নেওয়া যাকঃ-

১. হঠাৎ করে রেগে গেলে মনে মনে প্রথমে ১ থেকে ১০ গুনুন। এর পর আবার উল্টো দিক থেকে অর্থাৎ ১০ থেকে ১ গুনুন। তাহলে দেখবেন অনেকটাই চলে গেছে রাগ।

২. রেগে গেলে প্রতিটা কথা বলার আগে ৫ সেকেন্ড করে সময় নিয়ে চিন্তা করুন। কারণ রেগে গেলে অনেক সময় এমন অনেক কথা বলা হয় যা অন্যের এবং নিজের জন্য ক্ষতিকারক।...

৩. বসে পড়ুন। কারণ, দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মানুষ বেশি রাগ প্রকাশ করে। সম্ভব হলে শুয়ে পড়া ভালো। রেগে গেলে শুয়ে পড়লে রাগ অনেকটাই চলে যায়।
৪. রাগ করলে কারো সাথে কথা না বলে চুপচাপ নিজের রুমে বসে থাকুন। কিছুক্ষণ পরে রাগ কমে গেলে আপনার রাগ করার কারণ বুঝিয়ে বলতে পারেন।

৫. রাগে অহেতুক ভাঙচুর না করে পুরোনো খবরের কাগজ ছিঁড়ুন। কাগজ ছিঁড়লে রাগ কমে যায় একেবারেই। তাই কাঁচের জিনিস কিংবা সাধের ফোনটা না ভেঙ্গে অপ্রয়োজনীয় খবরের কাগজ ছিড়ে কুচি কুচি করুন। তাহলে রাগ ধুলোয় মিশে যাবে।
By- দেহ

ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন, আর লাইক, টুইট করুন। :)

রাগ নিয়ন্ত্রণের ৫টি কার্যকরী উপায়...জেনে রাখুন।

হ্যালো! আজকে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম নিজেকে পুরোপুরি সুস্থ রাখার জন্য অতিপ্রয়োজনীয় এবং ১০০ শতাংশ কার্যকরী  ১০ টি ঘরোয়া টিপস। তাহলে আর কথা না বারিয়ে কাজ শুরু করা যাক-


  • দুকাপ জলে এক টুকরো দারুচিনি , একটা এলাচ , দু টা লং , একটা তেজপাতা , এক টুকরো আদা কুচি ও এক চামচ চা পাতা ও পরিমান মত তালমিশ্রি/চিনি/মধু দিয়ে ফুটিয়ে নিন ও ভালোমত গুলে তা দিনে তিনচার বার খান...... ঠান্ডার বাপও কাছে আসবে না !!
  • এক চামচ মধুর সাথে দুচামচ চবনপ্রাস প্রত্যকদিন খান , ঠান্ডা/ হজম/ গ্যাস ইত্যাদি সহ অসংখ্য সমস্যায় কাজ করবেই !!! 
  • প্রত্যকদিন সকালে একগ্লাস চিরতা পান করে দিন শুরু করুন, নিয়মিত অভ্যাসে সকল প্রকার রোগ মুক্ত থাকবেন । 
  • সরষে তেল এ কয়েক কোয়া রসুন কুচি দিয়ে ভালমতো ফুটিয়ে নিন , তারপর হাল্কা গরম অবস্থায় বুক পিঠ ও গলায় ভালোমত মালিশ করুন দিনে দু তিনবার , ছোট বড় সবার ঠান্ডা কমে যাবে । 
  • শরীরের কোন অংশ যত বড় আকারেই কাটুক বা ক্ষত হোক , ফিটিকিরি গুরো করে দিয়ে বেধে দিন , রক্ত পরা বন্ধ হবে ও ইনফেকসন ও হবে না , এমন কি মধ্যম আকারে মাথা ফেটে গেলেও তাতে ব্যাবহার করলে সেলাই লাগবে না । 
  • যে কোন প্রকার ক্ষতের জন্য , মাখন কে মলম হিসাবে ব্যাবহার করুন , ক্ষত সেরে যাবে । 
  •  বিষ ফোরা হলে মিষ্টি আলুর পাতে বেটে লাগান , হয় পেকে ফেটে যাবে নাহয় বসে যাবে । 
  • অনেকে সময় ব্রন খুব কষ্টদেয় , দুকোয়া রসুন বাটা দু চামচ লেবুর রস ও অল্প মালাই মিশিয়ে ঘন্টা দুয়েক রাখুন তারপর এটা ব্রনে লাগিয়ে দশ মিনিট পর ধুয়ে নিন , রেগুলার ব্যাবহারে ব্রন চলে যাবে সম্পূর্ন ভাবে ।
  • পা ফাটা সমস্যা ? ঘুমানোর সময় পা ধুয়ে লোশানের মত সয়াবিন তেল মাখুন প্রতিদিন , ফাটা চলে যাবে । এগুলো সব আমার পারিবারিক ব্যাবহৃত টিপস যা বংশানুক্রমে আমি পেয়েছি ও আমার ভবিষ্যত প্রজন্মরাও পাবে !!! ট্রাই করেই দেখুন
  • এক গ্লাস গরম দুধে আধ চামচ হলুদ গুরো মিশিয়ে আস্তে আস্তে পান করুন , এটা গলা ব্যাথা, ঠান্ডা ও সকল রকম ব্যাথা সারায় । 


