Showing posts with label টিপস & ট্রিক্স. Show all posts
Showing posts with label টিপস & ট্রিক্স. Show all posts
উইন্ডোজের রান কমান্ডের ব্যাপারে আমরা সবাই জানি, কিন্তু এর ব্যবহারের বেশীরভাগটাই জানি না। কোন কিছু দ্রুত চালু করতে রান কমান্ডের কোন জুড়ি নেই। বেশ কয়েকটা ক্লিক করে কোন কিছু চালু করার চেয়ে তার কমান্ড জানা থাকলে Start > Run এ গিয়ে অথবা কী-বোর্ড থেকে Win Key + R প্রেস করে অথবা উইন্ডোজ ৭ হলে স্টার্ট-এ সার্চ বক্সে কমান্ডটা লিখে এন্টার দিয়ে সেটা চালু করা অনেক বেশি সহজ এবং দ্রুততর পদ্ধতি।

নিচে প্রয়োজনীয় কিছু কমান্ড এবং তাদের কার্যকারিতা দেওয়া হল :

calc – ক্যালকুলেটর

charmap - ক্যারেক্টার ম্যাপ

clipbrd – উইন্ডোজ ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার

explorer – উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার

control – কন্ট্রোল প্যানেল

dxdiag – ডাইরেক্ট এক্স ডায়াগনসটিক ইউটিলিটি

logoff – কম্পিউটার লগ অফ

mspaint – পেইন্ট

notepad – নোটপ্যাড

osk – অনস্ক্রীন কী-বোর্ড

regedit – রেজিস্ট্রি এডিটর

sndrec32 – সাউন্ড রেকর্ডার

shutdown – কম্পিউটার শাটডাউন

sndvol32 – সাউন্ড কার্ড ভলিউম কন্ট্রোল

taskmgr – টাস্ক ম্যানেজার

wmplayer – উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার

winWord – মাইক্রোসফট ওয়ার্ড

winipcfg – উইন্ডোজ ভার্সন

write – ওয়ার্ড প্যাড

. – কারেন্ট ইউজার‘স ফোল্ডার

.. – ডকুমেন্টস এন্ড সেটিংস ফোল্ডার

– মাই কম্পিউটার

desktop – ডেস্কটপ ফোল্ডার

fonts – ফন্টস ফোল্ডার

system – সিস্টেম ফোল্ডার

system32 – সিস্টেম 32 ফোল্ডার

এছাড়া যেকোন ফাইল বা ফোল্ডারের পাথ এবং যেকোন সাইটের ইউআরএল টাইপ করে এন্টার দিলে সেটাও চালু হবে।

রান (Run) বক্স/কমান্ডের ব্যবহার দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

হ্যালো! আমরা হাড় কাপানো শীতের মধ্যে প্রায়ই সূর্যের রোদে গিয়ে শরীর গরম করে থাকি কিন্তু আপনারা হয়তো জানেননা যে, শীতের অতিরিক্ত রোদ আমাদের ক্ষতিসাধন করে! 


বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে শীতের রোদে ক্ষতিকর প্রভাব বেশি থাকে। রোদের প্রখরতা কম থাকায় এবং শীতের প্রভাবে সাধারণতই রোদে আমরা সবাই একটু বেশি সময় কাটায়। ফলে শীতের রোদে ত্বকের ক্ষতিও বেশি হয়। একদিকে রোদের তীব্রতা কম থাকে, অন্যদিকে বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্প কম থাকায় ক্ষতিকর অতিবেগুনি বা আলট্রাভায়োলেট রশ্মি অনেকটা সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে আসে। 

আর এই আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই এই রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে চলাই মঙ্গল। সেজন্য আমাদের একটানা বেশিক্ষণ রোদে বসে থাকা উচিত নয়, পারলে গায়ে তেল মেখে বসুন কারন আমরা সবাই জানি যে সূর্যের রোদের মাধ্যমেই মুলত আমাদের দেহে ভিটামিন-D গৃহীত হয় তাই রোদ একটা অত্যাবশ্যক জিনিস...যদিও এর প্রয়জনাতিরিক্ত মাত্রা বিপদ ডেকে আনতে পারে। 
বাই- দেহ
আশা করি সবাই এই শীতে ভালো থাকবেন। আর সবাইকে শেয়ার করে ঘটনাটা অবশ্যই জানিয়ে দেবেন ...... বাই বাই। 

শীতকালে অতিরিক্ত রৌদ্রস্নান আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে!!

হ্যালো! আমাদের কম্পিউটার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারনে মাঝে মাঝে হাং হয়ে যায় (ফাঁসিতে ঝোলাবার মতনই), কিন্তু আমরা বেশীরভাগ সময়েই এটা হওয়ার কারন জানতে পারি না, তাই আজকে আমি কম্পিউটার হ্যাং হবার ১টা-২টা নয়...পুরো ১২টা কারণ নিয়ে এসেছি, যার সাহায্যে হয়তো আপনার সমস্যার সমাধান হবে।

1. কম্পিউটারের প্রসেসরের মান ভাল না হলেঃ- 

কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে কম্পিউটারের প্রসেসর। আর প্রসেসরের মান ভাল না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক।

2. কম্পিউটার RAM-এর পরিমাণ কম হলেঃ- 

আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন সেই কাজটা  সম্পন্ন হয় কম্পিউটারের RAM অঞ্চলে। আর এই RAM-এর পরিমাণ কম হলে কম্পিউটার ঠিকমত কাজ করতে পারে না। এবং কম্পিউটারে হ্যাং ধরে।

3. কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর কানেকশন সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
4. প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে হ্যাং হতে পারে এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরেও ঠিক নাও হতে পারে। কেননা কম্পিউটারের সকল কাজ করে তাকে প্রসেসর।
5. অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলেঃ-
এছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যার কানেকশন অথবা হার্ডওয়্যারে সমস্যা থাকলেও কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
6. অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি তাকলেঃ-

অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল কেটে বা মুছে যাওয়াকে বুঝায়, যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।


7. কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেঃ-
সাধারণত এই কারণেই কম্পিউটার বেশী হ্যাং হয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং হয়। (অ্যান্টিভাইরাস এর জন্য এখানে যান)
8. অনেক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলেঃ-
হ্যাঁ! এটার কারণেও সবচেয়ে বেশী কম্পিউটার হ্যাং হয়। মনে করেন আপনার কম্পিউটার RAM এর পরিমাণ ১২৮ কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম একসঙ্গেই চালু করলেন। তাহলে হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা তখন কম্পিউটারের Ram ফুল হয়ে যাবে।
9. হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালেঃ-
আপনার কম্পিউটার Ram যদি কম হয় কিন্তু আপনি যদি হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালান তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাবে, কেননা তখন Ram সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায়।
10. হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করলেঃ-
কম্পিউটার গেইম এর পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যারও রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন। যা সাধারণত কম RAM ও কম প্রসেসরের ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
11. কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলেঃ-
কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে তাকলে ঐ সব ফাইল নিয়ে কাজ করতে কম্পিউটারের অনেক বেশী সময় লাগে। যার করণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।
12. কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করলেঃ-
হ্যাঁ, আমরা ভাইরাস হতে মুক্তি লাভের আশায় এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় কম্পিউটারের মানের কথা না ভেবেই উচ্চ ক্ষমতা ও উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করে থাকি যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হয়। (ভালো মানের এবং কম্পিউটারকে স্লো করবে না এমন অ্যান্টিভাইরাস পেতে এখানে ক্লিক করুন)
(সংগৃহীত)
পোষ্টটি যদি আপনাদের উপকারে লাগে তাহলে Like, Tweet করতে ভুলবেন না। আজকে এই পর্যন্তই থাক, পরে কথা হবে।