ভাল থাকবেন, বাই বাই

সুস্থ থাকার প্রয়োজনীয় ও কার্যকরী ১০টি টিপস

কিছু দিন আগে থেকে সবজায়গাতে প্রচারিত হচ্ছে যে রোয়ান অ্যাটকিনশন (Rowan Atkinson) যিনি মিঃ বিন নামে সবাইয়ের কাছে সুপরিচিত, তিনি ১৫ নভেম্বরে মৃত্যুবরন করেছেন।


সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচারিত খবরে বলা হচ্ছে যে তিনি স্যুইসাইট করে মৃত্যুবরন করেছেন (৫৮ বছর বয়সে) যখন প্রয়োজক (Producer) তাঁকে, তাঁর জন্য বিখ্যাত সিনেমা Johnny English 3 - থেকে বাদ দিয়ে দেন। আরও বলা হচ্ছে যে, মিঃ বিন সিনেমাটির প্রোডিউসার এবং তাঁর ফ্যানদের জন্য একটি ভিডিও তৈরি করেছেন, স্যুইসাইট করার আগে

আসলে এই খবরটা শুধুমাত্র একটা মৃত্যু সম্বন্ধীয় গুজব। হ্যাকাররা আরও একটি মৃত্যুর গুজব বানাল সহজ সরল মানুষদেরকে ফাসাবার জন্য। ভিডিওটি দেখার জন্য নিউজটিতে ক্লিক করলে এটা একটা অ্যাপ ইন্সটল হবে, যেটা আসলে হ্যাকারদের তৈরি নকল এবং ক্ষতিকারক অ্যাপ। এই অ্যাপটির সাহায্যে তারা অনায়াসেই আপনার বন্ধুদের প্রোফাইলে এইধরনের স্পাম পোস্ট ছড়িয়ে দিতে পারে। অ্যাপটিকে পারমিশন দেওয়ার পরে এটি ভিডিওটাকে দেখাবার জন্য "Facebook Media Plug-in" ইন্সটল করার কথা বলবে, যেটা আসলে হ্যাকারদের প্লান, কারণ এমন কোন ভিডিও নাই বা মিঃ বিন -ও স্যুইসাইটও করেননি...তিনি এখনও বহাল-তবীয়তে আছেন। 
তাই দয়া করে কেউ এইসব ফালতু নিউজে ক্লিক করবেন না, আর একান্তই যদি জানার ইচ্ছা থাকে তাহলে গুগল সার্চ করে ঘটনাটা আসল কি নকল তা জেনে নিন।

উল্লেখ্য...আগেও এই ধরনের গুজব নেটে ছরিয়েছে নীচের ব্যাক্তিদের নামে-
1. Rihanna2. Natalie Portman3. Miley Cyrus4. Lady GaGa5. Oprah Winfrey6. Zach Braff7. Tom Cruise8. Tom Hanks9. Russell Crowe10. Taylor Swift
ভালো থাকবেন, আজকে মতো চলি...এইরকম ট্রিক থেকে সতর্ক থাকুন, এখন আপনিতো জানলেন, আপনার বন্ধুদেরকে জানাবেন না?? এই খবরটি সবাইয়ের সঙ্গে শেয়ার করে সবাইকে সতর্ক করে দিন, আর উপরের মতো হ্যাকারদের পোস্ট থাকলে সেটাকে টাইমলাইন থেকে রিমুভ করে দিন। 

Mr. Bean স্যুইসাইট করে মারা গেলেন ৫৮ বছর বয়সে !...সত্য না গুজব?