কম্পিউটার হ্যাং হবার ১২টি কারণ জেনে নিন -কাজে লাগবে।

হ্যালো! অনেকসময়ই আমাদের কাছে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থাকে যেগুলিকে আমরা অন্যদের হাতের কাছ থেকে দূরে রাখতে চাই, আর এজন্য সবথেকে ভালো উপায় হচ্ছে পাসওয়ার্ড দ্বারা সংরক্ষিত বা পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড ফোল্ডার তৈরী করা, যার মধ্যে আমরা সেই ফাইলগুলোকে রাখতে পাড়ব এবং অন্যকেউ বিনা অনুমতিতে সেগুলি দেখতেও পারবেনা।
এই কাজটা করার অনেক পদ্ধতি আছে, কিন্তু প্রায় প্রত্যেকটার জন্যই কিছু থার্ড পার্টি সফটওয়্যার লাগে। তাই, আজকে আমি দেখাব যে কীভাবে কোন সফটওয়্যার ছাড়ায় এটা করা সম্ভব।

তাহলে আর সময় নষ্ট না করে পদ্ধতিটা জেনে নেওয়া যাক- 

১. প্রথমে আপনাকে যেকোনো জায়গাতে একটা সাধারন ফোল্ডার বানাতে হবে, যেটার মধ্যে আমরা পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড ফোল্ডারটা বানাবো।

২. এবার সেই ফোল্ডারটার মধ্যে গিয়ে রাইট ক্লিক করে New > Text Document -এ ক্লিক করুন।
৩. এরফলে নোটপ্যাড ওপেন হবে, এবার সেটার ভেতর নীচে লেখা কোডগুলি কপি-পেস্ট করে দিন।
cls
@ECHO OFF
title Folder Private
if EXIST "HTG Locker" goto UNLOCK
if NOT EXIST Private goto MDLOCKER
:CONFIRM
echo Are you sure you want to lock the folder(Y/N)
set/p "cho=>"
if %cho%==Y goto LOCK
if %cho%==y goto LOCK
if %cho%==n goto END
if %cho%==N goto END
echo Invalid choice.
goto CONFIRM
:LOCK
ren Private "HTG Locker"
attrib +h +s "HTG Locker"
echo Folder locked
goto End
:UNLOCK
echo Enter password to unlock folder
set/p "pass=>"
if NOT %pass%== এখানে_আপনার_পাসওয়ার্ড_লিখুন goto FAIL
attrib -h -s "HTG Locker"
ren "HTG Locker" Private
echo Folder Unlocked successfully
goto End
:FAIL
echo Invalid password
goto end
:MDLOCKER
md Private
echo Private created successfully
goto End  :End 
৪. উপরের কোডটার মধ্যে এখানে_আপনার_পাসওয়ার্ড_লিখুন -এর জায়গাই আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড বসান এবং ফাইলটাকে rohan.bat নামে (প্রথমে তৈরী করা সেই ফোল্ডারের ভেতর) সেভ করুন। ফাইলটা সেভ করার পর আর নোটপ্যাডের লেখাগুলিকে সেভ করার দরকার নাই।

৫. এবার সেই rohan.bat ফাইলটিকে, ডবল ক্লিক করে বা রাইট ক্লিক করে ওপেন করুন। এরফলে সেখানে Private নামের একটা নতুন ফোল্ডার তৈরী হবে।

৬. Private ফোল্ডারটির মধ্যে এবার আপনার যাবতীয় প্রয়োজনীয় ফাইলগুলিকে কপি করে দিন এবং আপনার কাজ শেষ হলে আবার সেই rohan.bat ফাইলটিকে ওপেন করুন।

৭. এরফলে যে কম্যান্ড বক্সটি ওপেন হবে, তাতে  Y  লিখে এন্টার চাপুন। এরফলে Private ফোল্ডারটা হাইড হয়ে যাবে....যেটাকে পাসওয়ার্ড ছাড়া কেউ দেখতেই পাবেনা।

৮. এবার যখন আপনার সেই ফাইলগুলি দেখার বা সেখানে নতুন কোন ফাইল অ্যাড করার ইচ্ছা হবে তখন আবার সেই rohan.bat ফাইলটিকে ওপেন করুন এবং আপনার গুপ্ত পাসওয়ার্ডটা টাইপ করে এন্টার দিন। তাহলে আবার সেই ফোল্ডারটা আনহাইড হবে। আপনার কাজ হয়ে গেলে একই পদ্ধতিতে আবার ফোল্ডারটীকে লক করে দিতে পারবেন।


এখন তাহলে আপনি একটা পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড ফোল্ডার তৈরী করে ফেললেন।