বিজ্ঞানীরা ইঁদুরদের দেহে Lin28a -নামক এমন একটি প্রোটিনের খোঁজ করেছেন, যেটি Wolverine সিনেমার লোগান-এর হিলিং ক্ষমতার মতো কাজ করে, অর্থাৎ এটি কোন জীবের ক্ষতকে সহজেই সারিয়ে তোলে। এটি সাধারনত ভ্রুন তৈরির সময় সৃষ্টি হয়, যেটা ভ্রুনকে গর্ভাবস্থায় দ্রুত বাড়তে সাহায্য করে। 



অবশ্য, Lin28a আগেথেকেই বিজ্ঞানীদের নজর কেড়েছিল যখন এটাকে প্রতিরোধী কোশ বানাতে এবং ক্যানসারের চিকিৎসায় লাগানো হয়েছিল। Cell-নামক জার্নালে একটি রিসার্চ প্রকাশিত হয়েছে, যেটা দেখিয়েছে যে এই প্রোটিনটি যেকোনো কোশকে মেরামত করতে পারে-এমনকি আডাল্টদের ক্ষেত্রেও।

পাপ্তবয়স্ক ইঁদুরদের উপর এটাকে প্রয়োগ করে দেখা গেছে যে, তাদের লোম তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকে, তাদের কানে করা ছিদ্র সম্পূর্ণ সেরে যায়, তাদের হাড়, তরুণাস্থি, চামড়া ও অন্যান্য নরম টিস্যু প্রায় সম্পূর্ণভাবে ঠিক হয়ে বা সেরে যায়...ঠিক যেমনটা Wolverine বইটাতে হত

ভালো খবর হল এই যে এটাকে পরবর্তীতে মানুষদের উপরও প্রয়োগ করা যেতে পারে, যেটা চিকিৎসার কাজে দারুন সাহায্য করবে। 



আশা করছি, মজা পেয়েছেন....মজা পেলে Like, Comment, g+ করতে ভুলবেন না, ভালো থাকবেন- বাই বাই।

Lin28a -এমন প্রোটিন যা খুবই দ্রুত ক্ষত নিরাময় করবে Wolverine এর মতো !

অনেক চেষ্টাতেও আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকার সাথে আপনি পেরে ওঠেন না। সে নানা ভাবে আপনাকে বিভ্রান্ত করেছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু আপনি জানে কি, আপনার মন নিয়ে এসব খেলা খুব উপভোগ করেন তারা। মেয়েদের এরকম চারটি মাইন্ড গেমের তথ্য আপনার জন্য-


১. অপেক্ষা: অপেক্ষায় রাখা নারীদের একটি সহজাত বিষয়। অল্প সময় থেকে শুরু করে অপেক্ষায় রাখার সময় অসীম পর্যায়েও গড়াতে পারে। দুজনের সম্পর্কে নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই মূলত এই খেলাটি মেয়েরা খেলে থাকে।

২. টোপ গেলানো: খেয়াল করে দেখবেন, খুব সহজ কিছু প্রশ্ন আপনাকে টোপ হিসাবে গেলানো হয় যার উত্তর দিতে গিয়ে ফেঁসে যান প্রতিদিন। ‘আমাকে কি এই পোশাকে একটু মোটা দেখাচ্ছে?’ এমন প্রশ্নের উত্তরে আপনি হ্যা বললেও বিপদে, না বললেও বিপদে। হ্যা উত্তর দিলে আপনাকে অবশ্যই বিরহ কাতর হতে হবে আর না উত্তর দিলে সে আপনাকে তার ব্যপারে উদাসীন ধরে নিয়ে দূরত্ব তৈরি করবে। তাহলে কী উত্তর দেবেন আপনি, ভাবুন?

৩. এতো সহজ না: আপনি নিশ্চিত আপনাদের পরিচয় পরিণয়ের দিকে মোড় নিচ্ছে। কিন্তু তখনই শুরু হবে আরেক ধরণের খেলা। আপনার সঙ্গীনি আপনাকে হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দেবে আপনি যতোটা সহজ ভেবেছেন তাকে কাছে পাওয়া এতো সহজ না। অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে আপনাকে প্রমাণ দিতে হবে তাকে আপনি তাকে খুব ভালবাসেন।

৪. ছেলে খেলা: বেশিরভাগ মেয়েরাই জানে যে, স্বামী বা প্রেমিকের চেয়ে সে অনেক বেশি বুদ্ধি রাখে। তবুও সে কিছু ছেলে খেলায় আপনাকে পরাস্ত করে মজা নিবে। উঁচুতে রাখা কোন জিনিস নামাতে চাইলে সে নিজেও পারে, কিন্তু এটাকেই কঠিন বুঝিয়ে সে চাইবে আপনি তার হয়ে এ কাজটি করে দিন।

বাই- দেহ

পোস্টটি ভালো লাগলে Like, Comment, g+ করতে ভুলবেন না, ভালো থাকবেন বাই বাই।

আপনার সঙ্গে, মেয়েদের খেলা কিছু মাইন্ড গেমস!!