পোষ্টটি যদি আপনাদের উপকারে লাগে তাহলে Like, Tweet করতে ভুলবেন না। আজকে এই পর্যন্তই থাক, পরে কথা হবে।

পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড ফোল্ডার বানান কোন সফটওয়্যার ছাড়ায়।

ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটা কমন সমস্যা হল ব্যাটারির চার্জের সমস্যা। আমরা সবাই চাই আমাদের ল্যাপটপের ব্যাটারি একটু বেশিদিন চলুক। 

আজকে আমার এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা সামান্য কিছু কাজ করে বাড়িয়ে নিতে পাড়বেন আপনার প্রিয় ল্যাপটপের পারফর্মেন্স আর সেটার ব্যাটারিকে করতে পাড়বেন দীর্ঘস্থায়ী।


ল্যাপটপে কাজ করার সময় নিচে বর্ণিত বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখলে দেখতে পারবেন, আপনার ল্যাপটপের পারফর্মেন্স বৃদ্ধি পাবে এবং সেই সাথে ব্যাটারি হবে দীর্ঘ স্থায়ী -

১. উইন্ডোজ Aero Effect অফ করে দিন (বেসিক থিমের সাহায্যে) এবং ব্যাটারিতে চলাকালীন হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ এর মেইনটেনেন্স-এর কোন কাজ করবেন না।

২. ব্যাটারী দিয়ে ল্যাপটপ চালানোর প্রয়োজন না হলেও ২/৩ সপ্তাহ অন্তর অন্তর ব্যাটারীথেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারী আয়ু কমে যাবে।

৩. ব্যাটারীতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।

৪. দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন। 

৫. ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।

৬. হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারন সিডি/ডিভিডি রম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়। 

৭. এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন, সহজে বাতাস চলাচল করেএমন ভাবে ল্যাপটপ পজিশনিং করুন (ল্যাপটপের নীচে বই জাতীও কিছু দিয়ে), সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না। 

৮. সাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন। 

৯. মাঝে মাঝে ব্যাটারীর কানেক্টর লাইন পরিস্কার করুন। 

১০. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন। টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করুন এবং অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম গুলোকে সিলেক্ট করে End Process করে বন্ধ করে দিন।
(সংগৃহীত)
ভালো থাকবেন আর পোস্টটা ভালো লাগলে Like, Tweet, Share করুন :)

ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জের স্থায়িত্ব বাড়াবার ১০টা উপায়।

হ্যালো! আজকে আমি আপনাদেরকে একটা মজার ট্রিক বলব (শুধুমাত্র মজা করার জন্য)।



কম্পিউটার তো কম বেশী আপনারা সবাই ইউজ করেন, কিন্তু আপনার ব্যবহার করা কম্পিউটার টি ছেলে নাকি মেয়ে তাকি কখন ভেবেছেন বা সেটা কি কখনো যাচাই করে দেখেছেন?
যদি না করে থাকেন, তাহলে আজ আপনাদের এই দারুন ট্রিক টি শিখিয়ে দেবো, যাতে আপনি খুব সহজেই আপনার পিসির জেন্ডার বের করতে পারেন...

প্রথমে Notepad ওপেন করুন
(রাইট ক্লিক>New>Text Document), আর তাতে নীচের কোড গুলো টাইপ করুন...

CreateObject("SAPI.SpVoice").Speak"i love rohon reloaded"



এবার ফাইলটি rohan.vbs নামে সেভ করুন (Ctrl+S বা, File>save as>save)

এবার কম্পিউটার এর স্পিকার অন করে নিন বা হেদফোন লাগিয়ে নিন, আর ফাইল টি তে ডাবল ক্লিক করুন বা রাইট ক্লিক>ওপেন করুন।


এবার যদি "i love rohn reloaded" কথাটা যদি মেয়ে কণ্ঠে বলে, তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটার টিই মেয়ে, আর যদি ছেলে কণ্ঠে হয়ে থাকে, তবে ছেলে......


আশা করছি, মজা পেয়েছেন....মজা পেলে Like, Comment, g+ করতে ভুলবেন না, ভালো থাকবেন- বাই বাই।

আপনার কম্পিউটার ছেলে না মেয়ে ? -না জানলে এটি দেখুন।